Home অনুবাদ জুয়েল মাজহার > অবগুণ্ঠিতা বিবিজান এবং POETICS OF GREEN DELTA শীর্ষক অনুবাদ সংকলন প্রসঙ্গে

জুয়েল মাজহার > অবগুণ্ঠিতা বিবিজান এবং POETICS OF GREEN DELTA শীর্ষক অনুবাদ সংকলন প্রসঙ্গে

প্রকাশঃ August 7, 2017

জুয়েল মাজহার > অবগুণ্ঠিতা বিবিজান এবং POETICS OF GREEN DELTA শীর্ষক অনুবাদ সংকলন প্রসঙ্গে
0
1

অবগুণ্ঠিতা বিবিজান এবং POETICS OF GREEN DELTA শীর্ষক অনুবাদ সংকলন প্রসঙ্গে

[ক] সাহিত্যে নোবেল পুরস্কারজয়ী অক্তাবিও পাস একবার তাঁর কবিতার ইংরেজি অনুবাদক এলিয়ট ওয়াইনবার্গারকে বলেছিলেন : “My poetry is good in Spanish…in English they are divine.”

[খ] অনুবাদকে উচ্চাসন দিতে বোর্হেস এমন কৌতূহলোদ্দীপক কথাও বলতে ছাড়েননি : “The original is unfaithful to the translation.”

ওপরের এই গৌড়চন্দ্রিকাটুকু দেয়ার উদ্দেশ্য কিন্তু অনুবাদকে এর প্রাপ্যের বেশি কিছু দেয়া নয়; বরং যোগ্যতর অনুবাদকের হাতে মূলের সৌন্দর্যও যে ঠিক্‌রে বেরোতে পারে অন্য ভাষায়, সেটাই সবিনয়ে বলতে চাওয়া। আর আমি বোর্হেসের উপর্যুক্ত বক্তব্যটি না মানলেও তার করা অন্য একটি বক্তব্যকে খুব আমলে নিই: ‘Translation is not only possible but also essential to the understanding of literature…’

দুনিয়ার শত ভাষার মধ্যে আমরা কয়টাই বা জানি বা জানা সম্ভব? কিন্তু এতো-এতো ভাষায় যে এতো-এতো মণিরত্ন ছড়ানো, সেসবের সঙ্গে যোগসূত্র ঘটিয়ে দেবার কাজটি অনুবাদ ছাড়া আর কিভাবে করা সম্ভব? আজ দুনিয়ার সব ভাষা নিজেদের তুলে ধরছে বিশ্বসভামাঝে। আন্তর্জাতিক ভাষা হিসেবে ইংরেজি সে কাজটি করছে। ইংরেজির বদৌলতে প্রায় সব ভাষার দ্যুতিই ছড়িয়ে পড়ছে আজ সবখানে- ধরণীর সর্বপ্রান্ততীরে। কিন্তু জগতে একটি ভাষাই কেবল ব্যতিক্রম। বোধকরি সে ভাষাটির নাম বাংলাভাষা।

নানা মণিরত্ন জমা হয়েছে বাংলাভাষার বিপুলায়তন মহাফেজখানায়। সেসবের দ্যুতিতে দুনিয়া আলোকিত-উদ্ভাসিত হতে পারে। কিন্তু কোনো এক অদৃশ্য কারণে বাদবাকি জগতকে বেগানা পুরুষ গণ্য করে নিজের মুখখানিকে দেখাবার ব্যাপারে বাংলাভাষা বড়ই শরমিন্দা- অবগুণ্ঠিতার মতো। নেকাবে-হিজাবে সে নিজেকে ঢেকে রেখেছে আগাপাশতলা। যেন-বা দুনিয়ার সবার চোখ থেকে নিজেকে আড়াল করতে পারলেই সে বাঁচে। সে যেন কোনো এক জিহাদি- জঙ্গবাদী, লোহিতলোচন, ক্রূর, ভয়ালকুটিল, সালাফিস্ট মোল্লার সুন্দরী বিবিজানটি। লোকে তার মুখখানি দেখতে পেলেই যেন তার দর্শনলাঞ্ছনা ঘটে যাবে!

