Home আত্মজীবনী ফরিদ কবির / আমার গল্প [৫]

ফরিদ কবির / আমার গল্প [৫]

প্রকাশঃ December 25, 2016

ফরিদ কবির / আমার গল্প [৫]
0
3

‘টেলিবিছন’ আইলো

জিন্দাবাহারে আমাদের জীবন ছিলো কিছুটা নিস্তরঙ্গই।
পড়াশোনা ছাড়া, অবসর সময়ে আমাদের বাড়ির গলিতে কুতকুত আর লাটটু খেলেই আমাদের জীবন চলছিলো! এ ছাড়া আমার অন্তত করার কিছু ছিলোও না। আমাদের ঘরে বিদ্যুৎ ছিলো না। সন্ধ্যের পর আমাদের জীবন ছিলো পুরোপুরিই অন্ধকারময়। সন্ধ্যের পর আমি হারিকেনের আলোতে পড়তে বসতাম। স্কুলের পড়া তৈরি করতাম। তারপর মাদুর বিছিয়ে রাতের খাবার খেতাম। রাতের খাবার খওয়ার পর আর কিছুই করার থাকতো না আমাদের। বেশিরভাগ সময় শরিফের সঙ্গেই খেলতাম। একদিন তো ওর সঙ্গে দুষ্টুমি করতে গিয়ে ওকে দিলাম এক ধাক্কা। সে গিয়ে পড়লো শেলফের ওপর। শেলফের কাচ ভেঙে শরিফের হাত কেটে রক্ত বেরিয়ে গেলো! আমি ছুটে গিয়ে ওর হাত দেখলাম। ওর বাঁ হাতের চামড়া উঠে গেছে! শরিফ সেদিকে তাকিয়ে আছে। ঠিক যে মুহূর্তে চামড়ার নিচ থেকে ফিনকি দিয়ে রক্ত বেরিয়ে এলো শরিফ তখনই গগনবিদারি একটা চিৎকার দিলো! ওর চিৎকার শুনে বারান্দা থেকে আম্মা ছুটে এলেন। এসেই দেখলেন, শরিফের হাত কেটে গলগল করে রক্ত বেরোচ্ছে! আম্মা শরিফের হাতের রক্ত বন্ধ করার ব্যবস্থা না করেই আমার গালে কষে কয়েকটা থাপ্পড় বসিয়ে দিলেন। থাপ্পড়গুলি এতো জোড়ে লাগলো যে অনেকক্ষণ আমার কান ঝাঁঝাঁ করতে লাগলো! আমার চোখ ফেটে পানি বেরিয়ে এলো।
আমি ঘর থেকে বারান্দায় চলে এলাম। আমার খুব অভিমান হলো! আমি তো ইচ্ছে করে করিনি! আমার মনে আছে, প্রচণ্ড অভিমানে সে-রাতে আমি অনেকটা সময় বিছানায় এপাশ-ওপাশ করেছি। একবার আমার বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার ইচ্ছেও মনে জেগেছিলো!

তবে বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার মতো বয়স ও সাহস আমার তখনও হয়নি! পরদিন ঘুম থেকে উঠে আমি যথারীতি স্কুলে গেলাম! স্কুল থেকে ফিরে বাসায় ভাত খেলাম। বিকেলে বাড়ির বাইরে, গলিতে নুরুননাহার ও শেফালিদের সঙ্গে কুতকুতও খেললাম।
সেদিনও কুতকুত খেলছি। এমন সময় সেখানে আমার মামাতো ভাই কবিরকে দেখলাম। সে খুবই উত্তেজিত! সে আমার হাত ধরে কোর্টের বাইরে এনে বললো, ফরিদ ভাই, জলদি চলো।
আমি বললাম, কী হইসে?
সে তখনো হাঁফাচ্ছিলো!
বললো, জোসনা ফুবুর বাড়িত একটা বাকসো আনসে। অর মদ্যে নাচ-গান দেখন যায়!
আমি বললাম, কী! কী কস?
হ, জলদি চলো!

