Home অনুবাদ জর্জ সন্ডার্স > বারদোতে লিঙ্কন >> উপন্যাস >>> রাজিয়া সুলতানা অনূদিত

জর্জ সন্ডার্স > বারদোতে লিঙ্কন >> উপন্যাস >>> রাজিয়া সুলতানা অনূদিত

প্রকাশঃ October 20, 2017

জর্জ সন্ডার্স > বারদোতে লিঙ্কন >> উপন্যাস >>> রাজিয়া সুলতানা অনূদিত
0
0

জর্জ সন্ডার্স > বারদোতে লিঙ্কন >> উপন্যাস >>> রাজিয়া সুলতানা অনূদিত

[সম্পাদকীয় নোট : ২০১৭ সালে Man Booker Prize পাওয়া জর্জ সন্ডার্সের লেখা Lincoln in Bardo উপন্যাসের প্রথম পরিচ্ছেদের অংশবিশেষ তীরন্দাজের পাঠকদের জন্য প্রকাশ করা হলো।]

আমাদের বিয়ের দিন আমার বয়স ছিল ছেচল্লিশ বছর। আর ওর ছিল আঠারো। আমি জানি তোমরা কী ভাবছো- লোকটা বয়স্ক, ওর শরীরটা নিশ্চয়ই হালকা-পাতলা গড়নের হবেনা, টাকলুও হতে পারে, হতে পারে এক পা খোঁড়া। পাথরের দাঁতও থাকতে পারে দু’একটা। বিয়ের অধিকার খাটিয়ে বেচারি মেয়েটাকে আমি বিরক্ত করে ছেড়েছি, যন্ত্রণার মধ্যেও ফেলেছি হয়তো। ঠিক আছে, এরকমই তো ভাবছো?

আসলে সবটাই ভুল। আমি এরকম করতেই পারিনি। বুঝলে?

তাহলে শোনো, আমি বিয়ের রাতে মদ খেয়েছি, নেচেছি। ওতেই আমার চোখ লাল হয়ে গেল। টলতে টলতে সিঁড়ি ভেঙে ওপরে উঠে দেখি আমার স্ত্রী স্বচ্ছ পাতলা একটা নাইট গাউন পরে আছে। ওর খালা ওকে এটা জোর করে পরিয়ে দিয়েছিল। আমাকে দেখে সিল্কের গলাবন্ধ সেই পোশাকেও সে থরথর করে কাঁপছে। অবস্থা যখন এমন, আমি মন থেকে এগুবার সায় পেলাম না। বাসর রাতে কিছুই হলো না আমাদের।

আমি নরম সুরে ওকে ‘জা-আ-ন’ বলে ডেকে বললাম, তুমি অনেক সুন্দর আর আমি হলাম বুড়া-হাবড়া, কুচ্ছিত। আমার শরীর ব্যবহারে ব্যবহারে ক্ষয়ে গেছে। আমাদের এই ম্যাচিংটা ঠিক হয়নি। আসলে ভালোবাসা বা প্রেমট্রেম কিছু নয়, ওর বাবা বৃদ্ধ হয়ে গেছে, আর মা অসুস্থ- বিয়েটা তাই হতে পেরেছে। আমি ভালো করেই জানি ওই কারণেই আজ ও এখানে। আমি যে ওকে ছুঁয়ে দেখবো, স্বপ্নেও ভাবতে পারছিলাম না। ও ভয় পেয়েছে দেখে জিজ্ঞেস করলাম, “আমাকে পছন্দ হয়নি?” ও আমাকে আশ্বস্ত করে বলল মোটেও না। লক্ষ্য করলাম, মিথ্যে বলতে গিয়ে ওর মুখটা কেমন বিকৃত, ফ্যাকাশে আর লাল দেখাচ্ছে।

বললাম, আমরা তো বন্ধুও হতে পারি, নাকি? বাইরে সবার সামনে এমন ভাব করবো যেন আমরা দারুণ এক সুখী দম্পতি। আরও বললাম, আমাদের বাড়িতে ও নিশ্চিন্তে নিজের মতো করে থাকতে পারবে। যেভাবে ইচ্ছে সেভাবে। ওর কাছে এর বেশি কিছু আমার চাওয়ার নেই।

