Home গদ্যসমগ্র উপন্যাস আকিমুন রহমান / বিকেলের নদীস্রোতে অশ্রুবিন্দুটি ভেসে এসেছিলো [৫]

আকিমুন রহমান / বিকেলের নদীস্রোতে অশ্রুবিন্দুটি ভেসে এসেছিলো [৫]

প্রকাশঃ December 14, 2016

আকিমুন রহমান / বিকেলের নদীস্রোতে অশ্রুবিন্দুটি ভেসে এসেছিলো [৫]
0
6

উপন্যাস / পর্ব ৫

এই মতে আমার চোদ্দ বছরের কালে, আমি সংসার-সম্পর্কের সর্ব বন্ধন থেকে মুক্তি পাই।মুক্তি কী জিনিস-কেনো তা পেতে হয় এবং পেলে কী কী উপকার আসে-তার কিছুই না বুঝে এবং জেনে,ওটি পাওয়া হয়ে যায় আমার!

লেখক
লেখক

আমার বাবাকে মনে আসে,দাদাকেও।ওঁরা দুইজন না মুক্তিকে পাওয়ার জন্য ছেড়ে গেলো বাড়ি ও সংসার ও মাকে?

ওঁদের কি দেখা হয়েছে মুক্তির সঙ্গে? দেখা হোক দেখা হোক – আমি প্রাথর্না করতে থাকি দিনরাত্রি, ওদের দুজনের জন্য।

আর তো কিছু করার নেই।মা চলে যাবার পরে, এই একা একা প্রার্থনা করা ছাড়া, একা একা পুরোটা বাড়ির কক্ষে কক্ষে ঘুরে বেড়ানো ছাড়া আর কিই বা করার আছে আমার!

থির হয়ে যে বসে থাকি, সেই উপায়টা দেখি না।থির হয়ে একটু যদি বসি, মনে আসে – আমার কেউ নেই। কোনো আপনার জন!

থাকার মধ্যে আছে কেবল এই বিশাল বাড়িখানা। আছে সেই বাড়িটার চেয়েও বিশাল উঠান-আঙ্গিনা আর গৃহকর্মীর দঙ্গল।

এতো বড়ো বাড়ি নিয়ে একা আমি কি করবো? তাকে ঘিরে থাকা প্রাঙ্গনটাকে আমি কোন কাজে লাগাবো? আর, এতো সব গৃহকর্মীদেরই বা আমি কোন কাজ দেবো, কীভাবে সামলাবো!

আমার কি এতো কিছুর দরকার আছে?

এইসব ভাবনা খুব মনে আসতে থাকে আর আমাকে অস্থির করে তুলতে থাকে।

চোদ্দ বছরের এই তো এট্টুক জীবন আমার – এই যে মস্ত প্রাসাদ – এই যে তার অগুনতি কক্ষ ও গ্রন্থরাশি, এই যে দোতলার পশ্চিমপ্রান্তের সর্বশেষ তপস্যা কক্ষটি – এদের সকলকে কেমন করে আগলে রাখবো! একা আমি! দেখভাল না হয় গৃহকর্মীরা করে যাবে, কিন্তু প্রতিটিতে যে আমাকে  উপস্থিতি দিয়ে যেতে হবে – অনেক অনেক সময় ধরে উপস্থিত থাকতে হবে! এমনই তো বিধি – এই বংশের! এমনটাই তো চিরকাল ধরে হয়ে এসেছে।

এখন, ওই এতোটা ভার – আমি কেমন করে বয়ে যাবো! এতো সব কিছুতে আমার কোন দরকার!