আমি কুতকুত খেলা ছেড়ে কবিরের সঙ্গে ছুটলাম। জ্যোৎস্না খালাম্মার বাড়ি আমাদের বাড়ি থেকে এক মিনিটের পথ। আমরা সেটা ৩০ সেকেন্ডে পার হলাম। এসে দেখি, বাড়ির নিচ তলায় এলাহী কাণ্ড! ২০-৩০ জন মানুষ বারান্দায় জড়ো হয়েছে। বারান্দার মাঝখানে ছোট একটা উঠান। তার অপর পাশে টানা বারান্দা। সেখানে ছোট একটা টেবিলে বাকসের মতো একটা জিনিশ রাখা। তার সামনে চৌকো একটা গ্লাস লাগানো। উঠানে একটা সোফায় বসে খালু গড়গড়া টানছেন। পাশে আরও কয়েকটা চেয়ার লাগানো। সেখানে বসে আছেন জ্যোৎস্না খালাম্মা, নূরজাহান আপা, নার্গিস আপা, লাট্টু মামাসহ অনেকেই। আমি পাশেই ফকির ভাইকে দেখে বললাম, এইটা কী জিনিছ?
ফকির ভাই বিজ্ঞের মতো বললেন, এইটা অইলো টেলিবিছন।
টেলিবিছন! এইটা দিয়া কী অয়? আমি ফিসফিস করে জানতে চাইলাম।
ফকির ভাই বললেন, রেডুতে ত খালি গান হুনন যায়, এইটাতে আটিস রে বি দেহন যাইবো। একটু থেমে বললেন, শিলঙে (সিলোন) বয়া মোহাম্মদ রফিক (মোহাম্মদ রফি) গান গাইবো, আর এইহানে বয়া তারে দেখবার পারবি।
ফকির ভাই গুনগুন করে গাইতে শুরু করলেন, ইয়ে দুনিয়া, ইয়ে মেহফিল, মেরে কাম কি নেহি…!

একটা বাকসের মধ্যে মানুষ কীভাবে দেখা যাবে- এটা ভেবে আমার মধ্যেও দারুন উত্তেজনার সৃষ্টি হলো। আমি একে ওকে ধাক্কা দিয়ে এক ফাঁকে ‘টেলিবিছন’ নামের সেই যন্ত্রটার সামনে গিয়ে দাঁড়ালাম। যন্ত্রটা তখনো চালু হয়নি। তার সঙ্গে যে প্লাগটি ছিলো, সেটার তার ছিলো বেশ ছোট। সেটা দেয়ালে লাগানো সকেট পর্যন্ত পৌঁছাচ্ছে না! আবার টেলিভিশন সেটটা সেই দেয়ালের কাছে নিয়ে গেলে আরেকটা তার টেলিভিশনে লাগানো যাচ্ছে না। পরে জেনেছিলাম, ঐটা এন্টেনার তার। বাবুল মামা, আমাদের দূরসম্পর্কের মামা, যিনি ওই বাড়িতেই থাকেন, তিনি বুঝতে পারছেন না আসলে কী করা উচিত। আমি টেলিভিশনের সামনে গিয়ে দাঁড়াতেই পেছন থেকে খালু আমাকে উদ্দেশ্য করে বললেন, এইটা ফরিদ না? আব্বে, তুই টেলিবিছনের সামনে খাড়ায়া হা কইরা কী দেখবার লাগছস?
আমি এতোই বিস্ময় নিয়ে যন্ত্রটিকে দেখছিলাম যে, পেছন থেকে খালু যে আমাকে কিছু বলছেন সেটা আমি টেরই পাইনি। সত্যিকার অর্থে আমি তখন কিছুটা হাবা গোছেরই ছিলাম। হঠাৎ দেখলাম, অপর পাশ থেকে কবির আমাকে ইশারায় পেছনে তাকাতে বলছে।
আমি পেছনে ফিরতেই খালু বললেন, আব্বে, হা কইরা রইছস কেলা, মুখে ত মাকখি (মাছি) ডুইকা যাইব!
আমার মনে হলো, আমি সত্যি সত্যি হা করেই ছিলাম! খালুর কথা শুনে আমি মুখ বন্ধ করলাম।
খালু তখন আমাকে ডান দিকে সরে যাওয়ার জন্য ইশারা করে বাবুল মামাকে একটা ধমক লাগালেন, আবে হালায়, কী করবার লাগাইছস? মাথায় কি গোবর নিহি! এতো টাইম লাগে কেলা।
বাবুল মামা তখন ঘেমে একসা। বললেন, আমি কী করমু, একটা তার লাগলে আরেকটা লাগে না।
খালু বিরক্ত মুখে বললেন, তরে ত আগেই কইছিলাম, মিস্তিরি রে বুলা। তুই ত মাতবর সাব অইছস। আমার কথা হুনবি কেলা। অহন লাগা…!
বাবুল মামা বললেন, মনে অইতাছে, মিস্তিরিরেই ডাকন লাগবো।
খালু এবার ক্ষেপে গেলেন, নাটকির জানা, তাইলে অহন তরি খাড়ায়া রইছস কেলা! লৌড় দে না।
বাবুল মামা তখন সত্যি সত্যিই ‘লৌড়’ দিলেন।

