Home দর্শন এ. কে. এম. সালাহউদ্দিন / ফুকোর সাহিত্য, চিত্তবৈকল্য, ক্লিনিক ও কিতাব বিশ্লেষণ [তৃতীয় পর্ব]

এ. কে. এম. সালাহউদ্দিন / ফুকোর সাহিত্য, চিত্তবৈকল্য, ক্লিনিক ও কিতাব বিশ্লেষণ [তৃতীয় পর্ব]

প্রকাশঃ May 20, 2017

এ. কে. এম. সালাহউদ্দিন / ফুকোর সাহিত্য, চিত্তবৈকল্য, ক্লিনিক ও কিতাব বিশ্লেষণ [তৃতীয় পর্ব]
0
1

[পর্ব ৩]

“ফুকো মানবজাতির বংশানুক্রমিক বিনির্মাণকে সমর্থন করে বলেছেন যে, মানসিক রোগের চিকিৎসা ও আরোগ্যবিধানের ব্যাপারটি ছিল সময়কালহীন। এই কথাগুলো তিনি বলেছেন তাঁর মানবজাতির মনোবিশ্লেষণের বংশানুক্রমিক শাস্ত্রে। এই শাস্ত্রে তিনি আলোচনা করেছেন আধুনিক আত্মা সম্বন্ধে, যা ‘চিত্তবৈকল্যের ইতিহাস’ পেরিয়ে আরও অনেক বেশি উন্নততর অবস্থানে পৌঁছেছিল।”

ফুকোর দৃষ্টিতে চিত্তবৈকল্যের আধুনিক ইতিহাসের সূত্রপাত ঘটে সেইসময় যখন প্যারির বিভিন্ন হাসপাতাল যেমন বিসেত্রে আর সালপিত্রিয়ে থেকে বন্দিদের মুক্তি দেয়া হচ্ছিল। বদ্ধ অন্ধকার কারাগার থেকে তখনই পাগল বন্দিরা মুক্তি পায়। এই বন্দিমুক্তির কাজটি যিনি করেছিলেন তার নাম ফিলিপ পিনেল। ঘটনাটি ঘটেছিল ১৭৯৩ সালে। এটি নিঃসন্দেহে প্রশংসিত একটি কাজ ছিল এই জন্য যে, এর মধ্য দিয়েই মানসিক রোগের চিকিৎসা ও আরোগ্য বিধানের শক্ত ভিতের মূলোৎপাটন করা হয়েছিল। আধুনিক মনোচিকিৎসা মানবতাবাদে রূপান্তরিত হচ্ছিল। ফুকো এই ঘটনা এবং এর তাৎপর্য সম্পর্কে বিশদ ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তিনি পাঠ করেছিলেন চিত্তবৈকল্যের মুক্তির কথা, বন্দিশিবিরের কাহিনি। শ্রেণিবিভাগ করেছিলেন মনোচিকিৎক ও আরোগ্যবিধানের। পরিশেষে এ সম্বন্ধে যুক্তিতর্কের অবতারণা করে মনোচিকিৎসক শ্রী পিনেলকে সমালোচনা না করে প্রশংসা করেছেন। কিন্তু প্রশ্ন তুলেছেন, কেন মনোচিকিৎসকরা মানসিক রোগীদের পাগলাগারদের বন্দিজীবনে আশ্রয় নেয়ার প্রেসক্রিপশন দেয়। এটা কী ধরনের চিকিৎসাশাস্ত্র? যদিও তিনি মনে করেছেন, এই জ্ঞান মূলত মানবিক। এই কল্যাণমূলক জ্ঞানের পরোক্ষ শক্তিকে অগ্রাহ্য করা যাবে না। চিত্রবৈকল্যের ব্যাপারটা এতটাই শক্তিশালী যে মানসিক রোগীদের পাগলাগারদে পাঠানোর কথা বলা হয়।