দরকার না থাকতে পারে, কিন্তু এখন থেকে এই সমস্ত কিছুকে আগলে রাখার সব দায় আমার।

জ্যেষ্ঠ গৃহকর্মীটি আমাকে এই বংশের সনাতন বিধি-বিধান মনে করিয়ে দিতে থাকে। আমার যে মনে আছে সব, সে কথা আমি আর তাকে বলতে যাই না। তাকে থামাতেও যাই না।

আমি দেখি যে, আমার জন্য তার ভাবনা ও উদ্বেগ – আমার ভালো লাগছে। তার কথা শুনতে আমার ভালো লাগছে।

শুধু যে আমার জন্যই এই বাস্তুভিটে এই বিধিভরা সংসারটিকে আমার আগলে রাখতে হবে – তা তো নয়! রাখতে হবে বংশের মুখরক্ষার জন্য। রাখতে হবে নতুন বংশধরদের জন্য্য। আমার পরে এই বংশে যারা আসবে, তাদেরও পরে যারা আসবে, তাদের সকলের জন্য- এখন – আমাকেই আগলে যেতে হবে।

নতুবা কে করবে? আর কে আছে, যে কিনা আগলে রাখতে পারে? কেউ নেই।

আছে কেবল এই একজন। এই কন্যা।

আমার তো আমাকে একটি খাবি-খেতে থাকা টিমটিমে মাটির প্রদীপ বলে মনে হতে থাকে!

জ্যেষ্ঠা গৃহকর্মী বলে, যদি সেটাই মনে হয় তো তাতেও কোনো দোষ নেই। তবে সেই মিটমিটে দীপকেই জ্বলে থাকতে হবে প্রাণপণে।নিভে যাওয়া চলবে না। নিভে যাওয়ার উপায় নেই। তাহলে বংশরক্ষা হবে না।

আমি নিভে গেলে – এই বংশ নির্বংশ হবে। এই প্রাসাদে বিনা মেঘে বাজ পড়বে। নরম নিরীহ যে লতা-গুল্ম – দূর লোকালয়ের মাঠে-ঘাটে কোনোরকমে মাথা উঁচিয়ে আছে – তারা হঠাৎ করে পেয়ে যাবে গোখরা সাপের শক্তি ও গতি।

ধাই ধাই তেড়ে আসবে বাজ-পড়া, আধপোড়া ও নির্বংশ হয়ে যাওয়া এই বাড়ির দিকে। তারপর আধপ্রহর বেলার মধ্যে পুরো দখলে নিয়ে নেবে বাড়িটার। লিকলিকে তেজালো শরীর দিয়ে ঢেকে ফেলবে এই বাড়ির সবটা কাঠামো।

সেই বদনসিব কি মেনে নিতে পারবে, এই প্রাসাদ? কোন দূর পরদাদার আমলের এই প্রাসাদ – যার দেয়ালের শুভ্রতা কোনোদিন মলিন হওয়ার ফুরসত পায়নি, যার দেয়ালে দেয়ালে কখনো কোনোকালে – একটা চির একটা কোনো ফাটল – জেগে ওঠার অবকাশ আসেনি তার নিয়তি হবে গুল্ম – লুপ্ত হওয়া?

বংশধর থাকার পরেও – এমন ভাগ্য হবে তার?ধিক তবে সেই বংশধরকে। কুলাঙ্গার সে। এই ভিটি ও গৃহ তাকে কি অভিশাপ দিতে বাকি রাখবে? রাখবে না।

চির অভিশপ্ত জীবন নিয়ে ওই কুলাঙ্গার-জনের তখন বেঁচে থাকাই বা কী আর মরে যাওয়াই বা কী!

জ্যেষ্ঠা গৃহকর্মীটি তার অন্তরের সবটা শক্তি দিয়ে এতোরকমে আমাকে বুঝ দিতে থাকে। ওর চোখে অশ্রুও টলটল করে উঠতে দেখি আমি। সেটা কি আমার জন্য, না পূর্বপুরুষের এই ভিটার ভালোমন্দের চিন্তায় – আমি ধরতে পারি না।

তবে, ওই যে অভিশাপ লেগে যাওয়ার ভয়টা দেখায় সে, ওটা কানে আসা মাত্র আমার অন্তরাত্মা  উল্লাসে আর চিৎকারে ফেঁপে উঠতে থাকে; দেখো কী বলে এইজন! আমাকে অভিশাপের ভয় দেখায়!

আমার আবার নতুন করে অভিশাপ পাবার কোনো সুযোগ আছে নাকি? আমি তো জন্ম থেকেই পোড়া-কপালে!