কিন্তু তিনি গেলেন যে গেলেন! আর তার পাত্তা নেই! আর, অপেক্ষার সময় সবসময়ই দীর্ঘ হয়। কিছুক্ষণ হুক্কা টানার পর খালু অধৈর্য হয়ে উঠলেন। তিনি হাঁক দিলেন, ফকিরা…, ফকিরা গেল কই? ইট্টু আগে ত অরে এহেনেই দেখছিলাম!
ফকির ভাই তার সামনে ছুটে গেলেন, জ্বি ফুবা?
দ্যাখ ত হালার জানায় কই গেল! এতক্ষণে ত লাহোর থনে মিস্তিরি আনন যাইত!

মোল্লা ফার্মেসির সাথেই ইলেকট্রিকের দোকান। এ বাড়ি থেকে ৫-৬ মিনিটের রাস্তা। আসতে-যেতে বড় জোড় ১০-১২ মিনিট লাগার কথা। আমার ধারণা, তখন ৬-৭ মিনিট সময়ও পার হয়নি। কিন্তু লোকজন অস্থির হয়ে উঠেছিলো। তাদের কাছে তখন এক মিনিট সময়ও এক ঘন্টার মতো দীর্ঘ! টেলিভিশনে ছবি দেখার জন্য তাদের তর সইছিলো না।