চিত্তবৈকল্যের আধুনিক ইতিহাসের প্রারম্ভটা ছিল অশান্তির। চিকিৎসক পিনেল এরকম একটা গল্প ফেঁদেছিলেন। তবে তার কোন মানবিক চিকিৎসার কথা জানা ছিল না, যা দিয়ে মানসিক রোগীদের সুস্থ করা যায়। বরং ব্যাপারটা ছিল ভয়ের। জ্বরাক্রান্ত অথবা পচনশীল শরীরকে চিত্তবৈকল্যের সঙ্গে যুক্ত করে দেখা হয়েছে। অনেক সংক্রামক রোগ, মহামারী ইত্যাদি এইসময়ে গণআশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। ভয় ছিল সেখানেই। ফুকো বলছেন, আঠারো শতকের মধ্যভাগে এই ধরনের ভয়ঙ্কর রোগের প্রাদুর্ভাব ঘটেছিল। ফুকো দেখেছেন, বিপ্লবের সময়গুলোতে সংস্কারের যে দাবি উঠতো, সেটাই ছিল সত্যিকারের প্রারম্ভকাল।

এই সংস্কার আন্দোলন তবু পাগলদের মুক্ত করতে পারেনি। বরং সাধারণ দুর্বৃত্ত, লম্পট ও কামুকদের যৌথ বন্দিজীবনের মাধ্যমে স্ফুর্তিবাজ পাগলদের সুস্থ করে তুলবার চেষ্টা ছিল। এই লক্ষ্যেই অসংখ্য হাসপাতাল নির্মাণ করা হয়েছিল। এই হাসপাতালগুলো সমাজের সব জায়গায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে ছিল। এসব ছাড়াও নিরাময় আশ্রয়কেন্দ্রগুলোর উপস্থিতি ছিল প্রায় সব জায়গায়। মানসিক রোগীদের আধুনিক দেহের নকশাও প্রদর্শিত হয়েছে। এই নিরাময় আশ্রয়কেন্দ্রগুলো তৈরি করেছিল নতুন ও বিশেষায়িত একধরনের প্রতিষ্ঠান, যেখানে নির্জন শব্দহীন নীরব পরিবেশ তৈরি করা হয়েছিল। এখানে মানসিক রোগীদের কোন কথা বলতে দেয়া হতো না। কিন্তু মানসিক রোগীদের কণ্ঠ শোনার ব্যবস্থা ছিল। এই ব্যবস্থাটি ছিল এরকম পরিস্থিতির ইউরোপীয় খ্রিস্টীয় ইতিহাসের প্রথম দৃষ্টান্ত। তখন কণ্ঠস্বর ব্যবহার করে চিত্তবৈকল্যবাদী মানুষেরা নিজেদের মধ্যে কথা বলতো। এরা তৈরি হয়ে উঠছিল বিচ্ছিন্ন চিত্তবৈকল্যবাদী মানুষ হিসেবে। এদেরকেই মানসিক রোগের চিকিৎসা ও আরোগ্যবিধানের আলোকে ভাষাচর্চায় নিয়ে আসা হয়েছিল। মানসিক রোগের ভাষার শ্রেণিকরণ করা হয়েছিল, আর সেভাবেই তাদের ভাষা শেখানো হতো। এটিই ছিল সেই পাগলাগারদের জন্মের সময়কাল যা বিশেষভাবে নির্মাণ করা হয়েছিল মানসিক রোগীদের জন্য।

