Home পঠন-পাঠন হামীম কামরুল হক >> জীবনানন্দ পরিপূর্ণ কবি, অন্যেরা আধুলি-সিঁকি

হামীম কামরুল হক >> জীবনানন্দ পরিপূর্ণ কবি, অন্যেরা আধুলি-সিঁকি

প্রকাশঃ December 14, 2017

হামীম কামরুল হক >> জীবনানন্দ পরিপূর্ণ কবি, অন্যেরা আধুলি-সিঁকি
0
0

জীবনানন্দ পরিপূর্ণ কবি, অন্যেরা আধুলি-সিকি  >> হামীম কামরুল হক

[সম্পাদকীয় নোট : জীবনানন্দের জন্মদিনে আমাদের কবি-লেখকেরা কীভাবে জীবনানন্দকে দেখেন- তাঁর কবিতা ও অন্যান্য রচনাকে, কতটা তিনি আজও আমাদের মাঝে কোন অর্থে বেঁচে আছন, এরকম একটা সিরিজ শুরু করেছিলাম আমরা। এতে একে প্রকাশিত হচ্ছিল আমাদের নানা লেখকের লেখা। আজ সেই সিরিজেরই আরেকটি লেখা প্রকাশিত হলো। লিখেছেন এই সময়ের প্রতিভাবান গল্পকার হামীম কামরুল হক।]

