Home কবিতা নাহিদ ধ্রুব / ১০টি নতুন কবিতা ও কবিতাভাবনা এবং পাঠ-প্রতিক্রিয়া
1

নাহিদ ধ্রুব / ১০টি নতুন কবিতা ও কবিতাভাবনা এবং পাঠ-প্রতিক্রিয়া

প্রকাশঃ December 18, 2016

নাহিদ ধ্রুব / ১০টি নতুন কবিতা ও কবিতাভাবনা এবং পাঠ-প্রতিক্রিয়া
0
1

নাহিদ ধ্রুব / ১০টি নতুন কবিতা

মানচিত্র

একটি মিচকে হাত উল্কি এঁকে দিচ্ছে বুকে। একটি বিধবা রাজহাঁসের সাথে সাঁতার কাটতে গিয়ে প্রথম রঙ চিনেছিলাম। মানুষের কীটদুষ্ট ক্ষমতায় সন্দিগ্ধ শেয়ালের কেটে গিয়েছিলো লেজ। ঘোরগ্রস্ত চাঁদের হাটে আমি প্রথম দেখেছিলাম যুদ্ধ যুদ্ধ উৎসব। সময়ের মৃত্যু হবে জেনেও মা আমার নাম রেখেছিলো মৃত্যুঞ্জয়। অথচ ফুলবাগানে খেলতে গিয়ে যেদিন পায়ে প্রথম কাঁটা বিঁধলো, মা সেদিন খুব বকে বলল, ফুল মানেই সুন্দর নয়। আমি সেদিন চিনেছিলাম কাঁটাতার। খুব শৈশবে একটি মিচকে হাত বুকে উল্কি একে দিচ্ছিলো, আমার ব্যথা হচ্ছিলো খুব।

 

ম্যাজিশিয়ান

ম্যাজিক শিখতে গিয়ে জানলাম

মানুষের বিস্মিত হওয়ার ক্ষমতা

ম্যাজিককে বাঁচিয়ে রেখেছে!

 

ঈশ্বর ও মানুষ

ঈশ্বর ‘ক’ বলে চুপ করে গেলেন। যিনি খুব কাছ থেকে শুনলেন তিনিও বললেন ‘ক’। ঈশ্বরাদেশ পালনে কথাটি ছড়িয়ে দিলেন একশ জনের মাঝে। ঈশ্বরধীন শেষ মানুষটির কাছে জানতে চাইলো ঈশ্বরবাদ, তখন সেটা হ-জ-ব-র-ল।

 

থিয়োরি অফ পিস

অথচ আমার ঘুমিয়ে থাকার কথা! আমি কখনো হাঙরকে মানুষ খেতে দেখি নি। তবুও সে যন্ত্রণা মুচড়ে দলে পিষে ভর্ৎসনা দিচ্ছে আমাকে। যেন আমার পিছনে উসাইন বোল্টের মতো বিদ্যুৎ বেগে দৌড়ে আসছে পাগলা কুকুর। আমি ছাদ থেকে পড়ে যাচ্ছি মহাশূন্যে। যে শালিককে শিখিয়েছিলাম ভাষা সে আমার চোখে ঠোকর দিচ্ছে। আমি দেখতে পাচ্ছি না। শুনছি, ট্র্যাফিকনগরে নিঃস্ব ভিখারির গান, আমি অন্ধ, আমাকে সাহায্য করুন! ঘুমের মধ্যে নির্ঘুম ঘুমন্ত ঘোরে পৃথিবীসমান প্রত্যাশার হাওয়াই মিঠাই মুখে দেখি, ফাঁপা কাঠির মতো ক্লান্ত স্লিপিং ট্যাবে কোন প্রাপ্তির ঘুম নেই।

একটি ছিপছিপে ব্যাঙ বৃষ্টি মাথায় তাকিয়ে আছে। হাতে ছাতা নিয়ে যে ভাঙা মাস্তুল ভিজে যাচ্ছে সে মূলত নাবিক। নিশিগন্ধা যে গন্ধধূপ জ্বেলেছিলো রাত্র্যন্ধ শোনেনি তার গান! কাদালেপটা সাপ শিকারিপাখি, গর্তে ইঁদুরের জাল। বসন্তরোগের বৃষ্টি পরিবেশ উন্মাতাল। ইকো সিস্টেম ভেঙে আসুন রাত্রি জাগি। বাদুড়চোষা মেঘ-নাকডাকা রাত্রিতে কি ঘুমিয়ে থাকা যায়?