যেভাবে চাইলাম, সেভাবেই সবকিছু হতে থাকলো। আমরা  একে অপরের বন্ধু হয়ে গেলাম। প্রিয়বন্ধু। এর বেশি কিছু না। তাতেই যেন অনেক কিছু পেয়ে গেলাম। আমরা একসঙ্গে হাসি, দু’জন মিলে একসঙ্গে বুঝেশুনে সাংসারিক সিদ্ধান্তগুলো নিই। শুধু বাড়ির চাকরবাকরদের সঙ্গে আমার তাচ্ছিল্যপূর্ণ আচার-আচরণ ওর পছন্দ নয়। আমি যেন ওদের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করি, সে ব্যাপারে আমাকে পরামর্শ দিলো।

ওর দেখার চোখ দারুণ! সবদিকে গভীর খেয়াল। প্রথমে যে হিসেব করা হয়েছিলো, সেই তুলনায় অনেক কম খরচে ও ঘরবাড়ি মেরামত করালো। এটা ছিল ওর একটা বিরাট সাফল্য। এদিকে আমি যখন কাজ সেরে বাড়ি ফিরি, খেয়াল করে দেখি, ওর মুখ উজ্জ্বল হয়ে উঠেছে। আমার গায়ে শরীর ঠেকিয়ে ঠেস দিয়ে সংসারের অনেককিছু নিয়ে কথা বলে। বাড়ির চারপাশের উন্মুক্ত জায়গায় অনেক কাজ করাচ্ছে ও। সবকিছু এতো সুন্দর করে তুলেছে যে বলে বোঝাতে পারবো না।

আমি আগের চে’ এখন অনেক বেশি সুখী। মাঝে মাঝে প্রার্থনার মতো স্বতঃস্ফূর্তভাবে নিজে-নিজেই আওড়াতে থাকি- এখন ও এখানে। হ্যাঁ, এখন ও আমার, আমার কাছেই থেকে গেল।

মনে হলো যেন চিরপ্রবাহের পথ খুঁজে পেয়ে তীব্রবেগে প্রবাহিত একটা নদী আমার বাড়ির ভেতর জুড়ে বয়ে চলেছে। জলের সতেজ ঘ্রাণ, প্রাণপ্রাচুর্য্য, নৈসর্গিক আবহে দমবন্ধ হয়ে আসা উত্তেজনায় চারিদিকটা ব্যাপ্ত, প্রশস্ত।

এক সন্ধায় আমরা বন্ধুদের সঙ্গে ডিনারে বসেছি। কাউকে উস্কে দিতে হলো না। ওদের সামনেই স্বতঃস্ফূর্তভাবে ও আমার প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়ে উঠলো। বলল, বড় ভালো মানুষ আমি- বুদ্ধিমান, চিন্তাশীল আর দয়ালু। ওর চোখে চোখ পড়তেই দেখে নিলাম, একদম মন থেকে কথাগুলি বলছে। কারু চোখ তো আর মিথ্যে বলে না।

পরদিন দেখি ও আমার ডেস্কের ওপরে একটা চিরকুট রেখে গেছে। লাজুক প্রকৃতির বলে মুখে যা বলতে পারেনি তাই চিরকুটে লিখেছে। ওর প্রতি আমার নম্র দয়ালু স্বভাব নাকি ওকে অনেক প্রভাবিত করেছে। মনটাকে পাল্টে দিয়েছে। যতটা আশা করেছিল, তার চে’ অনেক বেশি পেয়েছে ও আমার কাছ থেকে। তাই এখন ভীষণ সুখী। আমাদের বাড়িটা ওর কাছে আপন মনে হচ্ছে। আরও লিখেছে, “কেন  আমাদের সুখের সীমানাটার বাঁধ ভেঙে দাও না তুমি, আমরা তো একান্তে অন্তরঙ্গ হতে পারি। আমি তো এখনও তোমার কাছে অপরিচিত, আগন্তুকের মতো রয়ে গেছি- আমাকে কেন তুমি কাছে টেনে নাওনা?” শেষে অনুরোধ করেছে, যেভাবে আমি ওকে “সাবালিকা করে তোলার জন্য নানান কাণ্ড করেছি”, ওকে গাইড করেছি, সেইভাবে যেন নারী-পুরুষের সম্পর্কটা বুঝতে ওকে সাহায্য করি। পথ দেখাই।