জীবনানন্দ আমার জন্য নির্মাণ করেন এক মানবভূগোল। তাতে আমি নিত্য পরিভ্রমণ করি, বা বলা যায় যে-ভূগোলে আমি নিত্য ভ্রাম্যমাণ। তাঁকে নিজে যেভাবে পাই; অন্যদের নানান লেখায়, কথায়ও তো কম পাই না। সঞ্জয় ভট্টাচার্য কি আলোকরঞ্জন দাশগুপ্তের মতো কবিদের হাতে তাঁকে একভাবে পাই, তেমনি আরেকভাবে পাই মোহাম্মদ রফিকের লেখায় কথায়। দীপ্তি ত্রিপাঠী থেকে বেগম আখতার কামালসহ বিপুল সমালোচকের বিচার বিশ্লেষণ আলোচনায় তাঁর আরেক রকমের বিন্যাস পাওয়া যায়।
জীবনানন্দ দাশকে নিয়ে নানান সময়ে কিছু মন্তব্য শুনে চমকে উঠেছিলাম। কথাগুলো আড্ডা আর আসরের যদিও, ফলে অনেকের কাছে হালকা লাগতে পারে। বলাবাহুল্য, কারা বলেছিলেন সেটি মুখ্য নয়, কী বলা হয়েছিল, সেটিও গৌণ নয়।
তাঁকে আমার কেন দরকার হয়, বা আমি কেন ফিরে ফিরে তাঁর কাছে আসি, তারচেয়ে বড় হলো তাঁকে কী করে পেয়েছি, তাঁকে কী করে পেতে চাই? এরকম প্রশ্নগুলির উত্তর খোঁজাই এই লেখার উদ্দেশ্য। ফলে মন্তব্যগুলি কারো কারো কাছে খাপছাড়া লাগতে পারে। তবে আমার মনে হওয়ার ব্যাপারটা পাঠকের কাছে যদি মূল্য না পায়, সে দুর্ভাগ্য আমার। পাঠকের নয়।
প্রকৃত পাঠকের মন ও মননে হীরের ধার। কমদামি কি বেশি দামি, যে-কাঁচই হোক না কেন, মূল্যবান হীরের আঁকে কেটে দুভাগ হয়ে যায়, এ-লেখাটিতে তেমন কিছু না থাকলে তার দশাও ওই দ্বিখণ্ডিত কাঁচের মতো। সত্যিকার পাঠকের হৃদয় সেই হীরে, তার বোধ হীরকতীক্ষ্ণ।
প্রকৃত পাঠকরাই লেখকদের বাঁচিয়ে রাখেন। লেখক বাঁচেন নিজের লেখার গুণে। যে-লেখকের পাঠক নেই তিনি একরকম মৃত লেখক, নয় কি? সেদিক থেকে অনেক জীবিত লেখকেরই এখন মৃতের দশা, আর কবে ট্রামে কাটা-পড়ে মৃত্যুর গভীরে গিয়েও জীবনানন্দ এখনও জ্বলজ্বলে চোখে তাকিয়ে আছেন আমাদের দিকে, আমার দিকে। তিনি তো জীবিতের চেয়েও জীবিত। অতিজীবিত।
এমন অলৌকিকভাবে জ্যান্ত জীবনানন্দকে নিয়ে যদি শোনেন- জীবনানন্দ দাশের কবিতা আমাদের প্রভাবিত করে, তার চেয়ে বেশি আচ্ছন্ন করে দেয়, আচ্ছন্নতা আমাদের স্থবির করে দেয়, যিনি সেটি করেন তিনি শত্রু ছাড়া আর কী? আর রবীন্দ্রনাথের কবিতা আমাদের অনুপ্রাণিত করে, যিনি অনুপ্রাণিত করেন, তিনি জীবনকে গতি দেন, তিনিই প্রকৃত বন্ধু, পথের সাথী, তিনি জীবনের পথে আমাদের শক্তি জোগান।
এই গেল এক; আরেকটি কথা ছিল- যেদিন পৃথিবীতে মধ্যবিত্তের এই সব হাহাকার থাকবে না, শ্রমজীবী মানুষ তার শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করবে তখন জীবনানন্দের কবিতা আর পড়া হবে না।
নিশ্চয়ই বুঝতে পারেন যে, দুটো কথাই অনেকটা আলটপকা মন্তব্যের প্রায় কাছাকাছি। কিন্তু যাদের এই কথাগুলো মনে হয়েছিল, তারা খুব সহজ মানুষ নন, আবার বিখ্যাতও কেউ নন। এরা তিলে তিলে জীবনের ব্যথা ভোগ করে বেঁচে থাকা মানুষ। ফলে কথাদুটো শোনার পর মনের ভেতর একটা খঁচ-খঁচ অনুভূতি থেকে গেছে। আর জীবনানন্দকে মনে পড়লে আরো অনেককিছুর সঙ্গে চকিতে এই কথা দুটো বেজে ওঠে। অনেক চেষ্টা করেও সরিয়ে দেওয়া যায়নি আজ অবধি।