মা তার ইচ্ছামৃত্যুর শেষশয্যায় শুয়ে কোন কথা বলতে আমাকে ডেকেছিলো? একটুখানি আর্শীবাদ করে যেতে কি? একটুখানি দরদ জানাতে কি?

না না! তেমন কোনোকিছুর জন্যই নয়।ডেকেছে অন্য এক গহীন কথা জানাবার জন্য। সে তো এই কথা যে, আমি কন্যা অপয়া একজন! জন্মকাল থেকেই নানা লক্ষণ দেখে জানা গেছে আমি পয়া-সুলক্ষণা কন্যা নই।

বংশের ভাগ্যে এই যে সকল দুঃখদুর্দশা, এই বাড়ির পুরুষ মাত্রেরই গৃহত্যাগ – সেটা যে এই অলক্ষণা কন্যার কারণে ঘটে নি, সে কথা কে বলতে পারে?

বলতে বলতে মায়ের গলায় অস্ফুট কান্না ছলকে ছলকে উঠতে শুনেছিলাম আমি। সেই কান্নার সঙ্গে কি একটুখানি ঘেন্না, একটুখানি ভয়ও বেজে উঠতে শুনিনি আমি? আমাকে নিয়ে?

শুনেছি।

সেই অলক্ষণা অভাগাকে এখন আবার নতুন করে কোন অভিশাপ পাবার ভয় দেখায় আমাদের গৃহকর্মী? হায় রে, আমার জন্মবৃত্তান্ত কি জানা নেই তার?

বহু বহু কাল হয়, এই বংশে সন্তান জন্ম নেয়ার সময়ে খুব আশ্চর্যের একটি ব্যাপার ঘটে চলেছে! যুগ যুগ ধরে ঘটে চলেছে একই ব্যাপার।ওই বিস্ময়কর ব্যাপারটি ঘটতে থাকে কেবল বংশে সন্তান জন্ম নেয়ার সময়ে।

তার আগে বা পরে কখনো ঘটে না।কেবল নবজাতকের জন্মলগ্নে ঘটে। কি সেই বৃত্তান্ত?

হয় কী, ঘরের ভেতরে যখন সম্ভবা বধূটির প্রসব-বেদনা ক্রমে তীব্র হতে থাকে, তখন এই বাড়ির দূর আঙিনার কড়ুই গাছটির ডালে ডালে এসে বসতে থাকে বুলবুলি পক্ষী্। জোড়ায় জোড়ায় বুলবুলি পক্ষী। অনেক অনেক জোড়া।

ওই পক্ষীরা চুলবুলে ছটফটানিভরা শরীর নিয়ে এসে বসে কড়ুই গাছটার ডালে ডালে। বসে, প্রথমে খুব খানিকটা ডানা ঝাপটায়। ডানা ঝাপটে ঝাপটে ক্রমে তারা থির হতে থাকে। তারপর একবারে শান্ত-অনড় হয়ে যায় তাদের শরীর।

তারপর অকস্মাৎ তাদের কোনো একটি কণ্ঠ ডেকে ওঠে, পি হি পি হি পিয়া পি হি! অন্য সকল কণ্ঠ তখন হুড়মুড়িয়ে এসে জড়িয়ে ধরে ওই একলা ডাককে। সমস্বরে ডাকতে থাকে, পি হি পিহি পিহি পি হি পিয়া!

তাদের সেই সুরের স্রোত জোর ছুটে এগোতে থাকে বাড়িটির দিকে। আর দমকে দমকে ঢুকে যেতে থাকে বাড়ির প্রতিটা ঘরে, বারান্দায়।ঢুকে যেতে থাকে প্রসব যন্ত্রণা – দোমড়ানো বধূটির শরীরের কোষে কোষে । ঢুকে যেতে থাকে অন্য সকলের অন্তরের মধ্যে, সকল তোরঙ্গ ও সিন্দুকের ভেতরে।

আর, তার সঙ্গে সঙ্গেই নবজাতকের কান্নার আওয়াজ ওঠে বাড়িতে।

সেই কারণে, সম্ভবা জনের প্রসব-ব্যথা ওঠামাত্র – চিরদিনই এই বাড়ির মুরুব্বিজনেরা আগে তাকিয়েছে ওই কড়ুই গাছের দিকে।বুলবুলির ঝাঁক এসেছে কি? ওরা কি ডেকে ওঠার জন্য প্রস্তুত?