বহুকাল আগে ইংরেজিতে নিজেকে মেলে ধরবার কাজটি করেছিলেন একা মাইকেল। এক্ষেত্রে তিনিই প্রথম সূত্রধর। অন্যভাষার ভেতর দিয়ে তিনিই প্রথম নিজের সৃজন-পালটি উড়িয়েছিলেন সপ্তসিন্ধুদশদিগন্তের পানে। তবে ঐতিহাসিক কারণেই সময় তার পক্ষে ছিল না। নইলে তাকেও পৃথিবী জানতো অন্যভাবে। যাক সেকথা!

মাইকেলের পর বাংলায় লেখা নিজের সাহিত্যকর্মকে ইংরেজিতে অনুবাদ করে বিশ্বসভায় তুলে ধরার প্রয়াস পান রবীন্দ্রনাথ। এরপর জোরেসোরে আটঘাট বেঁধে বাংলাভাষার সাহিত্যকে ইংরেজিতে অনুবাদ করে তা যথাক্ষেত্রে প্রকাশের তেমন কোনো উদ্যোগ আর নেওয়া হয়নি। যা হয়েছে সেসবের প্রায় সব দেশেরই ভেতরে। বিদেশ থেকে প্রকাশিত হয়নি তেমন। অর্থাৎ বিদেশিদের না পড়িয়ে নিজেদের লেখা আমরা নিজেরাই পড়ছি বিদেশি ভাষায়। তাতেই বগল বাজাচ্ছি!

রবীন্দ্রনাথের মধ্য দিয়ে বাংলা কবিতার যে অবগুণ্ঠনমুক্তি, তা-ও ছিল ক্ষণিকের। রবীন্দ্রনাথের পর বাংলাভাষার মোহন তরণীখানি আর কেউ তেমন করে ভেড়াতে সচেষ্ট হননি আন্তর্জাতিকতার বন্দরে। আজ অব্দি ভাঙেনি সে অচলায়তন। বাংলাভাষা তার নিজেরই ঘাটে নিজেকে শক্ত কাছি (রশি) দিয়ে বেঁধে রাখলো। তার গান-কাকলি-স্বর নিজের কান ছাড়া আর কোথাও পৌঁছাচ্ছেও না। আসলে সে নিজেই চাইছে না পৌঁছাক।

অথচ এ-ভাষায় কতো কতো দিকপাল কতো-কতো স্বর্ণশস্য ফলিয়ে গেছেন শতবর্ষধরে । আজো যাচ্ছেন। কিন্তু সে শস্যভাণ্ডারের দ্যুতি ও গরিমা, সুষমা ও পুষ্টি, সৌরভ ও ব্যঞ্জনা পৌঁছাচ্ছে না দিগন্তের ওপারে। বিদেশের অনেক সিংহনাদের পাশে অনেক ছাগস্বরও অনূদিত হয়ে আমাদের কাছ বরাবর আসে। অথচ আমাদের রথী মহারথীরাও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে রয়ে যান অগোচর, অশ্রুত। আমরা বিদেশের কতো হেজিপেজি কবির ইংরেজিতে অনূদিত কবিতা পড়ে পোনামাছের মতো নবধারাজলে আনন্দে লাফাই। অথচ আমাদের বাংলাভাষার জীবনানন্দ দাশের মতো, সুধীন্দ্রনাথ দত্তের মতো, শামসুর, আল মাহমুদ, শক্তি, উৎপল,বিনয়, সৈয়দ হক, আজিজুল হক, কাদরী, সিকদার, বীতশোক, জয়, মৃদুল, সুব্রত, রণজিৎদের কণ্ঠস্বর পৌঁছায় না বৃহৎ বাংলার পরিমণ্ডলের বাইরে অন্যভাষী বিশ্বের কোথাও। কারণ একটাই—বাংলার (উভয় বা সর্ববাংলা) সাহিত্যকে অন্য ভাষায়, বিশেষত ইংরেজিতে, অনুবাদ করে গ্লোব্যাল পাঠকদের কাছে পৌঁছানো হয় না।