হ্যামিলনের বাঁশিওয়ালা র‌্যাশনাল ছিলো। ফ্রয়েড ছিলো ব্যর্থ প্রেমিক। হিমালয়ের মতো গলে যাচ্ছে আইসক্রিম ইন্টারভালে আঁকুন প্রেমিকার মুখ! বধিরকে নিয়ে আসুন টিনচাল ঘরে গাইবে রবীন্দ্র সংগীত!

পৃথিবীর প্রতিটি বৃষ্টি নস্টালজিক! এমন ভাবতে ভাবতে ফুটবল খেলুন। সর্দিকাশি জ্বর হোক হৃদয়ের অ্যান্টিবায়োটিক। লজিক হোক রূপকথা বাস্তব ইতিহাস। এমন বিশুদ্ধ বৃষ্টিপাতে মানুষ হোক হৃদয়ের দাস! যারা ঘুমন্ত তাদের ডেকে তুলুন – আজ ফজরের ওয়াক্তে এক কাতারে বৃষ্টিতে ভিজতে চাই…

 

পরিব্রাজক

সুড়ঙ্গ খুঁড়তে খুঁড়তে আমার ইচ্ছে হলো হিমালয়ে চড়ার। হিমালয়ে তুষার চিতার সাথে কাবাডি খেলার পর ইচ্ছে হলো ডুব দেই অ্যাটলান্টিকে। তিমির বুকে বেড়ে ওঠা একটি দ্বীপে কাটিয়ে দেই ফসলি মৌসুম। ইচ্ছে হলো পেঙ্গুইনের সাথে হাঁটতে হাঁটতে হারিয়ে যেতে আমাজনে। একটি সবুজ প্রচ্ছদে একে দেই উতুঙ্গু মার্বেল ফুল। কিন্তু , হঠাৎ ঘুম ভেঙে দেখি আমার ভাঙা পাঁচিল আর মাস্তুলে জংধরা তরবারি। ঈশ্বর, আমি কেন ভাস্কো-দা-গামার ব্যাগ হলাম না?

 

অভিশাপ  

প্রতিটি নাটকীয় রাত হামাগুড়ি দিয়ে ভেঙে দিচ্ছে বিছানা

কর্পূরের গন্ধ এতো তীব্র পুরুষের চিটচিটে গন্ধ নাকে লাগে না

লজ্জা নিথর ক্রুশবিদ্ধ নিয়তি কৃষ্ণের অধিক কালো

প্রত্নদম্পতি পশুর নিঃশ্বাস ঠোঁটে  লণ্ঠন আগুন জ্বালো

পতিতার জরায়ু মুখে লেগে আছে অভিশাপ নাচের প্রশাখা

পতিতার জন্মের কোন ইতিহাস নেই , মৃত্যু গোপনীয়তা ।

 

অবিক্রিত

প্রথম কোপটি এসে লাগলো জঠরে

ঋণাত্মক আবহে

আমি দেখলাম আমার বুক বরাবর

পরদেশি নদী এখনও গজিয়ে ওঠে নি

দ্বিতীয় কোপটি লাগলো ঊরুতে

বুঝলাম দৃশ্যমান জোঁকের কবলে

আমি এখনও ধাতুর ব্যবহার শিখিনি

তৃতীয় কোপটি কপালে ঠিক মাঝখানে

এঁকে দিলো তৃতীয় নয়ন

নির্ভেজাল দু চোখে ছানি পড়েনি

এরপর ক্রমাগত চতুর্থ, পঞ্চম, ষষ্ঠ

কিংবা তারও অধিক কোপ দিয়ে

আমাকে ফড়ফড় করে ছিঁড়লো

হৃদপিণ্ডে যখন বর্শা ঢুকাতে গেলো

তখন বললাম, প্রিয় রাষ্ট্র

আমি এখনও বিক্রি হয়ে যাইনি।

 