দাদার জন্মের কালে,ব্যথা-যন্ত্রণায় কাতরে উঠেও সারে নি মা, কড়ুই ডালে সমস্বরে ডেকে উঠেছে বুলবুলি – পিয়া আ পি হি হি পি হি পি!

সেই স্বরের সঙ্গে পলকেই এসে মিশেছে নবজাতকের চিৎকার! এমন অনায়াস প্রসবের বৃত্তান্ত দেখে মুরুব্বিজনেরা নতুন করে অভিভূত হয়েছে। দেখো সেই শিশুর সর্বাঙ্গে সুলক্ষণের চিহ্ন ছড়ানো! সর্বত্র ছড়ানো!

তারপর আসে আমার জন্মের পালা।

বয়োজ্যেষ্ঠরা বরাবরের মতোই নিশ্চিত প্রাণে – আনুষঙ্গিক ক্রিয়াকর্ম সম্পন্ন করতে থাকে। তারা প্রসববিষয়ে উদ্বিগ্ন হবার কোনো কারণ দেখে না। বরং গোড়া থেকেই সকলে এমন সব সুলক্ষণ দেখতে পেতে থাকে যে, তারা বোঝে, এবারও প্রসববিষয়ক সব কিছু আগেরবারের মতো নির্বিঘ্নেই সম্পন্ন হবে।

তবে এবার তারা বুলবুলিদের আচরণে একটু উল্টা-পাল্টামির আভাস পায়। এমনকিছু অদ্ভুত আচরণ তারা করে – যেটি আগে কখনো করতে দেখা যায়নি।

যেমন, দূর অতীত ও নিকট কালের অন্য অন্য বার দেখা গেছে শুধু মাত্র প্রসব বেদনা দেখা দিলেই জোড়ায় জোড়ায় বুলবুলি পাখি এসে বসছে কড়ুইগাছের ডালে।এসে বসেছে শুধু ওই একবার। তারপর ডাকা শুরু করেছে। ডেকে চলেছে।

শেষে সকলে যখন নবজাতকের নাড়ি-কাটা ও তারে নাওয়ানো-ধোয়ানো নিয়ে ব্যতিব্যস্ত হয়ে পড়েছে, তখন কোন একফাঁকে বুলবুলির ঝাঁক উড়ে চলে গেছে কোন অজানায়। কখন যে তারা চলে যায় – ওটি কারোরই নজরে পড়ে না কোনো সময়।

আমার জন্মের আগে দেখা যায় পুরো ভিন্ন বৃত্তান্ত।

একদিকে মাকে সাত মাসের সাধ খাওয়ানোর হই-চই শেষ হয়, অন্যদিকে কড়ুই গাছের ডালে ডালে হঠাৎ হঠাৎ তিন জোড়া করে করে বুলবুলি পাখী এসে বসতে থাকে।বসে থাকে নিশ্চুপ। একদিন দুদিন। তারপর উড়ে চলে যায়। আসতে থাকে ঠিক তিন তিন জোড়া পাখি। বসে থাকে, কিন্তু ডাকে না।

এমন তো হতে দেখা যায়নি আগে কখনো!

বুলবুলি পাখি কী বিনা কারণেই এমন যখন-তখন আসছে?

সকলেরই মনে প্রশ্নটা ঘুরপাক খেতে থাকে। কিন্তু কেউই কোনো মীমাংসায় পৌঁছুতে পারে না।

তবে সকলেরই মনে হতে থাকে, সর্বশুভ বার্তাবাহী বুলবুলিরা অকারণে দেখা দিচ্ছে না। তারা আসছে কিছু একটা সুখবর নিয়ে। কোন সুসংবাদ আনতে পারে তারা?

