Home কবিতা আল ইমরান সিদ্দিকী / একগুচ্ছ নতুন কবিতা ও কবিতাভাবনা এবং খালেদ হামিদীর পাঠ-প্রতিক্রিয়া
0

আল ইমরান সিদ্দিকী / একগুচ্ছ নতুন কবিতা ও কবিতাভাবনা এবং খালেদ হামিদীর পাঠ-প্রতিক্রিয়া

প্রকাশঃ January 10, 2017

আল ইমরান সিদ্দিকী  / একগুচ্ছ নতুন কবিতা ও কবিতাভাবনা এবং খালেদ হামিদীর পাঠ-প্রতিক্রিয়া
0
0

আল ইমরান সিদ্দিকী / কবিতাগুচ্ছ

ঈশায়ী ২০১৬

দিনমান অন্ধকার, দিনমান হাওয়ার শাসানি—

ক্যাথ্‌রিনের চাকা যেন সারাটা আকাশ—খালি ঘোরে,

বিদ্যুৎ চাবুক হয়ে আকাশে আকাশে আছড়ে পড়ে।

দিনমান হাহাকার, দিনমান ছায়ার গোঙানি।

ঝড়-ঝাপ্টা দিনরাত, গুমোট গুমোট ভাব, ফাঁকে—

চলে যাচ্ছে দিনগুলি, চলমান নীতির প্রভাবে

বিশাল ঝাঁকুনি লাগে দ্যাখো গড় আয়ুর হিসাবে;

রক্ত আছে, অস্ত্র আছে, খালি থাকে খুনিরা ফারাকে।

 

জগতে এমন কালে, জেগে ওঠে নীরব চিৎকার

নীরব শ্রবণে বিষ বাণের মতোই এসে পড়ে।

হাত-পা সে কিছু নয়, গড়া হলো মগজ-পাহাড়

পাহাড় পর্ব্বত হবে, অস্ত্রের যোগান শুধু বাড়ে।

চাতালে টায়ার-সুইং একা দোলে প্রবল বাতাসে।

চাতালে টায়ার-সুইং একা দোলে প্রবল বাতাসে।

 

মন্দির   

শৈলমারি নদী বাঁক নিয়েছে; নির্জনে। বাঁকের কাছে ছোট মন্দির, বহু পুরাতন। কালো আর সবুজে ভরা সারি সারি বাবলাগাছ; একবার মনে হলো, খাড়া হয়ে থাকা জীবন্ত নৌকা সব। দূরে বসে, পুকুরপাড় থেকে মনে হয়, মন্দিরের ছোট্ট চূড়া যেন রৌদ্রের বৃন্ত হয়ে আছে। এখানে সারাদিন কড়ইয়ের পাতা ঝরে, টুকটাক ঝরে আমপাতা। পাতার ফাঁকে পিঁপড়া হাঁটে। আমার পায়ের কাছে পড়ে আছে ঢিল, মাটির ঢেলা; দূরে মন্দির—দূর থেকে সবই  নিখুঁত, কাছ থেকে সব ছেঁড়াখোড়া; কাছে গেলে দেখা যায়, ফুল-ফল-পাতা, ডাল থেকে, বৃন্ত থেকে আলাদা হয়ে ফুটে আছে; বোঝাও যায়না কে কতটুকু বেঁচে আছে; সৌন্দর্য দিয়ে প্রাণ পাওয়া মন্দির দূর থেকে নিজেও হয়তো এমনই ভাবে।

 

দিন-দুপুরে লেখা

গাছের আধেক ছায়া জলে

আধেক পড়েছে স্থলে।

পানি ও মাটিতে ছায়া তার

হাওয়া লেগে কাঁপছে বারেবার

গোছল করানো হচ্ছে দূরে পঙ্গু লোকটিকে;

তার ঢেউ আলতো করে লাগে চারদিকে।

কারো হাতজোড়া বিচ্ছিন্ন করার মতো অশেষ ক্রূরতা

কিংবা হাতকাটা কাউকে গোসল করানোর মতো অগাধ মমতা,

দুই-ই চিরদিন জ্বলজ্বলে

প্রখর সূর্যের তলে।

এ গাছও তো পারবেনা কোনোমতে

মাটি বা পানিকে দিয়ে দিতে

তার সবটুকু ছায়া

স্থির হয়ে আছে কায়া—

ক্রমাগত,

যায় খালি দিন,

শান্ত পৃথিবীর প্রশ্নে কতকিছু যৌনতার মতো

সমাধানহীন!