বাবুল মামা মিনিট পনেরোর মাথায়ই ফিরলেন। এতোক্ষণ বারান্দায় আর উঠানে যারা ছিলো তারা এ জায়গাটাকে বাজার বানিয়ে ফেলেছিলো! সবাই কথা বলছিলো। বাবুল মামা ইলেকট্রিশিয়ান নিয়ে ফিরতেই সবাই চুপ মেরে গেলো।
ভয়ংকর নিরবতার মধ্যে শুধু খালুর গলা শোনা গেলো, বাবুল মামাকে বললেন, নওয়াব ছলিমুল্লা অইছস! আইতে-যাইতে এত টাইম লাগে নিহি! এতক্ষণে ত লাহোর থনে মিস্তিরি আহন যাইত। অখন জলদি ছাড়।
ইলেকট্রিশিয়ানের চেষ্টায় আরও আধ ঘন্টা পর ‘টেলিবিছন’ চালু হলো। তখন ফিলিপস বাতির বিজ্ঞাপন হচ্ছে- ‘ফিলিপস, ফর লাস্টিং বাল্ব…’।
চলন্ত ছবি দেখার বিরল এক অনুভূতি আমাদের সবাইকেই প্রায় আচ্ছন্ন করে ফেললো।
বিজ্ঞাপন শেষ হলে ইংরেজি ছবি শুরু হলো। ‘টারজান’। টারজানের নানা কেরামতি, বাঘ, ভালুক, হাতি আর বানরের নানা কসরৎ দেখে অন্য সকলের মতো আমিও একেবারেই মুগ্ধ হয়ে গেলাম! বাসায় যে সন্ধ্যে ছটার মধ্যে ফেরার নিয়ম সেটা বেমালুম ভুলে গেলাম। টারজান শেষ হবার পর খবর শুরু হলো। সে সময় আমার ভেতর থেকে কেউ যেন বলে উঠলো, ফরিদ, জলদি বাড়ি যাও, আজ তোমার খবর আছে!
আমি উঠে পড়লাম।
অনেক রাত হয়ে গেছে। কটা বাজে আমি অনুমান করতে পারলাম না! ৯টাও হতে পারে, ১০টাও!
বাসায় ঢুকে দেখি, আম্মা আর আব্বুজি- দুজনের মুখই থমথমে। শরিফ বিছানায় ঘুমুচ্ছে।
আমাকে দেখেই আম্মা বললেন, ওই যে গোলামের বাচ্চায় আইছে!
আম্মা খুবই দ্রুত রেগে যান! রেগে গেলে এই গালিটাই দেন।
বিছানার ওপর আব্বুজি চুপ হয়ে বসেছিলেন। আম্মা তার দিকে তাকিয়ে বললেন, অহন তুমার পোলারে জিগাও, এতো রাইত পর্যন্ত কুনহানে আছিলো। বালা মানু কুনুদিন এতো রাইত পর্যন্ত ঘরের বাইরে থাকে! তুমি চুপ কইরা বয়া রইছো কেল্লাইগা? পুলারে জিগাইতে পারো না, কই আছিলো?
আব্বুজির গলায় অবশ্য কোনো উত্তেজনা নেই! তিনি শান্ত গলায় জানতে চাইলেন, কই গেছিলি?
আমি মুখ নিচু করেই জবাব দিলাম, জোসনা খালাম্মা গো বাড়িত। অরা টেলিবিছন আনছে, দেখতে গেছিলাম।
টেলিবিছন! কবে আনছে? আমি জানলাম না! আব্বুজির গলায় বিস্ময়!
আম্মা তখন আরও ক্ষেপে গেলেন। বললেন, আমি কই কি, আর আমার সারিন্দায় কয় কি! জোসনা আপায় তো আমারেও কইছিলো, আজকা টেলিবিছন ফিট করবো। আমি গেছি? আমি গেছি নিহি কও? আমি তো যাই নাইক্কা! আমি তো তুমাগো মতন ফকিন্নি না। কইলেই কি যাইতে অইবো নিহি? তুমরা বাপ-বেটা অইলা ফকিন্নির জাত! কেউ কিছু কইলেই তুমরা কুত্তার মতন গিয়া খাড়ায়া থাকো।
রেগে গেলে আম্মা সহজে চুপ হতে পারেন না! তিনি অনেকক্ষণ ধরে বকবক করতে থাকেন।
আমার দিকে ফিরে বললেন, তরে না কইছি, ছয়টার পর বাইরে থাকবি না! তারপরেও তুই থাকলি কুন সাহসে? ক?
আমি বললাম, কুনুদিন টেলিবিছন দেহি নাই, এর লেইগা গেছি।
সন্ধার মদে বাড়িত ফিরলি না ক্যান?
কেমনে আমু, টেলিবিছন ফিটিং করতে দেরি অয়া গেছিলো!
আর তুই ফকিন্নির মথন খাড়ায়া আছিলি?
আমি চুপ করে দাঁড়িয়ে রইলাম। কোনো কথা বললাম না। আম্মা হঠাৎ আমার গালে কষে একটা চড় বসিয়ে দিলেন। মুখে বললেন, এই থাপ্পড়ের কথা যদি মনে থাকে তাইলে আর যাবি না। মাইনসের বাড়িত বেসি বেসি যাওন আমার একদম নাপসন্দ। ওই বাড়িত খায়া আইছস, নাকি না খায়া আইছস?
আমি চুপ করে থাকলাম। আম্মার রাগ কমতে কমতেও আর কমলো না।
তার মুখ চলতে থাকলো, এবার সব রাগ গিয়ে পড়লো জ্যোৎস্না খালার ওপর। আম্মা গজগজ করতে লাগলেন, সবগুলিরে আমার চিনা আছে। এত রাইতে আমার পুলাটারে না খাওয়ায়া কেমনে ছাড়লো!
আমার দিকে ফিরে বললেন, সন্ধা ৬টার পর আর যদি ওই বাড়িত গেছস, তর ঠ্যাং আমি ভাইঙ্গা দিমু। আমি ত তরে খেলতে না করি না। স্কুল থন সুজা বাড়িত আয়া গলির মদে খেলবি, ছটার সুময় পড়তে ববি। কী কইলাম হুনছোস?
আমি মাথা নাড়লাম।
আম্মা আমার জন্য খাবার বাড়তে লাগলেন। কিন্তু আমার ভেতরে ভেতরে প্রচণ্ড অভিমান হলো। সামান্য বিষয়। এর জন্য এতো রাগ করার কী আছে! সব সময়ই দেখি, আম্মা সামান্য জিনিশ নিয়াই খ্যাচম্যাচ করেন।
কেন?
এর উত্তর আমার জানা নাই।
তবে, মনে মনে প্রতীজ্ঞা করলাম, জোসনা খালাম্মা গো বাড়িত আর যদি যাই! আম্মার সাথেও না।
যদিও এ প্রতিজ্ঞা আমি কখনো ধরে রাখতে পারিনি। প্রায় নিয়মিতই আমি টিভি দেখতে ৩৪ নম্বর জিন্দাবাহারে গেছি, আর ফিরে এসে নিয়মিতই আম্মার থাপ্পড় খেয়েছি!

