Home যুক্তি তক্ক গপ্প পাঁচ কবির আড্ডা [পর্ব ৪] / ‘…একজন কবি যদি দার্শনিক অর্থে না দাঁড়ান তাহলে তাকে ভালো কবি বলা যাবে না’

পাঁচ কবির আড্ডা [পর্ব ৪] / ‘…একজন কবি যদি দার্শনিক অর্থে না দাঁড়ান তাহলে তাকে ভালো কবি বলা যাবে না’

প্রকাশঃ February 5, 2017

পাঁচ কবির আড্ডা [পর্ব ৪] / ‘…একজন কবি যদি দার্শনিক অর্থে না দাঁড়ান তাহলে তাকে ভালো কবি বলা যাবে না’
0
0

পর্ব ৪

[সম্পাদকীয় নোট : আড্ডা। বাঙালির চিন্তাশক্তি ও সৃজনশীলতাকে নানাভাবে সমৃদ্ধ করেছে। ‘এইসময়ের সাহিত্যচর্চা’ নিয়ে কথা বলার জন্যে কিছু দিন আগে এরকমই একটা আড্ডায় কবি জাহিদ হায়দারকে ঘিরে মেতে উঠেছিলেন কবি মাসুদুজ্জামান, ফরিদ কবির, সাখা্ওয়াত টিপু অরবিন্দ চক্রবর্তী। সেই আড্ডায় উপস্থিত কবিদের আলাপচারিতায় উঠে এসেছিল সমকালীন সাহিত্যচর্চার নানান প্রসঙ্গ। তুমুল তর্ক-বিতর্কে মেতে উঠেছিলেন তারা। আজ প্রকাশিত হলো ওই আড্ডার চতুর্থ পর্ব। উল্লেখ্য, আড্ডাবাজ কবিরা ওই আড্ডায় যা বলেছেন তা তাদের নিজস্ব মত, তীরন্দাজের নয়।]

“কবিতা আগে হয়ে উঠবে তার পরে দর্শন। অর্থাৎ কবিতা হয়ে উঠবার পর সেই কবিতা আমাকে কতটা ভাবাতে পারছে, সেটা কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ। তা না হলে সাধারণভাবে যেসব কথা বলি তার সঙ্গে কবিতার আর কী পার্থক্য থাকলো?” – মাসুদুজ্জামান

“প্রিয় নারীকে চুম্বন দেওয়ার সময় আপনি সঙ্গ এবং নিঃসঙ্গ – দুই-ই বোধ করতে পারেন। মিলান কুন্ডেরার একটা উপন্যাসে আছে- যৌনমিলনের তুঙ্গতম অবস্থায় মৃত্যুর কথা স্মরণ করছে নায়ক। সাধারণত এরকম সময়ে মৃত্যুর কথা চিন্তা করলে ওই অনুভূতিটাই চলে যাবে। কবিতা এরকম হলে তো হবে না।” – জাহিদ হায়দার

“সত্যিকার অর্থে সেই কবিতাই তো উত্তম, যে কবিতা আমাকে ভাবাবে। ওই শব্দ, বাক্য বা পঙক্তি আমাকে আরেকটা জায়গায় নিয়ে যাবে, আমাকে ভাবাবে। প্রথমে তো কবিতা হয়ে উঠতে হবে।”  ফরিদ কবির