 

মমতা

এতো ছোট ফল, বোন,

হাতের নাগালে

কেউ দুই হাতে ছেড়ে!

মমতা দেখালে।

শীতের সকালে

বাতাস বিচিত্র সুরে

ঘুরে-ফিরে কথা বলে

তিনটি ভিন্ন

রঙের মোরগফুলে।

কারণে বা অকারণে

মন ভালো হয়ে গেলে

ছোট ছোট কতকিছু

দুই চোখে পড়ে;

মন আমার, হঠাৎই কি

মমতা দেখালে!

 

দুর্ভাবনা

শিশিরে ভিজে আছে পিয়াল আর মেহগনি গাছ।

ডেনিমে আটকে আছে কড়ইয়ের ভেজা পাতা।

অযথাই আমার শীতবোধ প্রকাশ পাচ্ছে আজ;

বান্ধবী টুপি দিয়ে ঢেকে ফেলছে তার হাসিমুখ।

 

ইচ্ছা হয় গৃহী হবো

ভয় হয় গৃহী হবো

 

বদলাবে দিন

অতিরিক্ত ক্লান্ত হবো,

যেমন, দরদালানের ভিতর

উত্তপ্ত হয়ে ওঠা কুলিং মেশিন।

 

প্যানোরামা

প্রত্যেকেই যার যার জায়গায় দাড়িয়ে দেখলো গোধূলির প্যানোরামা—প্রাণময় অথবা প্রাণহীন। দিন অবসানে কালো হয়ে আসলো ব্রিজ, মুছে গেল শেষ রশ্মি সূর্যের। অন্ধকারে, ক্ষেতে, যবের শিষগুলি, ডাঁটিগুলি কালো কালো, সারসের গ্রীবার মতোই বাঁকানো—যেন দুলছে সহমত আর দ্বিমত প্রকাশে—সহমত আর দ্বিমত প্রত্যেকের জীবনবোধে। 

 

 

প্রতিক্রিয়া

তুমি     কতো না যুগ পেরিয়ে এলে,

            কাজল দিয়ে আগলে রাখা

              অলিভ-কালো চোখে।

 

 

আমি    কতো না যুগ পিছনে গিয়ে

   আবার যেন মুখ দিয়েছি

মধুমরিচ ফুলে।

অবলিভিয়ন

জানি না কিছুই, কী এক কারণে,
মেতে আছি আমি অবলিভিয়নে:
আলোর ঘূর্ণি, ছায়ার ঘূর্ণি
জাগলো আকস্মিক
প্রচন্ড ঘোরা ঘুরলো, ঘিরলো
আমার চতুর্দিক।–

আকাশ-জমিন একাকার হলো
ঘূর্ণি বিশাল অবয়ব পেলো
গাছপালা সব এক মুহূর্তে
ঘূর্ণিতে গেল ফেঁসে
সুগন্ধ গিয়ে সুগন্ধে লাগে
রঙ যায় রঙে মিশে।

তারপর আর কিছু নাই মনে,
এসেছি যখন আমি জাগরণে
তুমুল ব্যথায় ছিঁড়েই যাচ্ছে
কপালের দুই পাশ
শরীরে আমার লাগে যেন কার
আগুন মাখানো শ্বাস।