মানুষ

একটি ভগ্ন-হৃদয় নিয়ে যাত্রা শুরু করেছিলাম

বন্ধুহীন পথ চলার পিপাসা নিয়ে অলস ভঙ্গিতে

চিৎপাত হয়ে শুয়ে ছিলাম নক্ষত্রের নীচে

কিন্তু হঠাৎ একদিন একটি নিম-পেঁচার সাথে

উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় শেষে আমি জানলাম

আমি মানুষ, যে একাকীত্বকে পূজা করে

জানাজায় কতো মানুষ হবে ভাবতে ভাবতে

মরে যায় একটি পরিপূর্ণ ভগ্ন-হৃদয় নিয়ে…

 

হ্যালুসিনেসন

মানসিক ডাক্তারের কাছে গেলাম। ডাক্তার সব শুনে বললেন আপনি সুস্থ কিন্তু পর্যাপ্ত ঘুম দরকার। লিখে দিলেন ঘুমের প্রেসক্রিপশন। দায়মুক্তির আশায় আমি মগজের ভাঁজ খুলে দিলাম। বিছানায় শুয়ে নিরানব্বই থেকে শূন্যতে আসতে আসতে অংক ভুলে গেলাম। আমার তখন পিথাগোরাস কে ভয় হচ্ছে, মনে হচ্ছে নিউটনের মাথায় যে আপেলটি জন্মেছিলো তা থেকেই তৈরি হয়েছে হেমলক। তারপর, আমি নিজেকে সক্রেটিস ভেবে ঔষধ খেলাম। যখন জেগে উঠলাম দেখি নারসিসাস শুয়ে আছে রোগীর বিছানায় আর আমি ডাক্তার।

 

ঈশ্বরত্ব

ফাঁসিমঞ্চে আসামীর চোখে জল্লাদই ঈশ্বর।

 

ইচ্ছে

আমি কখনো কবিতা লিখতে চাইনি ঈশ্বর

আমি হতে চেয়েছিলাম সাংসারিক মানুষ

প্রতিচ্ছায়ে আকাশের ঘ্রাণ নিয়ে

ঘোলা পানিতে করতাম মাছ শিকার

আমার স্ত্রী সে মাছ ভেজে নিতো গরম তেলে

কাটা বেছে তুলে দিতাম মেয়ের মুখে

আর খাবার শেষে হাতে মাছের গন্ধ নিয়ে

অবসরে করতাম কাঁচা মাংসের চিন্তা

অথচ,

একটি বইয়ের মধ্যে কবর হয়েছে আমার

নাকে কর্পূরের গন্ধ , সংসার জ্বলন্ত চিতা।

 

অক্ষম

আমি একজন প্রলেতারিয়েতকে জিজ্ঞেস করলাম

এখন মৃত্যুর রেট কতো? কবর কি বুকিং দিতে হয়?

সে বুকে ছাতি খুলে দেখালো কাফনের কাপড় ভিক্ষা

চাইলে ঠিক বুক বরাবর লাথি খেতে হয়।

ব্যাপারটা এমন আপনি ব্রোথেলে গিয়ে পতিতাকে

জিজ্ঞেস করছেন যৌনতা উপভোগ করার উপায়।

নিজেকে অক্ষম ভেবে যে আত্মহত্যা করলো

মৃত্যুর পর জানা গেলো বস্তুত সে-ই সক্ষম

ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যে র নামে গর্দভের মগজধোলাই

গণবিচ্ছিন্ন পৃথিবীতে মানুষ গানিতিক আলোড়ন।

 

নাহিদ ধ্রুব / কবিতাভাবনা

সহজাত স্বীকারোক্তি গুণে আদরণীয় বক্তব্য আমার কাছে কবিতা। কবিতা আমার কাছে একটা মাধ্যম, অষ্টাদশী প্রেমিকা যাকে কেন্দ্র করে আমি অনায়াসে আমার ভাষার বৃত্ত আঁকতে পারি। মাথার মধ্যে এলোপাথাড়ি একগাদা বুলেট যখন উম্মাতাল হয়ে ওঠে তখন বন্দুকের নল কপালে ঠেকিয়ে আমি ট্রিগারে চাপ দেই , যতদিন এই আত্মহনন উপভোগ্য রবে ততদিন লিখে যাবো। কোন এক সাহসী বন্ধুর জন্য , হারানো প্রেমিকার জন্য কিংবা রাষ্ট্রের জন্য – কবিতা হোক সবার।