চিরকুটটা পড়ে রাতের খাবার খেতে গিয়ে দেখি ওর চোখেমুখে আনন্দের আভা, দীপ্তিমান, উজ্জ্বল। চাকরবাকরদের সামনে কোনো সংকোচ নেই, ভ্রূক্ষেপ নেই- আমরা একে অন্যের দিকে মুগ্ধ দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকলাম। মনে তখন অপার আনন্দের ঢেউ। ভাবছিলাম, আমাদের শুরুটা যেভাবে হয়েছিলো, এখন আর তেমনটা নেই- আমরা সেই সময়টা বেশ ভালোভাবেই পেরিয়ে এসেছি।

সেই রাতে আমি যখন ওর বিছানায় যাই, নিজের ব্যাপারে আমি বেশ সতর্ক ছিলাম। আমি যেন আমার মতোই আচরণ করি- নম্র, ভদ্র, শ্রদ্ধাপূর্ণ. স্বতন্ত্র। আমরা বেশিদূর এগোইনি, শুধু চুমু খেয়েছিলাম। একে অন্যকে জড়িয়ে ধরে থেকেছি। তবু ভাবতে পারো, এই মত্ততায় ডুবে যেতে পারলে কী ঐশ্বর্যই না এসে ধরা দেয় আমাদের কাছে! আমাদের উভয়েরই মিলনাঙ্ক্ষার তীব্র বাসনা হয়েছিল; অবশ্য এর কারণও ছিল। আমরা তো ধীরে ধীরে একে অন্যের বিশ্বাস অর্জন করেছি।  সেই বিশ্বাসকে ঘিরে আমাদের মধ্যে অখণ্ড, নিরবচ্ছিন্ন, সত্যিকার একটা অনুভূতি তৈরি হয়েছে।  আমি তো অনভিজ্ঞ কেউ নই। তরুণ বয়সে কি আমি এরই জন্যে উন্মাদ ছিলাম না! বলতে লজ্জা হচ্ছে, তবু বলি, সেই বয়সে আমি মার্বেল অ্যালে, ব্যান্ড-বক্স, আর ভয়ংকর নোংরা উলফস ডেনের মতো অনেক কিছু করে আনন্দ-ফুর্তিতে প্রচুর সময় কাটিয়েছি। বিয়ের পিঁড়িতেও বসেছিলাম একবার। সুখ এসে ধরাও দিয়েছিল। কিন্তু আজকের এই অনুভূতি একেবারে অন্যরকম। এই তীব্রতা, এই আমেজ সেদিন ছিল না। এই অনুভূতিটা একেবারেই নতুন।

মুখে কেউ কিছু বলিনি। কিন্তু আমরা বুঝে নিয়েছিলাম পরের রাতে আমরা এই ‘নতুন মহাদেশে’ আবার অনুসন্ধান চালাবো। আবিষ্কার করবো একে অন্যকে। পরদিন সকালে আমি এই প্রচণ্ড মহাকর্ষীয় টান উপেক্ষা করে ছাপাখানার অফিসে চলে যাই। এতদিন পারিনি বলেই বাড়িতে ছিলাম।

সেদিন যা ঘটলো তা সত্যি দুঃখজনক। হায়রে কড়িকাঠ! ইসস! একেই বলে ভাগ্য।

ডেস্কের কাছে আমি বসে আছি। এমন সময় ঘরের উঁচু ছাদ থেকে কড়িকাঠটা ভেঙে পড়লো, আঘাত করলো ঠিক এই জায়গায়। এইখানটায়। এখন আমি সেরে না-ওঠা পর্যন্ত আমাদের ভাবনা কী আর একইরকম থাকতে পারবে? ডাক্তারের পরামর্শে অনেকটা সিকবক্সের মতো করে তৈরি করা কাঠের বিছানায় শুতে শুরু করলাম, তাতে যদি ঈশ্বরের কৃপা হয়।

……….