শুরুতে দেখেছি আলোর বাবল্-
চোখ চাড়াতেই লতা-ফুল-ফল;
মাথার পাশেই চিকচিক করে
শুকনো বালুর কণা।
উঠে দেখি সব কেমন কেমন,
অল্প-স্বল্প চেনা।

হেঁটে হেঁটে আমি হাতড়ে দেখেছি
থেমে থেমে কি যে চিন্তা করেছি!-

মেয়ে প্রজাপতি মরে পড়ে ছিল
চওড়া পাতার গায়ে;
ছেলে প্রজাপতি চক্কর দিয়ে
উড়লো ক্রমান্বয়ে।

আর কিছুদূর সরে এসে আমি
ফুলের গন্ধে মুহূর্তে থামি;
সারি সারি গাছ, নিথর যেনবা
লক্ষ ফুলের ভারে
বিনা বাতাসেই কয়েকটি ফুল
শরীরে পড়লো ঝরে ।

কমে গেল আলো, ছায়া গেল বেড়ে
ডাল-লতা-পাতা নড়ে জোরেসোরে
বাতাস উঠছে, বাতাস নামছে-
ঈগলের মতো ঘোরে
প্রবল বাতাসে আলোড়িত গাছে
লতা-পাতা যায় ছিঁড়ে।

হঠাৎ আকাশ রং বদলালো
কালো গোলাপের পাপড়ি ছড়ালো-
ব্যাপক বৃষ্টি হলো ও থামলো,
বাতাস বইলো ধীরে
হেঁটে গেছি আমি, দশদিক ভরে
গিয়েছে প্যাট্রিকোরে।

শরীরে ক্লান্তি, মগজে ভ্রান্তি
কোনদিকে যাবো, কোথায় শান্তি!
কোথায় আমার ঘরদোর আর
কোথায়-বা পরিবার
আবছা আবছা মনে পড়ে শুধু-
এটুকুই প্রতিকার।

ঘাস-পাথরের ধুলাবালি মুছে
এখানে-সেখানে পানি জমে আছে।
বৃষ্টি শেষের আলো আসলেন,
দিলেন আকাশ ভরে
আমি ও আমার গৃহকাতরতা
উঠেছি শৈল-চূড়ে।

 

টুপ ভূজঙ্গ

জীবন কি আর রাখবে তেমন ঋণ!-

ধোপা-নাপিত বন্ধ করে

থাকবো বসে টুপ ভূজঙ্গ হয়ে;

শতেক আমি আসবে আবার দারুণ সম্মিলনে।

হরিণটানা ব্রিজের পাশে

সজিনা ফুল পড়ছে ঝরে;

তেমন করেই ঝরে গেল দিন!

 

জানি, আসবে তারা আবার কোনো রাঙা শুক্রবারে।

 

আমরা

আমরা পেতে চেয়েছি অনেক কিছু—

সেগুলি যেন মরুভূমিতে বরফসাদা বেসিন,

রৌদ্রে পানির মতো চিকচিক করা রুপালি ট্যাবসহ।

 

আমরা বলতে চেয়েছি অনেক কিছু—

সেগুলি যেন ছবি,

ট্রেন যাবার সুড়ঙ্গের গায়ে আঁকা।

 

আমরা দেখতে চেয়েছি অনেক কিছু—

সেগুলি যেন সবার ন্যায্য গোপনীয়তা,

মনে শ্বেত শাপলার মতো ফুটে থাকা।

 

আল ইমরান সিদ্দিকী / কবিতাভাবনা

 