ফুকো বহুবার এ সিদ্ধান্তকে বাতিল করেছেন। বলেছেন, এই যে মানবিক উত্তরণ, তার কোনো তাত্ত্বিক সমাধান হয় না। এটি কোনো চিকিৎসা-মনোশাস্ত্রীয় প্রচেষ্টা নয়, দেশপ্রেমিকতার অস্বীকৃতিও নয়। এমনকি ওষুধের কোন উন্নত ধরনও এটি নয় যা রোগীর উপকারে আসবে। উজ্জ্বল হয়ে উঠবে নিরাময় আশ্রয়কেন্দ্রগুলোর অন্ধকার কামরা। বরং এর উল্টোটা, অর্থাৎ মানসিক রোগীরা দ্বিতীয় পর্যায়ে বন্দিশিবিরে আটকা পড়তে পারে। এটা আসলে এমন একধরনের ব্যবস্থা যা পাগলদেরকে অন্য সবকিছু থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেয়। বিচ্ছিন্নতার আবার ঘুরে-ফিরে উদয় হয়। নিরাময় আশ্রয়কেন্দ্রগুলোর রোগীদের কথা ভেবেই অবকাঠামো নির্মিত করা হয়েছিল।

এরপর ফুকোকে দেখা গেল ভীষণ ক্ষিপ্ত হয়ে উঠছেন। মানসিক রোগীর চিকিৎসা, এর আরোগ্যবিধান এবং মনোবিশ্লেষকদের চিকিৎসা পদ্ধতির কড়া সমালোচনা করছেন তাঁর বইতে। এখানেই তিনি এমন সব চিন্তা-ভাবনাকে উপস্থাপন করছেন যে ভাবনাগুলোকে উনিশ শতকের চিত্তবৈকল্যের প্রারম্ভিক ইতিহাস বলে আখ্যায়িত করা যায়। সমালোচক হিসেবে অসহিষ্ণুতার পরিচয় দিয়েছেন। ফুকো মানবজাতির বংশানুক্রমিক বিনির্মাণকে সমর্থন করে বলেছেন যে, মানসিক রোগের চিকিৎসা ও আরোগ্যবিধানের ব্যাপারটি ছিল সময়কালহীন। এই কথাগুলো তিনি বলেছেন তাঁর মানবজাতির মনোবিশ্লেষণের বংশানুক্রমিক শাস্ত্রে। এই শাস্ত্রে তিনি আলোচনা করেছেন আধুনিক আত্মা সম্বন্ধে, যা ‘চিত্তবৈকল্যের ইতিহাস’ পেরিয়ে আরও অনেক বেশি উন্নততর অবস্থানে পৌঁছেছিল। ফুকো দেখিয়েছেন, মানসিক রোগের চিকিৎকসার দুজন প্রতিষ্ঠাতা- ফ্রান্সের ফিলিপ পিনেল ও উইলিয়াম ডিউক। মানসিক চিকিৎসার ক্লিনিকাল পরিচর্যা যা ছিল মূলত শারীরিক, নৈতিক বাধ্যবাধকতা দিয়ে তাকে প্রতিস্থাপন করা হয়েছিল। এই প্রক্রিয়ায় সামাজিক রীতি-নীতি-প্রথাকে ‘স্বাধীনতা’য় রূপান্তরিত করা হয়েছে। এই স্বাধীনতা ক্লিনিক-সম্প্রদায়ের  দায়িত্বশীলতার কারণে পতিত মানুষের উপকার সাধন করেছে। পাগলদের শাস্তি ও জরিমানার ব্যাপারটি, ফুকো মনে করেন চেতনারই জাগরণ। এর মধ্য দিয়ে প্রজ্ঞার কাছেই ফিরে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে। বুর্জোয়া সমাজ ব্যবস্থা ও সাধু-সন্ন্যাসীদের পবিত্র তীর্থস্থানও এ ব্যাপারে ভূমিকা পালন করেছে। সেই সঙ্গে বাস্তব মানসিক অবস্থার বিষয়টিও এর সঙ্গে যুক্ত বলে মনে করেছেন ফুকো। বুর্জোয়া সমাজে, তীর্থস্থানে, দরগা ও মাজারে অনেক মানুষ, যাদের আমরা ‘পাগল’ বলি, আশ্রয় নিয়ে