 

আশরাফ জুয়েল / পাঠ-প্রতিক্রিয়া

কবিতা কি? নাহ, সদুত্তর নেই; থাকা উচিৎ নয়। নাকি সমাজসত্তার খণ্ডাতিখণ্ড কণাকে নিয়ে অতীত বর্তমান ভবিষ্যতকে সমন্বয় করে ঐতিহ্য এবং অনিষ্টের পুনর্নির্মাণ? ধ্রুব’র কবিতার কথা থাক- পাণ্ডুর এবং রুগ্ন শাহরিক জীবনে প্রেম এক মর্মন্তুদ ঝাড়বাতি, আর! প্রুফ্রক? কে পালিয়ে যায়নি জীবন থেকে- ইয়েটস, এজরা পাউণ্ড, এলিয়ট, জীবনানন্দ? ভার বেড়ে যাচ্ছে?

নাহিদ ধ্রুব; ব্যক্তিগত আলাপে বিশ্বাসী নই আমি, অন্তত কবিতার সংসারে, দূরেই থাক, দৃষ্টির গোচরে কিন্তু না-ছোঁয়া দূরত্বে, তাতে কবিকে বুঝে উঠতে টলটলে অনুভূতির আশ্রয় নিলেই চলে।  দশটা কবিতাই তো, ভাবছেন? কিভাবে সম্ভব? পড়ি তো, নিয়মিতই। শব্দ তো ডিনামাইট! শব্দ মিয়োসিস পদ্ধতিতে বিস্তার লাভ করে- তাহলে আসুন, ধ্রুব’র কবিতায় প্রবেশ করা যাক- ফাঁসিমঞ্চে আসামীর চোখে জল্লাদই ঈশ্বর’ (ঈশ্বরত্ব)। না, আমি তো আপনাকে একমত হতে বলিনি, আমি নিজেও একমত হতে পারিনি- কিন্তু কবিতা তো মতের মিল-অমিলের ধার ধারে না, বরং এই পাঁচ শব্দের কবিতা পাঁচ লক্ষ্য শব্দের আলোচনা দাবি করে; আমি-আপনি মানলে, অথবা না মানলেও।

ইমপ্রেশনিস্ট, না- তাদের তো নমুনার প্রয়োজন হয়, প্রকৃত কবিদের সেটার প্রয়োজন পড়ে না, পড়ে না বলেই কবিতার নির্দিষ্ট কোন অর্থ খুঁজতে নেই, খোঁজা উচিৎ নয়- ভেবে নিন না, আপনার মতো করে- যদি একটি নিঃসঙ্গ ল্যাম্পপোস্টের ছায়াকে আপনি সহিস ভাবেন, তবে ভাবুন! আমি না হয় ভাবলাম অন্ধকারের গুঞ্জন। আপনার মস্তিষ্কের নিউরন সংখ্যা আমার চেয়ে বেশি হতেই পারে। কবির মস্তিষ্কের নিউরন সংখ্যা হয়তো লুপ্তপ্রায় নাশপাতির গন্ধের মতো।

নাহিদ ‘থিওরি অব পিস’ নিয়ে হাজির হয়েছেন- আপনি যদি একজন দণ্ডায়মান পাঠক হন, তবে ‘থিওরি অব পিস’-এর সাথে মিলিয়ে নিতে পারেন অগাস্টান কবিদের, সঙ্গে নিতে পারেন সুধীন্দ্রনাথকেও। ‘Poetry Of Suggestion’ তো অকালবৃদ্ধ! তো নাহিদ ধ্রুব কী এপিক কবি? এটি একটি সুনিশ্চিত বক্তব্য যে, একটি সুলিখিত কবিতায় উত্তম গদ্যের গুণাবলি অবশ্যই থাকা প্রয়োজন! এসব আমার কথা নয়, এলিয়টের। নাহিদের কবিতা ‘Poetry of Statement’ নিয়ে আপনার সম্মুখে উপস্থিত, গ্রহণ বা বর্জন সম্পূর্ণ আপনার ইচ্ছাধীন।