মন্তব্য আরো আছে। অনেক কবিই মনে করেন, বাংলা কবিতার পথ আগলে আছেন জীবনানন্দ দাশ। তিনি বাংলা সাহিত্যে এ-পর্যন্ত আসা শেষ ষোল আনা বা পরিপূর্ণ কবি। পরে তাকে ভেঙে আধুলি, আধুলি ভেঙে সিকি, সিকি ভেঙে দুই আনা কি এক আনার কবি হয়েছে অনেকেই। একজন কবি তো জীবনানন্দ পড়েনই না, কারণ পড়লেই তিনি প্রভাবিত হয়ে যান। জীবনানন্দের কবিতায় বিদ্যুতায়িত হয়ে যান। অথচ নানা প্রসঙ্গে তার মুখে কত সহজে উঠে আসে জীবনানন্দের পঙক্তি। নানান সময়ে পড়া সেই পঙক্তিগুলো যেন নতুন আর অচেনা ব্যঞ্জনা নিয়ে হাজির হয় তখন।
আর এক কবির কথা জানি, সেই সময় চাকরি হারিয়েছেন। স্ত্রী মৃত্যু-পথযাত্রী, কিন্তু ওই স্ত্রীর কারণেই তার মোটা বেতনের চাকরিটি চলে যায়। তাঁর কবি-স্বামীটি নাকি চিকিৎসা করার নামে তোলা সহায়তার টাকায় তাকে কলকাতায় নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করে নিজে পড়ে থেকেছেন সোনাগাছিতে। এই অভিযোগে ওঠে। তারপর সেই ক্ষতে মলম লাগায় আরেক কবি, স্বামীর চাকরি চলে যায়। চাকরি হারানো ওই কবির আরো বদনাম ছিল নারী সংক্রান্ত। কিন্তু ওই কবি এমন পরিস্থিতিতেও হতাশার গভীরে নাকি তলিয়ে যাননি, কারণ তাঁর হাতে ছিল জীবনানন্দ দাশ সমগ্র। বিষণ্ন আর্ত মুহূর্তগুলোতে জীবনানন্দ পড়েই তিনি চাঙ্গা হয়ে ওঠেন, বক্সিংয়ের রিং হয়ে ওঠা পৃথিবী- তাঁর সামনে দাঁড়ানো মহাশক্তিশালী দুর্মর জীবন- তাকে তিনি লড়াইয়ে আহ্বান করেন, আয় এবার লড়াই হোক আবার। এমন কাহিনিও শোনা হয়। ফলে মনেই হয় যে, কবিতা ভালোমানুষ-মন্দমানুষ সবারই কাজে আসে। কাজে আসে ব্যবসায়। হাতের মুঠায় ভাগ্যকে দোলানোর সাথী হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম বর্ষে নবীনবরণে আমাদের কিছু উপহার-সামগ্রীর সঙ্গে একটা চাবির রিং দেওয়া হয়েছিল। সেই চাবির রিংয়ে মুদ্রিত ছিল ‘সুচেতনা’ কবিতা থেকে নেওয়া এইটুকু- ‘‘…হবে মানুষের যা হবার নয়-/ শাশ্বত রাত্রির বুকে সকলি অনন্ত সূর্যোদয়।’’
‘সময়ের কাছে’ টিভিতে একটি অনুষ্ঠানের বিজ্ঞাপনে ব্যবহৃত হয়- ‘‘সময়ের কাছে এসে সাক্ষ্য দিয়ে চলে যেতে হয়/ কী কাজ করেছি আর কী কথা ভেবেছি।’’
একজন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক বহু বছর পর ক্লাসে পড়তে এসে ‘ভাষিত’ কবিতায় নতুন করে খুঁজে পান- ‘‘একবার নির্দেশের ভুল হ’য়ে গেলে/ আবার বিশুদ্ধ হ’তে কতদিন লাগে?’’- এর মতো কথা, তিনি চমকে ওঠেন, সত্যদ্রষ্টা জীবনানন্দ দাশ সেই কবে এভাবে বলে যেতে পারেন যাতে তার অনুভবে বেজে ওঠে- ‘আমাদের সন্ততিও আমাদের হৃদয়ের নয়’।
