Home চিত্রকলা ১৮তম দ্বিবার্ষিক এশীয় চারুকলা প্রদর্শনী দর্শকদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে >> AABB 2018: The largest ART Extravaganza Opens

১৮তম দ্বিবার্ষিক এশীয় চারুকলা প্রদর্শনী দর্শকদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে >> AABB 2018: The largest ART Extravaganza Opens

প্রকাশঃ September 4, 2018

১৮তম দ্বিবার্ষিক এশীয় চারুকলা প্রদর্শনী দর্শকদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে >> AABB 2018: The largest ART Extravaganza Opens
0
0

১৮তম দ্বিবার্ষিক এশীয় চারুকলা প্রদর্শনী দর্শকদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে >> AABB 2018: The largest ART Extravaganza Opens

 

তীরন্দাজ রিপোর্ট

উদ্বোধন

দ্বিবার্ষিক চারুকলা প্রদর্শনী। এটিই এশিয়ার সবচেয়ে প্রাচীন এবং বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ চারুকলা প্রদর্শনী। প্রতি দুই বছর পর পর এই প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণ করার জন্যে আমাদের শিল্পীরা মুখিয়ে থাকেন। সুকুমার চারুকলার প্রতি আগ্রহ আছে যেসব দর্শক, শিক্ষার্থী, শিল্পবোদ্ধার, তাঁরা অপেক্ষা করতে থাকেন এই প্রদর্শনীটির। অবশেষে এবছর অবসান হলো তাঁদের সেই প্রতীক্ষার। এবারকার প্রদর্শনীটির উদ্বোধন হলো গত ১ সেপ্টেম্বর। মাসব্যাপী আয়োজিত এই উৎসবটি উদ্বোধন করেন রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ। তিনি ছিলেন এই অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর, এমপি। সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রদর্শনীর পর্য়বেক্ষক জাপানের প্রফেসর এমিরেটাস তেতসুইয়া নোদা, ভারতের প্রফেসর এমিরেটাস ও শিল্পী যোগেন চৌধুরী, পোলান্ডের শিল্প-সমালোচক, কবি এবং আন্তর্জাতিক শিল্প-সমালোচনা সংস্থার সভাপতি মারেক বার্তেলিক এবং যুক্তরাষ্ট্রের শিল্প-সমালোচক ডেবোরা ডেয়ার ফ্রিজেল।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি শুরু হয় একাডেমির মহাপরিচালক এবং প্রদর্শনীর প্রধান সমন্বয়কারী লিয়াকত আলী লাকীর স্বাগত ভাষণের মধ্য দিয়ে।
রাষ্ট্রপতি তাঁর প্রধান অতিথির ভাষণে বলেন, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড যুবসমাজের মধ্যে জাতীয়তাবাদের বিকাশ, দেশপ্রেম ও সম্প্রদায়গত সংহতি রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সংস্কৃতিই পারে বিশ্বপরিমণ্ডলে বাংলাদেশকে যথাযথভাবে তুলে ধরার অন্যতম প্রধান মাধ্যম হয়ে উঠতে। শিল্প আর সংস্কৃতি বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চার মধ্য দিয়ে সৃষ্টি করে জ্ঞানভিত্তিক ও প্রগতিশীল সমাজ। রাষ্ট্রের সঙ্গে রাষ্ট্রের, মানুষের সঙ্গে মানুষের মধ্যে সংহতি ও সুসম্পর্কও স্থাপন করে শিল্প। রাষ্ট্রপতি তাঁর ভাষণে স্মরণ করেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শিল্পকলা একাডেমি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তিনি দেশীয় শিল্প-সংস্কৃতির বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বদেরও পৃষ্ঠপোষকতা করেছিলেন তিনি। রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ আরও বলেন, দেশভেদে শিল্পীর সঙ্গে শিল্পীর কাজের পার্থক্য থাকবে, কিন্তু তাঁদের প্রতিটি কাজ জাতীয় সংস্কৃতিকে প্রতিনিধিত্ব করে। শিল্পীদের নিজস্ব চিন্তারও প্রতিফলন ঘটে তাঁদের কাজে।