তাদের চিত্তবৈকল্যের মানসিক অবস্থাকে মুক্ত রেখে জীবনযাপন করতে পারে। ব্রতসাধনার নামে সুপ্রাচীন কাল থেকেই মানুষ এভাবে বুঁদ হয়ে আছে। এটা আসলে একটি পুরোনো প্রচীন জটিল সমস্যা। পিতৃতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থায় এসব বিষয়গুলোর কদর বেশি। সমাজব্যবস্থাই সর্বশক্তিশালী চিকিৎসককে ঐ তীর্থে, আশ্রয় শিবিরে, মন্দিরে, সাধুর দরগাহ ও মাজারে কাজ করার সুযোগ তৈরি করে দিয়েছিল। আধুনিক-পূর্ব বুর্জোয়া সমাজে ঐ সাধু-সন্ন্যাসীদের ছিল প্রাধান্য। একসময় এরই প্রতিক্রিয়ায় ঐতিহাসিক রাজদ্রোহ দেখা দিয়েছিল। ফুকো ক্ষেপে গিয়ে কড়াভাষায় ফ্রয়েডের বংশ সংক্রান্ত কুল বা বংশানুক্রমিক ধারণাকে আক্রমণ করেছিলেন। ফুকো এর সমালোচনা করেছিলেন এই বলে যে, ফ্রয়েড মনোবিশ্লেষণকে যেভাবে বিচার-বিশ্লেষণ করেছিলেন, তা এমন একধরনের পৌরাণিকতার জন্ম দিয়েছিল যার ভয়াবহতা মানুষের ভাগ্যকে সংকটাপন্ন করে তুলেছিল। ইউরোপীয় বা পাশ্চাত্যের সংস্কৃতি-সভ্যতা ভয়ংকরভাবে কেঁপে উঠেছিল। সফোক্লিসের ‘রাজা অয়দিপাস’ নাটককে কেন্দ্র করে ফ্রয়েড যে ‘ইদিপাস-জটিলতা’র ধারণা দেন, তার উৎস নারী। পিতাকে বাঁচাবার নামে মাতৃত্বকে কলুষিত করে ফেলা হয়। এই ধারণাটি আামাদের মানসিক সুস্থতার জন্য প্রবর্তন করা হলেও এই ধারণায় পিতারই প্রাধান্য। বাবাকে দিয়ে সবার পরিচয় নির্মাণ করা হয়। লেভি স্ত্রাউসও সংস্কৃতির মধ্যে এটা খুঁজে পেয়েছিলেন। এভাবেই সংস্কৃতি শূন্যমাত্রায় পৌঁছেছিল। ফুকোর কাছে মানবজাতির বংশানুক্রমিক ধারণাটি ফ্রয়েড ও লেভি-স্ত্রাউসের মতো ছিল না। তাঁর কাছে মনে হয়েছে, নারী-পুরুষ, স্বামী-স্ত্রী, ছেলে-মেয়ে, এরকম জোড়-সম্পর্ক বলে কিছু নেই। যেমন প্রকৃতি ও সংস্কৃতি জোড় কোনো সম্পর্ক নয়। মানবিক সত্তা মূলত একক সত্তা, যা মনোসত্তার গভীরে নিহিত। এজন্যই ফুকো মানবজাতির বংশানুকমিকতাকে শূন্যমাত্রা নামে আখ্যায়িত করেছেন। ফুকোর মতে, মানুষের এই একক সত্তা সম্পূর্ণ ভিন্ন ধরনের। তবে কোনোভাবেই তা পৌরাণিক কাহিনির মতো নয়, বরং পুরোপুরি আধুনিক নাটকের মতো। মানুষের জীবনের এই আধুনিক নাটকটির কাহিনি হচ্ছে এরকম- পিতা ও ডাক্তারের যুগ্ম সম্পর্কের মধ্য দিয়ে পাগল সুস্থ হয়ে যায়, যেখানে পাগল ডাক্তারকে পিতা বলে মনে করে। অর্থাৎ ডাক্তার পিতার পরিচয়ে মানসিক রোগীকে সুস্থ করে থাকেন। কিন্তু এই জোড়-সম্পর্ক নষ্ট হয়ে গেছে, উদ্ভব ঘটেছে ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যবাদের। মানুষকে পাগল বানিয়েছে।