এই ঘটনাগুলো হয়তো আরো কত না লোকের জীবনে নিভৃতে ঘটে চলে, কেউ হয়তো টেরও পান না, কেউ কেউ টের পেতেও দেন না। জীবনানন্দ দাশ তো তাদেরও কবি। আর যারা তাকে শত্রু ভাবেন বা তাঁর সম্পর্কে ভবিষ্যদ্বাণী করে দেন যে, শ্রমজীবী মানুষের সত্যিকার অধিকার পৃথিবীব্যাপী প্রতিষ্ঠিত হলে জীবনানন্দর মতো কবিদের আর কেউ পড়বে না- তাতে কোথাও একটা গোপন পুলক আর আশঙ্কা দুটোই মিশে থাকে। একদিকে মনে হয়, আহা সেদিন কী সত্যিই আসবে! অন্যদিকে, তখন জীবনানন্দের মতো কবিকে পড়বে না কেউ, তাতে সত্যিকারের কবিতা থেকে কী লোকে সরে যাবে দূরে? তাহলে মানুষের সবচেয়ে গভীরতম অনুভূতির চাষবাসে বোধের বরষা কার কাছ থেকে আসবে? কে জোগাবে জল? কবি বীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায় অবশ্য জোরের সঙ্গে বলেছেন, যতদিন একটি মানুষও প্রেমের জন্য বেদনা পাবে, ততদিন জীবনানন্দের মৃত্যু নেই।
কেবল কি প্রেম? মানবস্বভাবের গভীরতলের ছলচাতুরিকে নিয়ে তিনি বারবার এক বিহ্বল ঠাট্টার সামনে দাঁড় করিয়ে দেন- ‘‘সকলি মহৎ হতে চেয়ে শুধু সুবিধা হতেছে;/ সকলি সুবিধা হতে গিয়ে তবু প্রধূমায়মান।’’
আর সোমেন পালিতের ‘পররতিময় আত্মক্রীড়’র মতো দ্বিধাবেশী পরিস্থিতির ভেতর থেকে তিনি সেই কবে থেকে আগামী কতদূর দেখতে পেয়েছিলেন। ‘সত্যদ্রষ্টা তিনি, কবিদের রাজা’ বোদলেয়ার সম্পর্কে র‌্যাবোঁর এই কথাটি জীবনানন্দ দাশের সঙ্গে মিলিয়ে দিলেও কম বলা হয়। কারণ আধুনিক দ্বিধাকাতর সময়ে কোনো কোনো সন্ধ্যায় একাকিত্বের যন্ত্রণায় পাশে তার অশরীরী শরীর এসে দাঁড়ায়। বন্ধুর মতো, তার কোনো রাজবেশ নেই। একান্তই আপন কোনো মানুষের মতো তিনি, আমার কাছে তো বটেই।
অন্যদিকে একের পর এক ছবি এঁকে দেন নানান রকমের, সতর্ক শয়তানদের আধিপত্যবাদী সময়ের ফাঁদ তাকে দিয়ে লিখিয়ে নিয়েছিল এসব পঙক্তিমালা। ফলে বহু আগেই তাঁর দেখা হয়, একালের সাংস্কৃতিক টাউটদের। এরা ফন্দিফিকির করে, তেল-মাখন-ঘি বিলিয়ে যায়, বরাহ অবতারকে শ্রেষ্ঠ ভেবে নিজেই একদিন সেই স্থানে বসবার রোডম্যাপটি দেখতে পায়। নামে সাহিত্যসেবা করে, তলে তলে থাকে সাহিত্যের ওপর ভর করে এমন এক শয়তান হয়ে ওঠা যাকে সবাই জানবে শুয়োর, কিন্তু বারবার সংবর্ধনার আয়োজন করে তার গলায় মালা দিতে সারি দিয়ে দাঁড়াবে। এইসব আগামীর ছবি কবে দেখে এঁকে গেছেন জীবনানন্দ, একজনের অবস্থান থেকে দেখিয়েছেন আরেকজনকে-
নিজের মনের ভুলে কখন সে কলমকে খড়গের চেয়ে,
ব্যাপ্ত মনে ক’রে নিয়ে লিখেছে ভূমিকা বই, সকলকে সম্বোধন ক’রে!
কখন সে বজেট-মিটিং, নারী, পার্টি-পলিটিক্স, মাংস, মার্মালেড ছেড়ে
অবতার বরাহকে শ্রেষ্ঠ মনে ক’রেছিল!
টোমাটোর মতো লাল গাল নিয়ে শিশুদের ভিড়
কুকুরের উৎসাহ, ঘোড়ার সওয়ার, পার্শী, মেম, খোজা, বেদুইন
সমুদ্রের তীর,
জুহু, সূর্য, ফেনা, বালি- সান্টা ক্রুজে সবচেয়ে পররতিময় আত্মক্রীয়