বাংলা যেন আত্মমুগ্ধ অলস এক দৈত্য, যে কিনা মাসে ছ’মাসে একবার আড়মোড়া ভাঙে। অনুবাদের মতো ‘ফালতু কামে’ তার সময় কোথায়! অতএব নিজের গুহায় বা কুয়ার ভেতরে বসে সে হাই তোলে আর নাক ডেকে ঘুমিয়ে কাটায় ছয় মাস। বাকি ছয় মাস সে প্রজননকাজে—সাহিত্যকর্মও তার বাইরে নয়- মাতে। কিন্তু তার পুত্র-কন্যাদের মুখ দূর গাঁয়ের লোকদের তো দূরের কথা, সামান্য দূরের ভিনভাষী প্রতিবেশীদেরও দেখায় না। হয়তো সে ভাবে, এসব (নিজেকে তুলে ধরার কাজ, এখানে যাকে আমরা বলছি ‘অনুবাদ’) … ফেলানোর কাজ । ওসবের দরকার নেই।

বাঙালি কাজে না হলেও কথায় হাতি মারতে ওস্তাদ। আর কেউ যখন কাজে নামে তখন, তাতে বাগড়া না দিলে, কাজের লোকটিকে ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ না করলেও তার ভাত হজম হয় না। বাঙালিকে রবীন্দ্রনাথ হাড়ে-হাড়ে, রগে-রগে চিনেছিলেন। নইলে কি আর ঠাকুরের ব্যাটা এমন খেদোক্তি করতেন:

‘‘আমরা আরম্ভ করি, শেষ করি না; আড়ম্বর করি, কাজ করি না; যাহা অনুষ্ঠান করি তাহা বিশ্বাস করি না; যাহা বিশ্বাস করি তাহা পালন করি না; ভূরিপরিমাণ বাক্যরচনা করিতে পারি, তিলপরিমাণ আত্মত্যাগ করিতে পারি না; আমরা অহংকার দেখাইয়া পরিতৃপ্ত থাকি, যোগ্যতালাভের চেষ্টা করি না; আমরা সকল কাজেই পরের প্রত্যাশা করি, অথচ পরের ত্রুটি লইয়া আকাশ বিদীর্ণ করিতে থাকি; পরের অনুকরণে আমাদের গর্ব, পরের অনুগ্রহে আমাদের সম্মান, পরের চক্ষে ধূলিনিক্ষেপ করিয়া আমাদের পলিটিকস্‌, এবং নিজের বাক্‌চাতুর্যে নিজের প্রতি ভক্তিবিহ্বল হইয়া উঠাই আমাদের জীবনের প্রধান উদ্দেশ্য। এই দুর্বল, ক্ষুদ্র, হৃদয়হীন, কর্মহীন, দাম্ভিক, তার্কিক জাতির প্রতি বিদ্যাসাগরের এক সুগভীর ধিক্‌কার ছিল। কারণ, তিনি সর্ববিষয়েই ইহাদের বিপরীত ছিলেন।’’

২.

এতোকিছুর মধ্যেও মাঝেমাঝে কিছু তরঙ্গ ওঠে তারুণ্যের। কিছু দোলা আসে। কিছু ধাক্কা টের পাওয়া যায়। তেমনই একটি ধাক্কা টের পাওয়া যাচ্ছে গত কিছুদিন ধরে। বাংলাদেশের গোটাকয় তরুণ নেমেছে এক দুরূহ কর্মে। বাংলাদেশের কবিতাকে ইংরেজিতে অনুবাদ করবার কাজ, তারপর তা বাংলাদেশ বা ভারত থেকে নয়, বরং ইংল্যান্ড থেকে প্রকাশ করার কাজে।

