Home কবিতা প্রেমভাবনা ও প্রেমের কবিতা >> কামরুল ইসলাম / পিয়াস মজিদ / তিথি আফরোজ / অপু মেহেদী
0

প্রেমভাবনা ও প্রেমের কবিতা >> কামরুল ইসলাম / পিয়াস মজিদ / তিথি আফরোজ / অপু মেহেদী

প্রকাশঃ October 4, 2018

প্রেমভাবনা ও প্রেমের কবিতা >> কামরুল ইসলাম / পিয়াস মজিদ / তিথি আফরোজ / অপু মেহেদী
0
0

কামরুল ইসলাম >> প্রেমভাবনা ও প্রেমের কবিতা
প্রেমভাবনা >>

দ্বিধা ও দহনে কতবার যে তাকে নিয়ে আমার মানস-ভ্রমণের ইতিহাস লিখতে হয়েছে আমাকে- তা কেরল ঈশ্বরই জানেন। নারীর প্রেম আমার কাছে ‘কিছ তাঁর দেখি আভা কিছু পাই অনুমানে’ এরকমই। প্রেম নানা রকমের হলেও নারীর প্রেমকেই যদি ধরি তাহলে বলতেই হয়- শত ভাঙনের তীরে দাঁড়িয়েও যার কথা মনে হলে মাঠময় জেগে ওঠে সবুজ শঙ্খমালা ঝাড়বাতি হাতে- তাকে দেখেছি হয়তো, তার গান শোনা হয়নি, কিংবা আদৌই কখনো দেখিনি। অত:পর ভাবি- যে প্রেম মরে গেছে প্রত্যুষে, তার কোনো বিকল্প হয় না। কখনো মনে হয়- ভালোবাসা এসে যদি বলে ‘আমি অনন্ত জল’, আমি বিশাল শূন্যে উড়াবো জীবন; জলের শব্দে যে আনন্দ- তাকে আমি ভালোবাসা বলি। গভীর জঙ্গলের অচেনা গাছপালার ভেতর থেকে আমি ভালোবাসার ডাক শুনতে পাই। ওই যে মন চলে যায় নদীর ওপারের কালো কোনো গ্রামে, দেহখানি এপারে ফেলে- মন যারে বেঁধে রাখে অনন্ত বোধিতে, সেইতো প্রেম কিংবা সুখের দহন! প্রেম তো সে-ই- অনেক ভেতরে যে পল্লবিত মুখ কাঁপিয়ে তোলে অস্তিত্বের উঠোন!‘ কোন রাতের পাখি গায় একাকী / সঙ্গীবিহীন অন্ধকারে’ আমি তার কিছুই জানি না, শুধু কান পেতে রই!

প্রেমের কবিতা >>

রাত ও রজনীর নিবিড় সংস্কৃতি

তোমার ব্যক্তিগত নৈঃশব্দ্য আমাকে ঢেকে দেয়
পবিত্র ঘাসের কসমে…
আকাশে পাখিদের ডানাগুলো শূন্যতায়
পাক খেয়ে খেয়ে কেমন নীল হয়ে আসছে দেখো-
একটি সরব উঠোন মধ্যরাত পেরিয়ে যখন
শৈশবের বারান্দায় ফেরে
একটি চোখ অশ্রুর ভেতরে সাঁতার কেটে কেটে
ধুলোদিন পাড়ি দেয়, আর যে আঁচলের লেবুপাতা রঙ
পিছন দরজায় মায়াচোখে তাকায়, তার দিকে
রাত ও রজনীর নিবিড় সংস্কৃতির এই পথ
আমি ছুঁয়ে যাবো আজ নিখিল দহনে…

 