এতোক্ষণ, এই কথাগুলো বলছিলেন হ্যান্স ভলম্যান।

নিশ্চয়ই তার ফল আপনি পাবেন, রজার বেভিন্স বললেন।

ঠিক। নিশ্চয়ই কাজ হবে। ধন্যবাদ বন্ধু,- উত্তরে বললেন হ্যান্স ভলম্যান।

আপনার কথায় খুশি লাগছে- প্রত্যুত্তরে বললেন রজার বেভিন্স।

আমি সরাইখানার সেই কক্ষে বোকার মতো সিকবক্সে শুয়ে থাকি। এই সেই সরাইখানার ঘর যেখানে আনন্দ ও অপরাধবোধ নিয়ে আমি ওর পাণিগ্রহণ করেছিলাম। আর এই পথেই সম্প্রতি আমি ওর শোয়ার ঘরে গেছি। ডাক্তার ফিরে এলে তার সহকারীরা আমার সিকবক্স ওর রোগী বহনকারী গাড়ি- সিককার্টে তুলে দিলে- আমার আর বুঝতে বাকি রইল যে অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য আমাদের পরিকল্পনা থেমে গেল। কী যে নৈরাশ্য। সিকবক্সে শুয়ে শুয়ে ভাবছি- কবে, কখন সেই দিনটি আসবে যখন আমি ‘ম্যারেজ-বেডে’র পরিপূর্ণ আনন্দটুকু নিতে পারবো। কখন আমি ওর নগ্ন দেহবল্লরী দেখতে পাবো। যখন ও আমার দিকে একটা মোহনীয় ভঙ্গিতে নিজেকে মেলে ধরবে; ওর থাকবে খিদে, চিবুক থাকবে আরক্তিম, কেশদাম আলুলায়িত- ছড়িয়ে পড়বে আমাদের চারপাশে। কখন, কবে আসবে সেই দিন?

আমি সেরে না-ওঠা পর্যন্ত তা আর হচ্ছে না। বিরক্তিকর একটা অবস্থা- হ্যান্স ভলম্যান বললেন।

তবুও তো সব জিনিষ একখান থেকে অন্যখানে সরিয়ে নেয়া যেতে পারে- রজার বেভিন্স বললেন।

আসলেও তাই।

স্বীকার করছি, সেই সময় আমার মানসিক অবস্থা খুব খারাপ ছিল। সিককার্টে তখনও আমাকে বাঁধা হয়নি। আমি দ্রুত আমার সিকবক্স ছেড়ে উঠে আসতে পারতাম- কিছু ধুলো না হয় উড়তো, বারান্দায় ফুলদানিটা ভাঙতো, হয়তো-বা যেখানে ডাক্তার আর আমার স্ত্রী আমাকে নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ কথাবার্তা বলছে সেখানেই ঘটতো এসব। আমি কঠোর সব নিয়মকানুন মানতে না চাইলেও পারতাম, হাত-পা ছোঁড়াছুঁড়ি করে একটু মেজাজও দেখাতে পারতাম। কুকুরগুলো তখন হঠাৎ হয়তো চিৎকার করে উঠতো, চলে যেতো পাশ দিয়ে, আর ওদের মাথায় ভল্লুকের স্বপ্ন ঢুকিয়ে দিতে পারতাম। তখন এর সবই আমি পারতাম। এখন যেমন আমাদের নীরব তরুণ ডাক্তার বন্ধুকে ডিনারে নিয়ে যেতে পারছি না, তেমনি পারছি না কুকুরগুলোর মধ্যে ভল্লুকের স্বপ্ন সঞ্চারিত করতে!