নাহিদ তো তার লেখাকে কোথাও কবিতা বলে দাবি করেননি, শব্দকে তিনি গোলা বানান নি, আপনার দিকে ছুঁড়েও মারেন নি, বরং মিহি সুতোকে সূচের ফুটোতে সুদক্ষ নিপুণতায় প্রবেশ করিয়েছেন। শব্দকে ঢুকিয়েছেন কবিতার ভেতরমহলে।

‘পো-কো’ (Po-Co) বা পোস্ট কনটেম্পোরারি কবিতার ধারণায় যা ভাবা হয়ে থাকে তা হলো, সৌন্দর্য-বোধবিশিষ্ট দার্শনিক নন্দনতত্ত্বের উপর ভিত্তি করে লেখা ভাব-গদ্য। এ ধরণের কবিতার ধারণা প্রথম হাজির করেন ইতালিয়ান কবি প্রিমো লেভি, কিন্তু জনসমক্ষে এই ধারণা সর্বপ্রথম নিয়ে আসেন ইরানীয় কবি আব্বাস গারীব ও বাহরাম সিরদেল।

বর্তমানে বাংলাদেশে পোস্ট কনটেম্পোরারি কবিতা হরহামেশায় লেখা হচ্ছে- প্রয়োজন সঠিক সনাক্তকরণ।

নাহিদের কবিতা হয়তো আমাদের ভাবনার পা দুটোকে সেদিকেই হাঁটতে বাধ্য করছে। মানচিত্র’র ম্যাজসিয়ান ঈশ্বর ও মানুষকে ‘থিওরি অব পিস’-এর অভিশাপে অবিকৃত পরিব্রাজক হবার ভেতর দিয়ে মানুষকে হ্যালুসিনেশন নামক ঈশ্বরত্বের অক্ষম ইচ্ছায় তাড়িত করছে ধ্রুবর কবিতা।

যারা আমার এই পাঠ-প্রতিক্রিয়া পড়লেন তাতের উদ্দেশ্য বলি এই ছোট্ট লেখাটার একটা শিরোনাম আছে – ‘পোস্ট-কনটেম্পোরারি কবিতার আত্মানুসন্ধানী কবি নাহিদ ধ্রুব’।

ধ্রুবকে অভিনন্দন, সেই সঙ্গে তীরন্দাজকে – এরকম ভালো কিছু কবিতা উপহার দেওয়ার জন্য। ওর কবিতা আরও পড়তে চাই।

 

 

ফেসবুকের মাধ্যমে মন্তব্য করুন

লেখাগুলো সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করুনঃ

Comment(1)

  1. আজ আমার প্রথম পরিচয় নাহিদ ধ্রুবর কবিতার সাথে।ঈশ্বরত্বের জল্লাদ আর ঈশ্বরবাদের হযবরল জেনে আমিতো স্তব্ধ। নিমপেঁচার সাথে বাক্যবিনিময় কিংবা ছিপছিপে ব্যাঙ এর কথা ভাবতেই আমার ভাল লাগছে।পরিব্রাজক পড়ে তো তক্ষুণি পৃথিবী ভ্রমণের অনুভুতি হলো।আমি খুবই সাদামাটা এক পাঠক,খুঁটিনাটি বিচারের ক্ষমতা আমার নেই।তবে ম্যাজিসিয়ান পড়ে নাহিদ ধ্রুবকে আমার যাদুকরই মনে হচ্ছে।আর এমন উজ্জ্বল এক ধ্রুবতারাকে উপস্থাপনের জন্য তীরন্দাজকে সাধুবাদ।
    আশরাফ জুয়েলের সুন্দর বিশ্লেষনকে আর একটি কবিতা মনে হয়েছে।

LEAVE YOUR COMMENT

Your email address will not be published. Required fields are marked *

hijal
Close