ধুলোময় দুপুরের কাহিনি

তুমি চলে যাচ্ছো মানে মনতলের সবগুলো চারাগাছ
উপড়ে ফেলে হেসে হেসে পার হচ্ছো ধুলোময় দুপুর
বালিকাদের স্নানের দৃশ্য পার হয়ে
বিপন্ন নদীটি বামে ফেলে
এই যে চলে যাওয়া, এর অর্থ জেগে আছে
রাতজাগা পথের মাথায়। কখনো জল বলে পান করো
ঝরা পাতার মর্মর
বলো, আজ শনির দশায় পড়েছি বেশ
আর নিঝুম সন্ধ্যায় গাছেদের কাতর কণ্ঠে কণ্ঠ মিলিয়ে
গাইতে থাকো তৃষ্ণা ও ত্রিভূজের বিবাহ সংগীত

ধুলোময় দুপুর আর তুমি যখন
চিনতে পারার আনন্দের মধ্যে খুঁজতে থাকো
হারিয়ে যাওয়া বর্ষা ও বসন্তের গীতল সন্ধ্যা
দূরে তখন মেঘের পালকে ঢেকে যায় তারাদের হাসি
আর মাঠে মাঠে ছড়িয়ে পড়ে
ধুলোময় দুপুরের কাহিনি চিরহরিৎ রহস্যের তীরে

 

 

পিয়াস মজিদ >> প্রেমভাবনা ও প্রেমের কবিতা

প্রেমভাবনা >>

প্রেম-দশমী
>> আমার মৃত্যু জীবনভর বসে বসে কারো হাতে তৈরি করা শুভেচ্ছা।
সে কি প্রেম!
>> প্রেমের মড়া জলে ডোবে না। তবে আগুনে পুড়ে।
এই যেমন হিমার স্মৃতি আমাকে ভাসিয়ে নিতে পারেনি তবে খাক করে দিয়ে গেছে।
>> ভুলের মতন প্রেম।
প্রেমের মতন গাঢ় ভুল।
(কবিতা সিংহের কবিতা ‘প্রেম’)
>> জীবন একটা রূপারহস্য
প্রেম একটা হীরারহস্য।
অর্থাৎ প্রেম জীবনের চেয়েও রহস্যবান। আর আমরা বিশাল রূপালি জীবনকে ছারখার করে দিতে পারি প্রেমনাম্নী হীরার ক্ষণিক স্পর্শের লোভে। অর্থাৎ বোঝা যাচ্ছে, প্রেম-ট্রেম কিছু নয়, আমরা আসলে মূল্যবান ধাতুলোভী।
>> রশীদ করীমের কথাটি খুব সত্য-‘প্রেম একটি লাল গোলাপ।’ গোলাপের স্থায়িত্ব যেমন অল্প কয়েকদিনের প্রেমের স্থায়িত্বও তেমন। সামান্য ক’দিনই এর সৌরভ অটুট থাকে। গোলাপের শুকনো পাপড়ি বইয়ের পৃষ্ঠার ভাঁজে রেখে আমরা যেমন মাঝে মধ্যে পুরনো ঘ্রাণ খুঁজি ঠিক তেমনি মৃত প্রেমের বিগত সুবাস আমরা অনেক সময় পরবর্তী জীবনেও শুঁকতে চাই। অর্থাৎ প্রেমের স্মৃতিকেই প্রেম ভেবে ভ্রম করি।
>> নজরুলের গানে আছে-
মালঞ্চে আজ কাহার যাওয়া আসা।
ঝরা পাতায় বাজে
মৃদুল তাহার পায়ের ভাষা ॥
প্রেম আসলে কিছু নয়, দু’হাত ভরে তুলে নেয়া কেবল কারো ‘পায়ের ভাষা’।
>> আশেক যারা জ্বলে পুড়ে খাক হয় তারা অন্য ধরনের।
পোড়া গ্রামের উপর করারোপ করো না, প্রেমিককে বকো না।
অন্যদের একশ গুণ ‘সঠিক’ কথার চেয়ে তার ‘ভুল’ বলাটিও ভালো।
(আশা করি আপনারা মাওলানা জালালুদ্দিন রুমির এ কবিতার মতো ‘প্রেম’ নামক ভুলের প্রেমে পড়বেন বারবার)
>> মানুষ আসলে অত্যন্ত ভীতু প্রকৃতির প্রাণী। একাকিত্বকেও সে ভীষণ ভয় পায়। তাই সে সঙ্গী খুঁজে প্রেম করে। মানুষের কোষ থেকে ভয়কে বিলুপ্ত করে দিলে প্রেমের হারও কমে যাবে।
>> লোহার মত প্রেমেও মরচে পড়ে। তখন সুখের বদলে মরচে পড়া প্রেম মরচে পড়া পেরেকের মতই ভয়াবহ অঘটন ডেকে আনতে পারে, সুতরাং সাধু সাবধান।
>> মানুষ আসলে আদ্যন্ত প্রেমী। তাই জীবৎকালে হরেক কিসিমের প্রেমে রঞ্জিত হওয়ার পাশাপাশি মৃত্যুর পর পছন্দসই জায়গায় সমাধিস্থ হওয়ার বাসনা ব্যক্ত করার মাধ্যমে মৃত্যুত্তর একরকমের প্রেমই প্রকাশ করে যায় নিকটজনের কাছে।