দুরূহ এই কাজটির মূল পৌরহিত্য যিনি করছেন তার নামটি নাঈম ফিরোজ। বয়সে তিনি তরুণ। কমনওয়েলথ স্কলারশিপের সুবাদে তিনি পড়তে গেছেন সেখানে। অথচ নিজের জাগতিক উন্নতির বিবেচনাকে গৌণ করে মূখ্য করে তুলেছেন বাংলা কবিতাকে ইংরেজিতে অনুবাদ করার কাজকে। বই আকারে সেই কাজকে ইংল্যান্ডের মাটিতে প্রকাশ করার দৌড়ঝাঁপেই কাটছে তার সারা বেলা। মানুষকে জিনে-ভূতে ধরলে যেমন হয় আর কি! নাঈমকেও- এবং তার বন্ধুদেরও- নিশ্চয় ভূতে ধরেছে! নইলে নিজের আখের গোছানোর ফন্দি-মত্ত অপরাপর মানুষের অনুসৃত বাঁধা ছকে না হেঁটে কেনইবা এভাবে ‘নিজের খেয়ে বনের মোষ তাড়ানো’!

 

নাঈম ও তার অনুবাদ-সতীর্থরা ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে জানিয়েছেন : ‘‘এ আমাদের মূল যুক্তি ও শক্তি একুশ শতকে বেঁচে থাকা কবিতা ও তার সচল কবিও, এইগুলা ২০০০-১৭ তে লিখা হইতে হবে তা কিন্তু না, আগে লিখা কাজের সুরভি এখনো পাই কিনা এইটাই বিবেচ্য। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পরিকল্পনা, করণ-বাস্তবায়ন ও প্রকাশিতব্য বাংলাদেশের প্রথম এন্থলজি হচ্ছে POETICS OF GREEN DELTA, শুধু বাংলাদেশের-ই, বা বাংলাদেশের যারা প্রবাসী কবি এবং কবিতা লেখেন তাদেরও…।’’

তাদের ভাষ্য থেকে আরও জানা গেল ‘‘ঐতিহাসিকভাবে কাজটা রিস্কি হইলেও এঞ্জিনে ফুয়েল আছে ম্যালা, এঞ্জয় করতাসি, অনেকে জান দিতাসে মৌলিক কাজকর্ম ফালাইয়া আপনারে নিয়া রাইত উজাগর করতে, যোগ্যতাসম্পন্ন একটা টিম পাইছিলাম খোদ খোদার দানে, অনুবাদে দানবীয় বড় পরিসর এর পয়লা কাজ, সারকথা এই! পুরানা সারকথাটা যথাবিহিত ঠিকাছে-“গুরুত্বপূর্ণ কাউকে বাদ দেবার গুরুত্বহীন স্পর্ধা আমরা দেখাতে চাইনা।”

দিনকয় আগে (০৩ আগস্ট, ২০১৭) পড়লাম কবি কামরুল ইসলামের এ নিয়ে একটা পোস্ট। তাতে তিনি জানাচ্ছেন :

‘‘নাঈম ফিরোজ কমনওয়েলথ স্কলারশিপ নিয়ে ইংল্যান্ডে পড়াশুনা করছেন । নওরীণ কাঁকন নাঈম ফিরোজের সহধর্মিণী এবং দু’জনই সিনিয়র এসিস্ট্যান্ট জাজ এবং কবি। দুজনেই ভালো কবিতা লিখেন এবং দু’জনই ভালো অনুবাদকও বটে। আমি নাঈম ফিরোজের কিছু কবিতা পড়েছি এবং দেখেছি যে সে কবিতায় নিজস্ব স্বর তৈরির চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন এবং এই কবিকে নিয়ে আমি আশাবাদী। নাঈমের বাংলা থেকে ইংরেজিতে অনুবাদও আমাকে মুগ্ধ করেছে। তার ইংরেজি ভাষায় দখল বেশ ঈর্ষণীয়। মোসাব্বির আহে আলীও এই অনুবাদ কাজে পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। কবিতার প্রতি এদের এই ভালোবাসা বাংলা কবিতার জন্য একটি ইতিবাচক দিক। এরকম মেধাবীদের ওপরই বাংলা কবিতার ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে। ইংল্যান্ড থেকে এরা Anthology21 প্রকাশের উদ্যোগ নিয়েছে। বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ কোনো কবিকেই তারা বাদ দিতে চান না। কেবল কবিতার প্রতি ভালোবাসা থেকে এবং বাংলা কবিতাকে ইংরেজিতে অনুবাদের মাধ্যমে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে দেবার লক্ষ্যে এই কাজটি তারা খুব কষ্ট করেই চালিয়ে যাচ্ছেন। রাতদিন পরিশ্রম করে তারা যেমন অনুবাদের কাজ করছেন, তেমনি বাংলাদেশের কবিদেরও বার বার তাগাদা দিচ্ছেন কবিতা কিংবা কবিতা বিষয়ক প্রবন্ধ দিয়ে সহযোগিতার জন্য। যারা সাড়া দিচ্ছেন না তাদের কবিতাও খুঁজে নিয়ে তারা অনুবাদ করছেন। নাঈম ফিরোজ, নওরীণ কাঁকন, মোসাব্বির আহে আলী, ডাল্টন সৌভাত হীরা, এহসান হায়দার,নাহিদ ধ্রুব এবং বরুণ কুমার বিশ্বাস এই project-এর সাথে সম্পৃক্ত আছেন। এই মেধাবী তরুণ কবিদের ওপর আমরা ভরসা রাখতে পারি…।’’