কবিতা নিয়ে অনেক কিছু করার থাকলেও, খুব বেশি কিছু বলার নেই আমার। যেহেতু আমি খানিকটা স্পষ্টভাবে জানি আমি কী চাই; সেটা অনেকবার বলেছি—একই কথা বারবার বলা ক্লান্তিকর। আমার চাওয়া বহু শাখা-প্রশাখায় বিস্তৃত। ফলে, এখানে সংযোজিত এই অঙ্গুলিমেয় কবিতার সাথে আমার কাব্যভাবনার আংশিক মিল পাওয়া গেলেও, আপাত-বিরোধও নজরে আসতে পারে কিছুটা। কারণ, যে-দমবন্ধ অবস্থার ভিতর দিয়ে আমরা যাচ্ছি, সবকিছুতে তার ঢেউ লাগে— ন্যায্যতার সাথে তাকে ভাষা দিতে চেয়েছি। কিন্তু, আমার কাজ নৈরাশ্যের ছবি আঁকা নয়, পরাবাস্তবধর্মী চিত্রকল্প বা বিমূর্তধারার চিত্রকল্পে কবিতা ভরিয়ে তোলাও নয়, ছন্দহীনতাও আমার কাজ নয়। অর্থাৎ, যা-কিছুতে আজকের বাংলা কবিতা ভরে আছে, সেসব থেকে মুক্তি পাওয়ার ভাবনাই আমার কবিতা বিষয়ক ভাবনা আপাতত। এই সাত সকালে মনে হচ্ছে এর বেশি বলতে যাওয়া ঠিক না। কারণ, আমি তো পল্লবগ্রাহী।

 

পাঠপ্রতিক্রিয়া / খালেদ হামিদী

গত প্রায় এক দশকে, পত্রিকান্তরে দুই দফায় ধারাবাহিকভাবে মুদ্রিত (এবং ২০১৬-এর ফেব্রুয়ারিতে প্রকাশিত না কবিতা হাঁ কবিতা গ্রন্থে অন্তর্ভুক্ত)  আমার কবিতা বিষয়ক গদ্যে, আমি সমকালীন কবিতার যেসব অসঙ্গতি শনাক্ত করি আল ইমরান সিদ্দিকীর এই দশটি কবিতা সেসব থেকে নিঃসন্দেহে মুক্ত। আমার এমন শুরু কবির উপর্যুক্ত কবিতা ভাবনার সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ। কেননা তিনি নিজেই বলেছেন : যা-কিছুতে আজকের বাংলা কবিতা ভরে আছে, সেসব থেকে মুক্তি পাওয়ার ভাবনাই আমার কবিতা বিষয়ক ভাবনা আপাতত। প্রাথমিক প্রস্তুতি ও ভিত্তি ব্যতিরেকেই অনেকে কবিতা লিখতে আসেন। এমনকি  নব্বইয়ের দশকের কবির কবিতায়ও ভুল বাক্য এবং সারফেস মিনিংয়ের অভাব আমি আবিষ্কার করি সেসময়। কিন্তু আল ইমরান নিজে কোন ধরনের অনুষঙ্গ-ভাবানুষঙ্গ নির্দেশ করেন যা-কিছুতে পূর্ণ হয়ে আছে আজকের বাংলা কবিতা? তিনি পরাবাস্তবতা, বিমূর্ততা এবং নৈরাশ্যের কথা উল্লেখ করেন। আমার পর্যবেক্ষণে ধরা পড়ে, সদর্থক রাজনীতির অভাব কিংবা ধনতন্ত্রের কাছে পরাজয় অথবা কবি যশোপ্রার্থিতার মুখ্যতাহেতু কবিতাকেও পণ্য করে তোলার প্রবণতা।

এবার আমরা দেখতে পারি আল ইমরান স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন কিসে। তিনি আসলে নির্ভার সাবলীল ভাষায়, এক আশ্চর্য সহজতায় সামাজিক-রাষ্ট্রিক অসঙ্গতিগুলো শনাক্ত করেন :

(ক) কারো হাতজোড়া বিচ্ছিন্ন করার মতো অশেষ ক্রূরতা / কিংবা হাতকাটা কাউকে গোসল করানোর মতো অগাধ মমতা, / দুই-ই চিরদিন জ্বলজ্বলে/প্রখর সূর্যের তলে। (দিন-দুপুরে লেখা)