 

প্রেমের কবিতা >>

স্বপ্নমৃত্যুপ্রসারণ

এই গ্রীষ্মেও
মুষলধারে কাঁদছে আকাশ;
কান্নাপ্রণালি
কোনো ঋতু মানে না।
দিগন্তপাতালে
রন্ধনশালার বিস্তার তার।
এর মাঝে আমি এক
ঋজুরেখ নক্ষত্রবাদি,
এই ক্রন্দনসিম্ফনির
কারুকাঠামো ভেদ করে
শুক-স্বাতী-অরুন্ধতীর
হৃৎমহলে যাই;
দেখে আসি
এক একটি নক্ষত্রের
নির্মাণশেষে
তোমার চোখের জল
কত যুগের
বর্ষা হয়ে
ঝুলে থাকে
অনন্ত
অন্তহীনে!

 
জীবনায়ন

রোদচশমায় অনেক তো
ঘোরাঘুরি হল
মাঝেমধ্যে ডুব দিলাম হাওয়াহ্রদে
খাওয়া হলো ভাতরুটি
ভাতের পর ফলও হল
বেঁচে থাকার তৈজসে
মাঝেমধ্যে মরচে পড়ল
আবার কখনো
ঝিকমিক করে উঠল
কী দারুণ সোনারং
অকস্মাৎ পেট্রলবোমায়
পুড়ে গেলে প্রেম
তোমার-আমার সম্পর্কের ছাই
তিলোত্তমা পৃথিবীর আবর্জনা বাড়াল
তারপর অনামা-অনন্ত এক
শীতঘুমের ডাকে
দেখতে দেখতে
হ্রস্ব বসন্তবৃক্ষের
সবকয়টা সবুজ পাতা
ইতিউতি ঝরে পড়ে গেল

 

তিথি আফরোজ >> প্রেমভাবনা ও প্রেমের কবিতা

প্রেমভাবনা >>

উন্মত্ত প্রেম উন্মাদনা সৃষ্টি করে আর সেই অন্ধপ্রেমের জ্বালায় সাধনা নির্ভেজাল হয়। অন্তর্দৃষ্টি পড়ে কেন্দ্রবিন্দুতে। কেন্দ্রকে খুঁজে পাবার কঠিন পরিক্রমা নির্যাস তৈরি করে শুদ্ধ ‘আমি’। কখনই শুদ্ধ আমি ছাড়া প্রেম হবে না। শুদ্ধতা আর সিদ্ধি লাভের তীব্র প্রচেষ্টার প্রয়াসই ভবনদীর প্রকৃত প্রেম। প্রেম হৃদয় চুইয়ে শরীরে যায়। শরীরের তৃপ্তিতে যে প্রেম হালকা হয় তা মোহ বা ক্ষুধা। যদি ক্ষুধা মহামারি আকার ধারণ করে , আজীবন ঈশ্বর বন্দনার মতো শিকড় গজায় বুকের ভেতর তবেই আসল প্রেম আসল ভালোবাসা।