(ওকে সত্যিই দেখতে তরুণ লাগে, লাগে না? মিস্টার বেভিন্স? তার অবয়ব, চালচলন, দেহভঙ্গি দেখে তো তাই মনে হয়, হয় না?)

যাই হোক, আমি আমার সিকবক্সে ফিরে এলাম, ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদলাম অনেকক্ষণ। তুমি কি জানো, তরুণ ডাক্তার বন্ধু আমার- এই হাসপাতালের সামনে এসে প্রথম যখন পৌঁছুলাম, একেবারে নতুন আমি। হে তরুণ ডাক্তার, জানো, আমার তখন কাঁদতে ইচ্ছে করছিল! এই যা হয় আর কি।  সামান্য দুশ্চিন্তা। হাড়ের গাঁটগুলোতে তখন সামান্য বিষক্রিয়াজনিত ব্যথা। আর এরকম অবস্থাতেই তো আমাদের ভেতরের ছোট ছোট জিনিসগুলো ফেটে যেতে থাকে। এমন হয় যে, উম্, আমরা সামান্য হাগুও করে ফেলি। তখন আমার ঠিক এমনটাই হয়েছিল। আমি সেদিনের কথা বলছি যেদিন আমি সিককার্টে উঠি। ওই দিন আমি রেগে গিয়ে সিকবক্সে সামান্য হাগু করে ফেলেছিলাম। কিন্তু তার ফলাফল কী হয়েছিল? সারাক্ষণ সেই হাগু আমাকে প্যান্টে বয়ে বেড়াতে হলো। তরুণ ডাক্তার, আশা করি তুমি এই ব্যাপারটা অন্য চোখে দেখবে না, অর্থাৎ ভাববে না যে আমি অভদ্র, বেয়াদব। তুমি আমাকে এড়িয়ে যাবে না। আমাদের মধ্যে ধীরে ধীরে জন্ম নিচ্ছে যে বন্ধুতা, তা নষ্ট হতে দেবে না।

আমার হাগু এখনও ওখানে রয়েছে, মানে নীচে, ওইখানে, এইমুহূর্তে, সিকবক্সে। আলবৎ, তার অনেকটাই হয়তো শুকিয়ে গেছে।

হায় হায় এ-কী বলছেন! আপনি কী একটা দুগ্ধপোষ্য শিশু নাকি?

উনিই তো, উনি নন? হ্যান্স ভলম্যান বললেন।

আমারও তাই মনে হয়। তুমি বললে বলে মনে হলো।

ওই যে, তরুণ ডাক্তার আসছে।

এখন তাকে একজন পুরোদস্তুর ডাক্তারের মতো লাগছে- রজার বেভিন্স বললেন।

হায় ঈশ্বর, আমাকে ক্ষমা করো। সিকবক্সে বন্দী একটা বাচ্চা-শিশু- কিন্তু ঠিক প্রাপ্তবয়স্ক একজন মানুষ- তার কাছ থেকে শুনতে হবে শুকনা হাগুর কথা! সিকবক্সে সেটা কীভাবে আছে- নাহ, এভাবে কেন? হায়, একজন নতুন ডাক্তারের জন্য এটা কেমন অভিজ্ঞতা হলো! এভাবেই যদি শুরু হয় তার দিন, না না।

একটা ছেলে। একজন কিশোর। এখনও বড় হচ্ছে।

আমাকে ক্ষমা করো ঈশ্বর, ক্ষমা চাইছি বারবার। ক্ষমা করো আমাকে।

হ্যান্স ভলম্যান বললেন।

অনুবাদকের টীকা

সিকবক্স : যেখানে অসুস্থ রোগীকে শুইয়ে বা বসিয়ে হাসপাতালে নেয়া হয়।

সিককার্ট : একটা গাড়ি যেটি রোগীসহ বা রোগী ছাড়াই সিকবক্স বহন করে।

 

 

 

 

 

 

ফেসবুকের মাধ্যমে মন্তব্য করুন

লেখাগুলো সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করুনঃ

LEAVE YOUR COMMENT

Your email address will not be published. Required fields are marked *

hijal
Close