সকলেরই বিশ্বাস হতে থাকে, এইভাবে এসে এসে, বুলবুলিরা গর্ভস্থ সন্তানের সুলক্ষণ ও পয়মন্ততার কথা জানান দিয়ে চলেছে।

ফেসবুকের মাধ্যমে মন্তব্য করুন

লেখাগুলো সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করুনঃ

Comment(6)

  1. বাঙালি মুসলমান নারীর সাংস্কৃতিক বাস্তবতাটা আপনার ভালো আসে। এর সঙ্গে যখন ছোট ছোট পকেট মিথ, সংস্কার, কিংবদন্তী এগুলো যুক্ত হয় তখন আরও জীবন্ত হয়ে ওঠে বিবরণ। আমার গবেষণা করার সময় ‘রক্তপুঁজে … উপন্যাসের খোয়াজ খিজির, নিষেধাজ্ঞা, পুকুরে গোসল, সুতিকা রোগ ইত্যকার বিষয় আমার মাথা খারাপ হওয়ার জোগাড় হয়। অনেকের সাথে কথা বলেছি তখন। টেরেশ ব্লশেঁর একটা গবেষণা পড়তে হয়েছিলো। সুতিকা রোগের সমাধান কোনো ডাক্তার দিতে পারছিলেন না। শেষে আমার গ্রামের বয়স্কা ২/১জন নারীর কাছে এ রোগের সমাধান পাই। বাঙালি মুসলমান নারীর জীবনকে আমি নতুন আয়নায় দেখি। বর্তমান রচনাটিও কিছু উপাদান ধরে রাখছে। তবে আরও ডিটেইলস চাই। কে জানে আপনার গদ্যটা এ ধরনের ডিটেইলিংএর উপযোগী কি না।
    পড়ে ভালো লাগছে।

    1. প্রিয় মেহেদী হাসান,জেনে খুবই মুগ্ধ হলাম যে,আপনি এমন গভীর পাঠক! ‘রক্তপুঁজে গেঁথে যাওয়া মাছি’- আমার উপন্যাসটি – এতোটা নিবিড় মনোযোগ পেয়েছে আপনার! ধন্যবাদ। ওটি কিনতু ঠিক মধ্যবিত্ত মুসলমান নারীর বৃত্তান্ত নয়।আরেকটু নেমে থাকা- মধ্যবিত্ত এবং তলানীতে পড়ে থাকা জনগোষ্ঠী-এদুযের মাঝামাঝিও কিন্তু একটা শ্রেণী বাস করে আমাদের সমাজে।এটি তাদের আখ্যান। তারা গ্রামে বসতকারী নয়,আবার সচল মফস্বল শহরেও নয়।এমন কিছু এলাকা আছে -যেটি গ্রাম-ঘেঁষা কোনোরকম টাউন।সেই এলাকায় বসতকারী এরা।এখন যেটি লিখছি,সেটি তো ঠিক অমন জীবন-বাস্তবতার গল্প নয়! এই কারণে ওই রকম করে জীবনের রূপ তুলে ধরার অবকাশ নেই এখানে।আমি সম্মানিত বোধ করছি-আপনার পাঠ-প্রতিক্রিয়া পেয়ে। সুখী থাকুন।

  2. বুলবুলিদের সাথে নতুন শিশুর জন্মগ্রহণের যোগসূত্র খুবই অভিনব।বেশ লাগছে পড়তে।অপেক্ষা পরেরটির জন্য।শ্রদ্ধা ও শুভকামনা।

    1. প্রিয় শাহনাজ পারভীন,আখ্যান আমাদের সামনে অন্য এক অভিনব পৃথিবীর দরোজা যদি খুলে দিতে পারে, তবেই তা সার্থক হয়। আমি এমনটাই বিশ্বাস করি। এবং প্রতিটি আখ্যানে ওটি রচনা করারই চেষ্টা করি। আপনার শুভকামনা আমাকে অনুপ্রাণিত করছে। ধন্যবাদ জানাই।

LEAVE YOUR COMMENT

Your email address will not be published. Required fields are marked *

hijal
Close