সে ছাড়া তবে কে আর?
আগামীর অনেক শয়তানি তিনি অতীতেই দেখতে পেয়েছিলেন। সময়ের সাপ ও তার বিষ নিঃশ্বাস জীবনানন্দের কবিতা থেকে কম পাওয়া হয় না। গাঢ় প্রকৃতির ঘনিষ্ট একসময়ের জীবনানন্দ নাগরিক মানুষের, তথাকথিত আধুনিক মানুষের, নানান সংকটের ছবি কেন এত এঁকেছিলেন? সাতটি তারার আলোয় যেখান থেকে অন্ধকার সরে না- মানুষের সেই মনটিকে দেখিয়ে দিলে, তা পড়ে লোকে সতর্ক হবে? আজ না হোক (যদিও জীবনানন্দের সেই ভাষাবোধ কজন সেসময় ধরতে পেরেছিল, আজো-বা কজনে পারে তা বুঝতে) আগামী পৃথিবীর মানুষ পড়ুক এসব, আর নিজেদের দেখুক- কোথায় এসে তারা দাঁড়িয়েছে- এজন্য?
যদি তাই হতো তাহলে কবিতার নামে যারা শয়তানি করে, তারাও তো জীবনানন্দ কম পড়ে না, তবু অবলীলায় এরা অকবিতায় পরিপূর্ণ বইকে বলে, এই বইয়ের ভাষা স্বপ্নে পাওয়া, এর ভাষা বুঝতে হলে উঁচুমানের কল্পনাশক্তির অধিকারী হতে হবে। অকবিতাকে কবিতার কাতারে নিয়ে লক্ষ লক্ষ কপি ছাপা হয় যে-পত্রিকা, তাতে প্রচারপ্রবেশের দুয়ার যারা খুলে দেয়, তারা ভেজাল দ্রব্য মার্কেটিং করার মতো একটা মারাত্মক অপরাধ করে চলছে- সেকথা এখন কে জোর দিয়ে বলবে?
সব কিছু নষ্টদের অধিকারে যাবে বলে যে আশঙ্কা হুমায়ুন আজাদ করেছিলেন সেসব ঘটনা সুপ্রাচীনকাল থেকেই ঘটমান। কতকাল আগে থেকে একজন মানুষ একটু একটু করে পৃথিবীকে চিনতে চিনতে তার জীবনে ক্রমেই টের পেয়ে আসছে তার এই ভবিতব্য, তার চারপাশ ক্রমে হয়ে উঠছে আবর্জনার স্তূপ, সেই স্তূপের ময়লা দুহাতে মুঠি মুঠি করে নিয়ে আকাশে দিকে ছুঁড়ে বাতাসে দুর্গন্ধের উল্লাস করছে একদল ‘পররতিময় আত্মক্রীড়’ মানুষ। তাদের কবিও কি জীবনানন্দ?
তাঁকে কতদূর পর্যন্ত দরকার- এ নিয়ে শেষ কথা বলা যায় না। স্বভাবের ময়লা থাকা স্বাভাবিক- কিন্তু সেই ময়লা নিয়ে মতোয়ারা মানুষরা ক্রমে অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠেছে। আমাদের অনেক কিছু করার ছিল, বা আছে, বা থাকবে- অতীত থেকে ভবিষ্যতের দিকে এমন আশাবাদ নিয়ে থাকা মানুষের দিকে জীবনানন্দ দাশের কবিতা একটা স্মার্ট স্মিত হাসি ধরে রাখে, তাতে বিদ্রুপ নাকি সমস্ত ফাঁকি ধরে ফেলার আনন্দ থাকে কিনা তাও আমি নিশ্চিত নই। যাবতীয় জটিলতাকে স্পষ্ট করে চিনে নিয়ে তবু নিজের সমস্ত নিরূপায় সরলতা নিয়ে টিকে থাকা সংবেদনশীল মানুষ, অন্তত এখনও বার বার জীবনানন্দ দাশের কবিতার দিকে হাত বাড়ায়- সেরকম পরিস্থিতিও আমাদের আরেক বাস্তবতা। আমি তো প্রতিনিয়ত তাঁকে এভাবেও পাই। পেতে থাকি, পেয়ে চলি।

ফেসবুকের মাধ্যমে মন্তব্য করুন

লেখাগুলো সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করুনঃ

LEAVE YOUR COMMENT

Your email address will not be published. Required fields are marked *

hijal
Close