সাখাওয়াত টিপু : আপনি কর্মটা বিচার করেন টাইম ফ্রেম দিয়ে। জাহিদ ভাই যে রবীন্দ্রবিরোধী একটা কথা বললেন, যেখানে রবীন্দ্রনাথকে আধুনিক বলা হচ্ছে। অথচ রবীন্দ্রনাথের ফিলোসফি তো হবস্ থেকে আসা। সভ্যতার সংকটের মধ্যে নানা ধরনের বিষয় দেখবেন। বার্কলের কথা আছে। এই চিন্তাটি কিন্তু তিনি শেষজীবনে এসে অনুধাবন করেছেন। কিন্তু উনি এদের দর্শনের দ্বারা প্রভাবিত ছিলেন প্রথম থেকেই। ফলে উনি শুরু থেকেই আধুনিক। কিন্তু প্রশ্নটা হচ্ছে, রবীন্দ্রনাথের যে নন্দনতাত্ত্বিক চিন্তা, বুদ্ধদেব বসুরা যখন লেখেন এই চিন্তাগুলো আধুনিক তরুণদের জন্য নয়, তার সাত দিনের মাথায় রবীন্দ্রনাথ তার সম্পাদিত বইটি বুদ্ধিবাজার থেকে তুলে নিতে বাধ্য হন। এখন ধরেন, আপনারা যে কবিতা লিখছেন সত্তর দশকে এসে, শুধু শব্দের যে চিৎকার তা নেই। ষাটের যে বুদ্ধিবৃত্তিক চেহারা পাওয়া যায়, সত্তরের কবিতায় ঐ চেহারাটা নাই।

জাহিদ হায়দার : সত্তরে যারা লিখতে এসেছেন, ধরুন আপনি বনভূমিতে গেলে আপনাকে বুঝতে হবে, এটা কি জঙ্গল, না বনভূমি, না অরণ্য? আপনি যদি পূর্ব থেকে ভেবে রাখা কোনো ধারণা নিয়ে ঢোকেন, তাহলে সমস্যা হবে। একটা উদাহরণ দিই। ধরুন, একজন হুমায়ূন আহমেদ প্রচুর লিখেছেন। কিন্তু ধরা যাক তার চারটি বই খুব মানসম্মত। কিন্তু প্রচুর দুর্বল লেখার ফলে সবার চোখে তার মানসম্মত লেখা ঢাকা পড়ে যাবে। কবিতা তো অনেকে লেখা শুরু করে, কিন্তু শেষ পর্যন্ত লিখছেন কয়জন। যারা ভালো লিখেছেন অথবা মুটামুটি লিখেছেন, সেগুলি নিয়ে কিন্তু কথা হয় না, যতসব আবর্জনা নিয়ে কথা হয়। আবর্জনাগুলি অনেক বেশি হয়ে যাওয়ায়, ভালোগুলি ঢাকা পড়ে যাচ্ছে। একজন সিকদার আমিনুল হক, একজন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, একজন সুধীন্দ্রনাথ দত্ত…এরাই তো উল্লিখিত হবেন।

অরবিন্দ চক্রবর্তী : আবিদ আজাদের কবিতা আপনারা জোর দিয়ে বলতে পারেন।

জাহিদ হায়দার : আবিদ আজাদের কবিতা আমার ভালো লাগেনি। আবিদ আজাদ যে বর্ণনামূলক কবিতা লিখেছেন, সেগুলো একবারের বেশি পড়া যায় না। আমি মনে করি, আবিদ আজাদের কবিতা খুব একটা কবিতা না। কিন্তু কবিতাতে কবিতা থাকতে হবে।

অরবিন্দ চক্রবর্তী : কিন্তু ধরুন উনার একটা কবিতা আছে, ‘যে শহরে আমি নেই…’ পুরো সত্তরের দশকে কি এরকম একটা কবিতা আছে?

সাখাওয়াত টিপু : এটা হচ্ছে শহীদ কাদরী থেকে আসা জিনিস।

মাসুদুজ্জামান : এগুলো কিন্তু ষাটের কবিদের কাছ থেকেই নেয়া। এই উচ্চারণের মধ্যে কিন্তু কোনো নতুনত্বও নেই। এর মধ্যে যে লিরিক ছিল, এই লিরিসিজম ছাড়া আর কিছু কিছু উপমা তৈরি করার একটা ঝোঁক ছাড়া কিছু নাই। উপমাগুলোও কিন্তু মিষ্টি মিষ্টি উপমা। এগুলো কিন্তু দার্শনিক না। আমার মনে হয়, দার্শনিক অর্থে তার কবিতা দাঁড়ায়নি। একজন কবি যদি দার্শনিক অর্থে না দাঁড়ান তাহলে তাকে ভালো কবি বলা যাবে না।

ফরিদ কবির : একজন কবির কাছ থেকে আমরা কী চাই? দর্শন না কবিতা?