(খ) ইচ্ছা হয় গৃহী হবো / ভয় হয় গৃহী হবো / বদলাবে দিন / অতিরিক্ত ক্লান্ত হবো, / যেমন, দরদালানের ভিতর / উত্তপ্ত হয়ে ওঠা কুলিং মেশিন। (দুর্ভাবনা)

(গ) শরীরে ক্লান্তি, মগজে ভ্রান্তি / কোনদিকে যাবো, কোথায় শান্তি! / কোথায় আমার ঘরদোর আর / কোথায়-বা পরিবার / আবছা আবছা মনে পড়ে শুধু- / এটুকুই প্রতিকার। (অবলিভিয়ন)

মাত্রাবৃত্তে লেখা এই শেষোক্ত উদ্ধৃতির কবিতাটি খুবই সুখপাঠ্য এবং চমৎকার। কবির যাপনের সর্বমাত্রিক অভিজ্ঞতার সারাৎসার দৃশ্যকল্প-রূপকল্পের আশ্রয়ে, বলা যায়, বাঙ্ময় হয়ে ওঠে দশ স্তবকে লেখা আপাত দীর্ঘ এই কবিতায়। তাছাড়া তাঁর কাব্যিক বয়ান গভীর নান্দনিকতা ছড়িয়ে দেয় পাঠকের চেতনায়, এই অনবদ্য  কবিতায় : হেঁটে হেঁটে আমি হাতড়ে দেখেছি / থেমে থেমে কি যে চিন্তা করেছি!- / মেয়ে প্রজাপতি মরে পড়ে ছিল / চওড়া পাতার গায়ে; / ছেলে প্রজাপতি চক্কর দিয়ে / উড়লো ক্রমান্বয়ে। / আর কিছুদূর সরে এসে আমি / ফুলের গন্ধে মুহূর্তে থামি; / সারি সারি গাছ, নিথর যেনবা / লক্ষ ফুলের ভারে / বিনা বাতাসেই কয়েকটি ফুল / শরীরে পড়লো ঝরে।

 

আল ইমরানের পূর্বসূরী কবিদেরও কারো কারো রচনায় বক্তব্যের অকাব্যিক প্রকাশ চোখে পড়ে। কিন্তু ইমরান জানেন কবিতায় কিভাবে কথা বলতে হয় : আমরা বলতে চেয়েছি অনেক কিছু- / সেগুলি যেন ছবি, / ট্রেন যাবার সুড়ঙ্গের গায়ে আঁকা।  আমরা দেখতে চেয়েছি অনেক কিছু- / সেগুলি যেন সবার ন্যায্য গোপনীয়তা, / মনে শ্বেত শাপলার মতো ফুটে থাকা। (আমরা)

দিনদুপুরে লেখা কবিতায় এক পঙ্গু লোককে স্নান করানোর দৃশ্যে কবির চিন্তা আবর্তিত হয় মানব সভ্যতার  অসম্পূর্ণতা অব্দি :

এ গাছও তো পারবেনা কোনোমতে / মাটি বা পানিকে দিয়ে দিতে / তার সবটুকু ছায়া / স্থির হয়ে আছে কায়া-/ক্রমাগত, / যায় খালি দিন, / শান্ত পৃথিবীর প্রশ্নে কতকিছু যৌনতার মতো / সমাধানহীন! বিষম সমাজের বাস্তবতা, হরণকারী ও হৃতের স্থিতাবস্থা ইত্যাদি রূপকাশ্রয়ী দ্ব্যর্থবোধকতায় প্রকাশিত হয় এই কবিতায়। এভাবে, কবিকে আমরা প্রাগুক্ত সর্বপ্রকার নেতির বিপরীতে সক্রিয় দেখতে পাই কাব্যিক মসৃণতায়।

আল ইমরান সিদ্দিকীর জন্য শুভকামনা।

ফেসবুকের মাধ্যমে মন্তব্য করুন

লেখাগুলো সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করুনঃ

LEAVE YOUR COMMENT

Your email address will not be published. Required fields are marked *

hijal
Close