[চলবে…]

ফেসবুকের মাধ্যমে মন্তব্য করুন

লেখাগুলো সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করুনঃ

Comment(3)

  1. সত্যিই একসময় সব্বাই যে টেলিবিছন দেখার জন্য হা করে থাকতো,এখন সেটা ভুলে গেছি।”আমার গল্প” পড়তে পড়তে মুখে মাকখি ঢোকার যোগার!ভাল লাগছে।মন চাইছে,কলেবর বাড়ুক।শুভেচ্ছা।

  2. টানা গদ্য…চুম্বকের মতো ধরে রাখে। ছোটগল্পকে হার মানায়। পুরো একটি সময়ের লেখচিত্র। বিভিন্নপর্বে ‘ঢাকাইয়া’ উচ্চারণ দেখছি….তা পুরোটা ঠিক আছে কি? ……….কবি আল মাহমুদ তার আত্মস্মৃতিমূলক রচনা ‘যেভাবে বেড়ে উঠি’তে গদ্যের দারুণ যাদু দেখিয়েছেন….। সেটা অবশ্যই আপনার পড়া বলে বিশ্বাস করি। না থাকলে পড়ে নিলে্ও নিতে পারেন। সেই গদ্যও বড় স্মৃতিভারাতুর করে তোলে। জয় হোক স্মৃতিগদ্য-ভ্রমণগদ্য। কারণ এই গদ্য আমাদের কল্পনাময় ফ্যান্টাসিতে নেয় না বরং একটি বাস্তবতাময় সত্যকে চোখে আঙুল দিয়ে নতুন করে দেখিয়ে দেয়।

LEAVE YOUR COMMENT

Your email address will not be published. Required fields are marked *

hijal
Close