মাসুদুজ্জামান : আমি কিন্তু পুরোপুরি দর্শন বলি নাই। কবিতা আগে হয়ে উঠবে তার পরে দর্শন। অর্থাৎ কবিতা হয়ে উঠবার পর সেই কবিতা আমাকে কতটা ভাবাতে পারছে, সেটা কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ। তা না হলে সাধারণভাবে যেসব কথা বলি তার সঙ্গে কবিতার আর কী পার্থক্য থাকলো?

জাহিদ হায়দার : ফিলোসফিকে ফিলোসফাইজ যদি ঠিকমতো না করতে পারা যায় – টু বি অর নট টু বি – কোশ্চেন লেখা সম্ভব না। আই মাস্ট বি ক্রুয়েল অনলি টু বি কাইন্ড। হ্যামলেট তার মাকে বলছে। কবিতায় দর্শন, দর্শনে কবিতা। সুধীন্দ্রনাথ দত্ত যখন বলছেন, সবকিছু নিয়েই তো আধুনিক কবিতা লেখা যায়। রবীন্দ্রনাথ বললেন, মোরগ নিয়ে কবিতা লেখো তো, সুধীন্দ্রনাত ৩/৪ দিনের মধ্যেই কুক্কুট নামে কবিতা লিখে ফেললেন। রবীন্দ্রনাথ পড়ার পর বললেন, ঠিক আছে। কবিতায় দর্শন, দর্শনে কবিতা। একটু আগে বললাম- ‘ফুল ফুটুক আর না ফুটুক আজ বসন্ত’।

মাসুদুজ্জামান : শক্তি চট্টোপাধ্যায়ের কবিতাই ধরা যাক, “ফুটপাথ বদল হয় মধ্যরাতে / বাড়ি ফেরার সময় / বাড়ির ভিতর বাড়ি / পায়ের ভিতর পা / বুকের ভিতরে বুক / আর কিছু নয়…”- এই কবিতা তো চূড়ান্তভাবে দার্শনিক, আবার কবিতাও। শুধু দার্শনিক প্রবচন হলে তো তা কবিতা হবে না, দর্শনই থেকে যাবে!

জাহিদ হায়দার : “পা থেকে মাথা পর্যন্ত টলমল করে, দেয়ালে দেয়াল কার্নিশে কার্নিশ, ফুটপাত বদল হয় মধ্যরাতে…।” অথবা “এই মাতুয়াইল রা্ইত”- আমাদের শামসুর রাহমানের। একেবারে স্বাভাবিকভাবে বলে যাচ্ছেন কবি, কিন্তু একজন কবির ক্ষরণ আছে এখানে। প্রেমের ক্ষরণ আছে, না পাওয়ার ক্ষরণ আছে।

মাসুদুজ্জামান : এটাই তো দর্শন, কবিতায় যতটুকু আসতে পারে।

জাহিদ হায়দার : ঠিক, এটাই তো দর্শন।

সাখাওয়াত টিপু : কিন্তু এটা সবসময় দর্শন হবে না, জাহিদ ভাই। সবার মধ্যেই তো জীবনবোধ আছে। সে ক্ষুধা লাগলে তিন বেলা খেতে পারে, তার যুক্তি আছে, তার বাঁচার দরকার আছে। এটাকে আমরা দর্শন বলব কিনা?