ফুকো চিত্তবৈকল্যের শিকার আধুনিক সময়কালকে মুক্ত ও স্বাধীন করবার চেষ্টা করেছিলেন, যেখানে মানসিক রোগীরা তাদের পায়ে বেড়ি খুলে ফেলতে পারতো, হতে পারতো মুক্ত ও স্বাধীন। কিন্তু ফ্রডেয়ের সময় এসব ছিল না। ভবিষ্যৎ এবং ভবিষ্যত সময়কালকে আমরা এখনও নির্ধারণ করতে পারছি না, এর সমাপ্তি কোথায় জানি না। তাই প্রজ্ঞাহীনতার আলোচনা সমাধানহীন রয়ে গেছে। এখানে মানুষের জীবন ও পরিবারগুলো অর্ধেক বাস্তব, অর্ধেক কাল্পনিক দ্বন্দ্বে ঢাকা। আধুনিক পৃথিবী যখন জড়িয়ে পড়ে প্রজ্ঞা ও প্রজ্ঞাহীনতার সঙ্গে, তখন তা হয়ে ওঠে বোকাদের স্বর্গরাজ্য। বোকাদের স্বভাব ছিল প্রতিবাদ করা- প্রাতিষ্ঠানিক পরিবারের বিরুদ্ধে এবং ঐতিহাসিক উপসর্গ ও নমুনাগুলোর বিরুদ্ধে।

ফুকোর ‘চিত্তবৈকল্য ও সমাজ’ গ্রন্থটি কেবল যে প্রজ্ঞার প্রতিবাদীচিত্র অঙ্কন করেছে তাই নয়, তিনি প্রকরণবাদীসহ উত্তরপ্রকরণবাদীদের মানস-বিশ্লেষণও করেছেন। যাঁরা প্রজ্ঞার সারিতে ছিলেন তাঁরা স্বীকার করেছেন যে, প্রজ্ঞার সার্বভৌমে প্রজ্ঞাহীনতার মধ্যেই হারিয়ে গেছে। তিনি ভবিষ্যতবাণী করেছিলেন, ফ্রয়েডের দ্বৈত ভূমিকা একদিন অস্বীকৃত হবে। খুব দ্রুতই দেখা গেল, ১৯৬০ সালের দিকে লাকাঁর মাধ্যমে ফ্রয়েডের ধারণা সংশোধিত হলো, আর ফুকো এমন একটি ইশতেহার তৈরি করলেন যা ছিল প্রজ্ঞাহীন জীবনের চিত্রগাঁথা। এর উৎস তিনি খুঁজে পেয়েছিলেন বিভিন্ন কিতাবে, লিখেছিলেন কয়েকটি গ্রন্থ। তিনি যে ধারণা দিয়েছিলেন, তার উৎস খুঁজেছিলেন পাগলগোছের কবি ও দার্শনিকের রচনাবলিতে, যাঁরা তাঁদের আপন শক্তি দিয়ে প্রকট নৈতিক বন্দিদশা থেকে চিত্তবৈকল্যের শিকার মানুষকে বাইরে নিয়ে এসেছিলেন। তাদের মুক্ত করেছিলেন। এই ধারণাকেই পিনেল ও ডিউক চিত্তবৈকল্যদের ‘মুক্তি’ নামে অভিহিত করেছিলেন।

[চলবে]

ফেসবুকের মাধ্যমে মন্তব্য করুন

লেখাগুলো সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করুনঃ

Comment(1)

LEAVE YOUR COMMENT

Your email address will not be published. Required fields are marked *

hijal
Close