প্রেমের কবিতা >>

প্রজাপতি প্রজাপ্রতি খেলা

ভ্রমের ঘুমে তুমি আমি শৈল্পীক সঙ্গমে সাঁতরাই
টুপটাপ জল পড়ে আর পাতা নড়ে

বিরান মাঠের বুকে বৃষ্টি বৃষ্টি খেলায় সবসময় আমি প্রথম।
এইযে আমার প্রথম হওয়ার আনন্দে
তোমার চোখে প্রেম ওঠে তা বড়ই মধুর।

গোল্লাছুট ছিবুড়ি খেলায় জুয়েনা, খাদিজা অথবা ফাতেমা
প্রথম হতো : তাদের আনন্দ চোখে মেখে হাসিনি, বিশ্বাস করো
বরং চেয়ার খেলায় হেরে গিয়ে কেঁদে ফেলেছি গ্রামসুদ্ধ মানুষের মাঝে
একবার তো ডলির সাথে ঝগড়ায় বাঁধিয়ে দিলাম।

জীবনের মাঝ পথে এই যে সব সময় প্রজাপতি প্রজাপ্রতি খেলায় প্রথম হবো
আর বিনিময়ে অতিপ্রেম পাবো—
যদি জানতাম তাহলে চোখের একফোঁটা জলও ঝড়াতাম না, কুড়িয়ে রাখতাম
সব বেহিসাবী দিন। আঁচলের তলায় লুকিয়ে রাখতাম লুট হওয়া মুক্ত।

তন্দ্রায় জলমগ্নতায় যে নেশাতুর চোখ তুমি আবিষ্কার করো অক্ষিগোলকে
তাতে তুমি তৃপ্তির হাসি হাসো, আহা সে হাসি বড়ই মধুর!

খেলার নেশায় ঝিম ধরেছো; আফিম অথবা মারিজুয়ানার মাদকতা
হেরে গেলে—
জেতাপর্বের নেশায় ছোঁয়াচে রোগের মতো তুমি নেশাগ্রস্ত পিনিক পেয়েছো
সে কী অতি মাদকতা, ওফ্ : বড়ই মধুর…

এইসব খেলার তন্ত্রমন্ত্রে আকাশে বিদ্যুৎ চমকায়, ভরে যায়
খাঁ খাঁ মরু প্রান্তর টইটুম্বর বৃষ্টিতে আর মধুমাসের মতো দুলতে দুলতে
অম্ররুপালীও হয়ে য়ায় রসের হাড়ি। ইস্ রস, বড়ই মধুর…

তানসেনের রাগ মেঘ মালা রাগ দীপকে গান বেজে উঠে চারিদিকে সুমধুর
নৈপুনে আর আমরা সৃষ্টি করি সম্রাট আকবরের নবরত্ম সভার দ্যুতি;
সেখানে সম্রাট সম্রাঞ্জী তুমি আমি আর মিয়া তানসেনের অদৃশ্য রাগের মূর্ছনা।
মূর্ছনা শীৎকার, মূর্ছনা শীৎকার…
অতি উচ্চমার্গীয়;
হৃদয় নিঃসৃত
মধুরতা
বড়ই
মধুর…

টং ঘর

টং ঘরে :
অজস্র লজ্জার সাথে দ্বিধা লেপটে থাকে
শোন, সেখানে কবুতর বাকবাকুম করে
লোভাতুর রাতের বুকে নীল সমুদ্র জল
চাঁদের আলো পাহারায় থেকে হাই তোলে
অথচ পত্র-পল্লবের ঘ্রাণ ঘুমায় না, জেগে
থাকে কুসুম কুসুম প্রেম। লাল বালিশ
নীল বালিশের গল্প শোনে সাথে জাগে
শিহরণ। আরও লোমশ কালো ভয় :
এক মরুভূমিতে রোমিওর রক্ত; কাটা মস্তকে
আফ্রোদিতির পেলব ছোঁয়া।
জুলেখার উৎকন্ঠায় এজিদের চিৎকার শুনে
উড়ে যায় চোখের অশ্রু।