জাহিদ হায়দার : যেমন শ্রবণ-রুচি, গ্রহণ-রুচি, বচন-রুচি, কথন-রুচি- এই রুচির ভিতরে থেকে আপনি আপনাকে কিভাবে দেবেন? মার্কসীয় দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে দেখা যাবে, কতগুলো দ্বন্দ্বের ভিতর দিয়ে এসে আপনি বলবেন, ‘আমি এখানে অবস্থান করছি।’ যেমন- বব মার্লে মৃত্যুর আগে বলছেন তার ছেলেকে, টাকা দিয়ে জীবন কেনা যায় না। এই কথাটির দার্শনিক দিক আমি পাঁচ ঘণ্টা ধরে ব্যাখ্যা করতে পারি। কিন্তু একথা শোনার সাথে সাথে আপনার চিন্তা, চেতনায়, মানসে কতগুলো প্রশ্ন জাগে না? রবীন্দ্রনাথ লিখেছেন- হিয়ার মাঝে লুকিয়ে ছিলে দেখতে আমি পাইনি তোমায়, দেখতে আমি পাইনি। অনেক পরে নির্মলেন্দু গুণ লিখছেন- এইখানে এলে মনে হয় তুমি সবচেয়ে বেশি নেই। অর্থ কিন্তু এক। কিন্তু এই দুই জায়গায় দুই রকম দর্শন আপনি বলতে পারেন। দর্শনকে আপনি কিভাবে দেখছেন, কিভাবে গ্রহণ করছেন, কিভাবে ত্যাগ করছেন? সম্ভবত আলেকজান্ডার বলছেন- আমি আপনার জন্য কী করতে পারি? উত্তরে বলা হয়েছে- তুমি সরে যেতে পারো, আমি রোদটা চাই। এর পরে বিশাল ব্যাখ্যা। কবিতা পড়বার পরে আপনি কখনো কখনো প্রচণ্ড নিঃসঙ্গ বোধ করবেন। বিশ্বের সবগুলি শিল্প একসঙ্গে গেলে আপনি একই সঙ্গে নিঃসঙ্গ বোধ করবেন। এই প্রশ্নটি যদি আপনাকে করেন, নিঃসঙ্গ বোধ করবেন। প্রিয় নারীকে চুম্বন দেওয়ার সময় আপনি সঙ্গ এবং নিঃসঙ্গ – দুই-ই বোধ করতে পারেন। মিলান কুন্ডেরার একটা উপন্যাসে আছে- যৌনমিলনের তুঙ্গতম অবস্থায় মৃত্যুর কথা স্মরণ করছে নায়ক। সাধারণত এরকম সময়ে মৃত্যুর কথা চিন্তা করলে ওই অনুভূতিটাই চলে যাবে। কবিতা এরকম হলে তো হবে না। আবার ‘অর্থহীনতার উৎসব’ উপন্যাসে পৃষ্ঠার পর পৃষ্ঠা পড়ে দেখবেন, প্যারিতে একটা ছেলে একটা মেয়ের নাভি দেখে ভাবছে- নাভিই তো মূল- মায়ের মূল…। তবে একটি লাইন পড়েই আসল বিষয়বস্তু ঠাহর করা যায় না। ভালো কবিতাও এরকমই। যেমন- সই কেমনে ধরিব হিয়া / আমার বঁধুয়া আন বাড়ি যায় আমারি আঙিনা দিয়া। এটা প্রেমের কবিতা, নিঃসঙ্গতার কবিতা এবং বিচ্ছিন্নতার কবিতা হিসাবে পড়তে হয়…দর্শন ব্যাপারটা কি, আপনি দেখবেন…

ফরিদ কবির : খুবই ভালো জবাব দিয়েছেন। সত্যিকার অর্থে সেই কবিতাই তো উত্তম, যে কবিতা আমাকে ভাবাবে। ওই শব্দ, বাক্য বা পঙক্তি আমাকে আরেকটা জায়গায় নিয়ে যাবে, আমাকে ভাবাবে। প্রথমে তো কবিতা হয়ে উঠতে হবে।