শিল্পকর্ম

রাষ্ট্রপতির উদ্বোধনের পর শিল্পকলার সবগুলি গ্যালারি দর্শকদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। এই প্রদর্শনীতে ৬৮টি দেশের ৪৬৫ জন শিল্পীর ৫৮৩টি শিল্পকর্ম প্রদর্শিত হচ্ছে। এর মধ্যে বিদেশি শিল্পীদের কাজ আছে ২৬৬ জনের। এদের মধ্যে ২২৩ জন শিল্পী প্রতিযোগিতায় শিল্পকর্ম জমা দিয়েছেন। ২৯ জন বিদেশি শিল্পী বিশেষ আমন্ত্রণে অংশ নিচ্ছেন। এই আয়োজনে বাংলাদেশের ১৯৯ শিল্পী অংশ নিচ্ছেন। তাঁদের মধ্যে ১০৭ জন শিল্পী প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছেন। ১৩ জন আনন্ত্রিত মাস্টার পেইন্টারের থাকছে বিভিন্ন শিল্পকর্ম। ৬৩ জন শিল্পী এবং ১৬ জন দেশীয় পারফর্মেন্স আর্টিস্ট তাঁদের শিল্পনৈপুণ্য প্রদর্শন করছেন। এই মেগা প্রদর্শনীতে দেশীয় শিল্পীদের ২০৩টি শিল্পকর্মের এক বিরাট শিল্পযজ্ঞ পরিবেশিত হচ্ছে। বাংলাদেশসহ অংশগ্রহণকারী উল্লেখযোগ্য কয়েকটি দেশ হচ্ছে ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, ভুটান, চীন, জাপান, কোরিয়া, ভিয়েতনাম, আফগানিস্তান, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, ফিলিপিন, আমেরিকা, মঙ্গোলিয়া, পেরু, স্পেন, ইতালি, আয়ারল্যান্ড, মিসর, কেনিয়া, তুরস্ক, ইউক্রেন, ইরান, অস্ট্রেলিয়া ও জার্মানি।
এবারের আয়োজনের মধ্যে থাকছে দেশি-বিদেশী শিল্পীদের মোট ৩৬৮টি পেইন্টিং, প্রিন্ট ও ফটোগ্রাফি, ৩৩টি ভাস্কর্য়, ৫২টি ইনস্টলেশন আর্ট এবং ৩০ জন পারফর্মেন্স আর্টিস্টের শিল্পনৈপুণ্য প্রদর্শনী। আয়োজনের মধ্যে আরও থাকছে ১২ জন বাংলাদেশী নবীন শিল্পীর অংশগ্রহণে এবং শিল্পী বিশ্বজিৎ গোস্বামীর তত্ত্বাবধানে ‘ইয়াং আর্ট প্রোজেক্ট’। দেশি-বিদেশি ৪৬৫ জন শিল্পীর ৫৮৩টি শিল্পকর্মের এই বিশাল শিল্পযজ্ঞে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে আন্তর্জাতিক সেমিনার, পেইন্টিং, ভাস্কর্য়, আলোকচিত্র, প্রাচ্যকলা, প্রিন্ট মেকিং, ভিডিও আর্ট, মৃৎশিল্প, পারফর্মেন্স আর্ট, নিউ মিডিয়া এবং স্থাপনা শিল্প। বিশেষ সংযোজন হিসেবে রয়েছে কারুপণ্য মেলা, ফুড কোর্ট, আর্ট কাফে, শিশু কর্ণার, আর্ট ক্যাম্প, পারফর্মেন্স আর্ট ওয়ার্কশপ এবং ভার্সকর্য় উদ্যান।