আরও একবার ব্যাবিলনের উদ্যান পুড়ে যাক
ধ্বংস হোক পম্পাই নগরী;
এসো, আমরা আবার বৃষ্টিতে ভিজি।

তোমার বুকের মধ্যে যেখানে মন আছে
তার ভেতর খড়কুটোর একটা টংঘর
এত যত্নে লুকিয়ে রেখেছো যে চড়ুই
সেও শুধু তোমাকেই খোঁজে
যেভাবে নিজের চোখ দেখা যায় না নিজে।

আবার একটা ঝড় আসুক
নার্গিস অথবা আইলা ।
জলোচ্ছ্বাস ডুবে ডুবে ঠিকই
ঘুমিয়ে যাবো তোমার মনের টংঘরে।
তুমি বেশ ভালোই জানো:
অনন্ত ঘুমের নামও প্রেম।

 

 

অপু মেহেদী >> প্রেমভাবনা ও প্রেমের কবিতা

প্রেমভাবনা >>

সম্পর্কের জ্যামিতিতে প্রেম মোহনির্ভর। তাই মানুষের সকল প্রেম আবর্তিত হয় নিজের মোহগুলোকে ঘিরেই। হোক সে জৈবিক বা অজৈবিক, পার্থিব বা অপার্থিব।

প্রেমের কবিতা >>

শাস্ত্রীয় প্রেমের বিপরীতে
সব প্রেমিকের বুকেই থাকে কিছু অদৃশ্য আগুন। মানুষ যাকে প্রেম বলে তার ছায়ার ভেতরে লুকিয়ে থাকে আত্মহত্যার প্ররোচনা।
শাস্ত্রীয় প্রেমের বিপরীতেও কিছু প্রেম হয়। নিষিদ্ধ রাতের উস্কানিতে নষ্ট তালা খুলে যায় ভুলচাবিতে। ভাঙা কাঁকনের সাক্ষ্য নিয়ে সামনে দাঁড়ায় হন্তারক প্রেমিকা।
প্রেত পোড়ানো সন্ধ্যায় কেউ কেউ খুন হয়। আপসি মেঘের বুকে ছুরি চালায় অনাপসি বিদ্যুৎ। আমি মহাভারত থেকে পালিয়ে রামায়নে জন্মাই…
ভালোবাসি, ডাকঘরে তবু অভিমান আসে না।

 

 

বিবিধ সম্পর্কের ফিরিস্তি

 

কোনো কোনো প্রেমিকার ঠোঁটেই ছাপানো থাকে বিবিধ সম্পর্কের ফিরিস্তি। প্রেমিকের বুকপকেটে লুকানো হাতচিঠি; প্রেমিকার ঠোঁটে গাঢ় লিপস্টিক। শহরে বৃষ্টি নামলেই তারা ঠুসঠাস চুমু খায়। কেননা উষ্ণতাই অনুরাগের উৎকৃষ্ট সমাধান।
অনুরাগ বলতে আমরা কিই-বা বুঝি? কেউ কেউ সারাজীবন বুকপকেটেই জমিয়ে রাখে হাওয়াই স্মৃতি; বারোয়ারি চোখের ঘুলঘুলিতে পোষে দারুচিনির নেশা।
আর কেউ কেউ গাঢ় লিপস্টিক মুছে হয়ে যায় স্বয়ম্বরা। শহরে বৃষ্টি নামলেই কাটায় রমণময় নোনারাত। তারপর একদিন সেও জেনে যায়জ্জরমণের চূড়ান্ত রূপ বেদনাই।

ফেসবুকের মাধ্যমে মন্তব্য করুন

লেখাগুলো সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করুনঃ

LEAVE YOUR COMMENT

Your email address will not be published. Required fields are marked *

hijal
Close