জাহিদ হায়দার : আমি আরেকটু যোগ করি। মনে করেন, পলিটিক্যাল কবিতা। বুদ্ধদেব বসু চিঠি লিখেছিলেন শামসুর রাহমানকে, সেটা গণসাহিত্যে ছাপা হয়েছিল বুদ্ধদেবের মৃত্যুর পরে। লিখেছিলেন- “তুমি সমকালীন উত্তেজিত রাজনৈতিক বিষয় নিয়ে খুব ভালো লেখো। কিন্তু মনে রাখবে- এই কালটা উত্তীর্ণ হয়ে গেলে ওই কবিতা সেভাবে পড়া হবে কিনা ভেবে দেখো।” মায়াকোভস্কির বিখ্যাত কবিতা হচ্ছে ‘লেনিন’। যখন পড়েছেন মস্কোতে, আড়াই লক্ষ লোক শুনে করতালি দিয়েছে। কিন্তু এখন কিন্তু তা আর পড়া হচ্ছে না। আবার অন্যদিকে আইরিশ কোনো একটা স্টেশনে গিয়ে নেরুদা দাঁড়ালেন। নেরুদার জন্য ড্রাম নিয়ে এসেছে শ্রমিকরা। মজার ব্যাপার হলো- নেরুদা কিন্তু প্রেমের কবিতা লিখেছেন, তাকে ফিল করেছে…। আমাদের এখানে রাজনৈতিক কবিতার যে ব্যাপারগুলো ঘটে গেছে, যেমন- ‘আসাদের শার্ট’- এগুলো এরকম যে আপনি ইতিহাসভিত্তিক কবিতা পড়ছেন। একজন রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লা যখন বলেন, ‘জাতির পতাকা আজ খামছে ধরেছে সেই পুরনো শকুন’; কিংবা একজন দাউদ হায়দার যখন বলেন, ‘জন্মই আমার আজন্ম পাপ’; দুঃখিনী বর্ণমালা- একুশে ফেব্রুয়ারির পটভূমিতে লেখা। ‘স্বাধীনতা শব্দটি কীভাবে আমাদের হলো’- নির্মলেন্দু গুণ। মনে করেন, পঞ্চাশ বছর পরে- খামচে আর কেউ ধরে না…তখন কী হবে? মানুষের সঙ্গ আর নিঃসঙ্গতা একরকম, রাজনৈতিক অবস্থানে থেকে কথা বলা আরেক রকম, ওই কালটা অতিক্রম করলে- যদি সেই কবিতা একেবারে অভিনব আর আলাদা না হয়, তাহলে মানুষ স্মরণ করবে না। দিবসকালীন কবিতা আর চিরকালীন কবিতার মধ্যে তো পার্থক্য আছে। যেমন একটু আগে বলেছি, আপনি একাকী হলে কী করেন? এই প্রশ্ন যখনই করা হবে, তখনই আপনি যদি শিল্পমনষ্ক হন তাহলে যাবেন শিল্পের কাছে। ব্যাপারটা নির্ভর করে- কে দেখছে আর কে গ্রহণ করছে তার উপর। আরেকটু উদাহরণ দিই- আপনি যখনই পাতা ওল্টালেন, পাতা উল্টানোর পরে মান্নান সৈয়দের ভাষায়- ‘তুমি তো খুলে যাও বইখোলার মতো’, এটার উপরে এখানে শাদা ওখানে শাদা এরকম বিভিন্ন জায়গায় সাদা থাকলে- ফিলোসফিক্যালি কি শুধু শাদা নিয়েই ভাববেন, নাকি ব্যবহৃদ শব্দগুলো নিয়ে ভাববেন?

[সর্বশেষ পর্ব আগামীতে]

অনুলীখন : আরিফ শামসুল

ফেসবুকের মাধ্যমে মন্তব্য করুন

লেখাগুলো সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করুনঃ

LEAVE YOUR COMMENT

Your email address will not be published. Required fields are marked *

hijal
Close