পুরস্কার

গ্র্যান্ড প্রাইজ পেয়েছেন : বাংলাদেশের চিত্রশিল্পী আতিয়া ইসলাম অ্যানি ও সালমা জাকিয়া বৃষ্টি এবং ভারতের কান্ডন জি। এরা প্রত্যেকে ৫ লাখ টাকা ও একটি করে ক্রেস্ট পাবেন। সম্মানসূচক পুরস্কার পেয়েছেন চীনের উ জুন, ফিলিস্তিনের মন্থার জাবরে, থাইল্যান্ডের ত্রিরাত স্রিবুরিন এবং বাংলাদেশের তিন শিল্পী কামরুজ্জামান স্বাধীন, ফখরুল ইসলাম মজুমদার ও নাজমুন নাহার কেয়া। এরা প্রত্যেকে পাবেন ৩ লাখ করে টাকা, সঙ্গে ক্রেস্ট।

সেমিনার

ইতিমধ্যে ২ ও ৩ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হয়ে গেল দিনব্যাপী সেমিনার ও আলোচনা অনুষ্ঠান। সেমিনারের বিষয়বস্তুর শিরোনাম ছিল : ‘আর্ট অ্যান্ড কনটেমপোর্যাারি ন্যারেটিভ এবং ‘আর্ট, পেডাগজি অ্যান্ড প্রমোশন’। প্রথম সেমিনারে মূল প্রবন্ধ পড়েন শিল্প ও শিল্প-সমালোচক মুস্তফা জামান। আলোচনায় অংশ নেন প্রফেসর শামসাদ মর্তুজা, প্রফেসর ফকরুল আলম, রামেন্দু মজুমদার, চি সু কৃষ্ণা শেট্টি, ব্লানকা দে লা তোরে, যোগেন চৌধুরী, রশীদ আমিন, শায়লা শারমিন, মইনুদ্দীন খালেদ, তানজিম ইবনে ওহাব, ডেবোরা ডায়ার ফ্রিজেল, মারেক বারতেলিক এবং তেতসুইয়া নোদা। সভাপতিত্ব করেন প্রফেসর নজরুল ইসলাম। সঞ্চালনার দায়িত্ব পালন করেন প্রফেসর সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম ও প্রফেসর আবুল মনসুর। সমাপনী ভাষণ দেন সেমিনার কমিটির আহ্বায়ক প্রফেসর সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম। এই সেমিনারের শেষ দিনে লোকগান পরিবেশন করেন আবদুল কুদ্দুস বয়াতী। ৪ সেপ্টেম্বর শিল্পী এবং অতিথিদের জন্য আয়োজন করা হয়েছে নৌবিহারের।

প্রদর্শসূচি

উল্লেখ্য, প্রদর্শনী উপলক্ষে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি চমৎকার একটি বিশাল ক্যাটালগ বা প্রদর্শসূচি প্রকাশ করেছে।

প্রদর্শনীর সময়সূচি : ১ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর সকাল ১১টা থেকে রাত ৮টা।
প্রদর্শনী স্থান : জাতীয় শিল্প সংগ্রহশালা, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি।
প্রদর্শনীটি সবার জন্য উন্মুক্ত।

 
18th Asian Art Biennale Bangladesh
The largest ART Extravaganza Opens

 

 