আমিও আস্থা রাখতে চাই। কাজটা যেন ভালোয় ভালোয় শেষ হয়, সুচারু হয়, বন্ধুকৃত্যর বাইরে গিয়ে সাহিত্য-বিবেচনা ও রুচিকে প্রাধান্য দিয়ে হয়। এজন্য নাঈমদের দরকার আরো অনেকের সহায়তা। এমন একটি কাজ দেশের বাইরে থেকে করা, সুচারুভাবে করা খুবই কঠিন যদি না সংশ্লিষ্ট অনেকের আন্তরিক সহযোগিতা মেলে।

নাঈমের সঙ্গে চাক্ষুষ পরিচয় আমার নেই। আমাকে তিনি ফোন করে সহায়তা চেয়েছেন, আমার মত-দ্বিমত জানতে চেয়েছেন অকপটে। আমিও তাকে বলেছি অকপটে: কাজটি যেন ভালো হয়, বাংলাদেশে যারা ভালো লিখছেন তাদের সবাইকে নিয়ে হয়। এমনকি ‘ব্যক্তিগত সম্পর্ক ভালো নয় অথচ লেখেন ভালো’ এমন ক্ষেত্রে লেখার মানই যেনো হয় কবি ও কবিতা নির্বাচনের মূল শর্ত।

নাঈমও সেটাই চাইছেন। তার এই চাওয়াটাকে আমি অভিনন্দিত করছি। আমার পক্ষে যতটুকু সম্ভব আমি থাকবো উদ্যোগটির সঙ্গে। দেখা দেখা যাক, শিব গড়তে গিয়ে কতটুকু শিব আর কতটুকু বাঁদর আমরা গড়ি। সে পর্যন্ত অপেক্ষা।

শেষ পর্যন্ত আন্তরিক আর সাধ্যমতো নিরপেক্ষ থাকা গেলে ‘‘POETICS OF GREEN DELTA’’ নামের বাংলাদেশি কবিদের কবিতার এই অনুবাদ-সংকলনটি কিছুটা হলেও আন্তর্জাতিক পাঠকদের বাংলাদেশের কবিতার ব্যাপারে আগ্রহী করে তুলবে। এমনটা আশা করতেই পারি আমরা।

জয় হোক বাংলা কবিতার।

জয় হোক বাংলাদেশের কবিতার।

#

জুয়েল মাজহার : কবি ও অনুবাদক।

ঢাকা, ০৩ আগস্ট, ২০১৭

 

ফেসবুকের মাধ্যমে মন্তব্য করুন

লেখাগুলো সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করুনঃ

Comment(1)

  1. নিরন্তর শুভকামনা ওদের জন্যে।
    /বিদেশের অনেক সিংহনাদের পাশে অনেক ছাগস্বরও অনূদিত হয়ে আমাদের কাছ বরাবর আসে। /
    এখানে পুরোপুরি একমত জুয়েল ভাইয়ের সাথে।

LEAVE YOUR COMMENT

Your email address will not be published. Required fields are marked *

hijal
Close