Teerandaz Report

 
The thirty-day 18th Asian Art Biennale Bangladesh (AABB) begun at Bangladesh Shilpakala Academy in the capital on first day of September 2018. The exhibition is the most prestigious and biggest art festival of Bangladesh as well as the oldest international art biennale event in Asia.
President Abdul Hamid inaugurated the grand art exhibition as chief guest. Cultural Affairs Minister Asaduzzaman Noor was present as a special guest while Eminent Japanese Professor Emeritus Tetsuya Noda of the Tokyo University of Arts, and Thai Vice-Minister of Culture, graced the occasion as honorable guests. Paris based renowned Bangladeshi artist Shahabddin Ahmed, also the chairman of jury board of the biennale, declared the award winners of AABB 2018. Four eminent artists–Jogen Chowdhury from India, Marek Bartelik from Poland, Deborah Frizzell from the USA, and Esmeraldo Abalde–also attended the festival as observers.
Delivering his speech as chief guest, President Abdul Hamid has said cultural activities play an important role in promoting the tradition of communal harmony, including the development of the spirit of nationalism, patriotism and discipline among the youths of a nation.
The president dubbed arts and culture as a powerful tool to occupy one’s place in the world map. “One of the main tools of art and culture is to create knowledge-based society, intellectual practice and progressive society.” He said art has also a strong contribution in developing good relationship and bonding. Hamid said Bangladesh Shilpakala Academy, founded by the Father of the Nation Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman, played an important role in the development of native culture with the support of the cultural personalities. The nature and activities of the artists can vary from country to country. Every artwork represents the national culture and culture of every artist apart from the artists’ own thoughts.
The exhibition presents 583 artworks by 465 artists from 68 countries including Bangladesh, India, Pakistan, Sri Lanka, Nepal, Bhutan, China, Japan, Korea, Vietnam, Laos, Afghanistan, Singapore, Thailand, Malaysia, The Philippines, The United States of America (USA), Mongolia, Peru, Spain, Italy, Ireland, Egypt, Kenya, Turkey, Ukraine, Iran, Australia and Germany are participating in the event. The artworks include two and three-dimensional artworks like painting, prints, photography, sculpture, installation, performance and new media arts. The biennale also displays 69 artworks by master painters.
Earlier, a jury panel comprising five members with two from Bangladesh and one each from France, India and Spain were responsible for judgment of displayed artworks in the 18th Asian Art Biennale Bangladesh as well as selected best artworks for three grand prizes and six honorable mention prizes. Bangladeshi artists Atia Islam Anne and Salma Zakia Bristy together with Kandan G from India bagged grand awards. Wu jun (China), Monther Jawabreh (Palestine), Trirat Sriburin (Thailand) and three Bangladeshi artists Kamruzzaman Shadhin, Fakrul Islam Mazumder and Najmun Nahar Keya received the Honourable Mention Awards. Recipients of grand and Honourable mention awardees received Tk 5 lakh and Tk 3 lakh respectively along with crests.
On the second day a-day long seminar on `Art and Contemporary Narratives’ and a roundtable discussion on `Art, Pedagogy and promotion’ were held in the National Art Gallery Auditorium. In the first session, Liaquat Ali Lucky, Director General, Bangladesh Shilpakala Academy delivered the welcome speech and introduced the occasion to the guest artists and participants. The Keynote paper was presented by artist and art critic Mustafa Zaman. The discussant were Professor Shamsad Mortuza, Professor Fakrul Alam and Ramendu Majumer while Professor Nazrul Islam chaired the session, and vote of thanks was given by Professor Syed Manzoorul Islam.
In the second session of the seminar, discussants were art critic Chi. Su. Krishna Setty from India, Blanca De La Torre from Spain and Professor Jogen Chowdhury from India. The Session was moderated by Artist Professor Abul Monsur.
On the third day, another roundtable discussion was held, and it was participated by discussants artist Rashid Amin, Shaela Sharmin, Moinuddin Khaled, Deborah Dyer Frizzell, Marek Bartelik and Tetsuya Noda. The convener of the seminar Professor Syed Manzoorul Islam concluded the two-day seminar with his closing speech.
After the opening ceremony of the 18th Asian Art Biennale Bangladesh (AABB), we talked to three eminent artists coming from Australia, Nepal and USA. The Australian artist Peteris Ciemitis expressed his satisfaction about this extravaganza. He opined that it could be one of the biggest exhibitions of the world. Nepalese street artist also expressed the same view. For the second time he is participating the exhibition and observes, year after year it is becoming a very important exhibitions for the artists not only for South Asia as well as global.

Venue: Bangladesh Shilpakala Academy National Art Gallery.
Date and time: 1-30 September 2018, 11.00 am to 8.00 pm everyday.

The Exhibition is open for all.

 

ফেসবুকের মাধ্যমে মন্তব্য করুন

লেখাগুলো সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করুনঃ

LEAVE YOUR COMMENT

Your email address will not be published. Required fields are marked *

hijal
Close